সবার আগে বাংলাদেশপন্থী হোন
ফারুক ওয়াসিফ | আপডেট: ০১:৪১, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৩ | প্রিন্ট সংস্করণ
২৯
নিউইয়র্কে ভারতীয় কূটনীতিক দেবযানী খোবরাগাদেকে গ্রেপ্তার করে অপদস্ত করার ঘটনায় এক মোগল কাহিনি মনে পড়ল। পারস্যের রাষ্ট্রদূত সম্রাট শাজাহানের দিল্লির দরবারে আসেন কিন্তু কিছুতেই কুর্নিশ করেন না। তো তাঁকে শায়েস্তা করার জন্য এক ফন্দি কষলেন বাদশাহ শাজাহান। দরবারে ঢোকার মুখের বড় দরজাটা বন্ধ করে ছোট খিড়কিটা খোলা রাখলেন। ভাবলেন, এবার তো বেয়াড়া কূটনীতিককে তাঁর সামনে মাথা নত করতেই হবে। আমাদের দেশেও আমরা এখনো দেখি, বড় অতিথিদের জন্য বড় দরজাটা হাট করে খোলা হয়, আর সাধারণ মানুষদের ঢুকতে হয় বড় লোহার দরজার সঙ্গের ছোট একটি দরজা দিয়ে মাথা নত করে। যা হোক, দূত ঘটনা বুঝে পেছন ফিরে শরীরের পশ্চাদ্দেশটা আগে দরবারে ঢোকালেন। শাজাহান খাপ্পা হয়ে ফোড়ন কাটলেন, এ কী ঘোড়া ঢুকছে কেন আমার দরবারে! উল্লেখ্য, ঘোড়া আস্তাবলে ঢোকে পশ্চাদ্দেশ এগিয়ে দিয়ে। চটপটে দূতের ঝটপট উত্তর, আপনি কি মনে করেন এই দরবার ঘোড়ার আস্তাবলের চেয়ে ভালো কিছু! সম্রাটের তখন লাজবাব হওয়া ছাড়া উপায় নেই। মোগলরা যেহেতু পারস্য দেশের শাহেনশাহদেরই জ্ঞাতিভাই, তাই ঈর্ষা-রেষারেষিটা একটু বেশিই ছিল তাদের মধ্যে।
কথার যুদ্ধে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা কূটনীতিকদের কাজের অংশ। বলা হয়, কূটনীতিক তিনিই, যিনি দেশের স্বার্থে অবলীলায় মিথ্যা বলেন। কিন্তু দেবযানীকে রাস্তা থেকে হাতকড়া পরিয়ে আটক করা হয়েছে, জামাকাপড় খুলে তল্লাশি করা হয়েছে কোনো কূটনৈতিক কর্মের জন্য নয়। তিনি মিথ্যা বলেছিলেন টাকার জন্য। তাঁর বাড়িতে ভারত থেকে ‘কাজের লোক’ হিসেবে যে মেয়েটিকে নিয়ে এসেছিলেন, ভিসা আবেদনে তাঁর বেতন সম্পর্কে মার্কিন-মানে যে বেতন দেওয়ার কথা ছিল, কার্যত দিতেন তার বহু গুণ কম। কাজ করাতেন সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার বেশি। ভারত সরকার অবশ্যই দেবযানীর প্রতি আইনানুগ আচরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক করতে পারে। পারে দিল্লির মার্কিন কূটনীতিকদের সুযোগ-সুবিধা বাতিল করতে। কিন্তু ভারতীয় কূটনীতিকেরা যে বিদেশে গৃহকর্মীদের সঙ্গে প্রতারণা করেন, তা ঢাকবেন কী করে?
সামনে নির্বাচন, তাই ভোটারদের জাতীয়তাবাদী আবেগকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৃত্রিম বিবাদ ভারত করে দেখাবে। কিন্তু আসল ব্যাপার হলো, ভারতীয় কূটনীতিকদের কারও কারও গৃহকর্মী-শোষণের ঘটনাটাকে জাতীয়তাবাদী জোশ দিয়ে ঢেকে রাখা।
এ ঘটনার অন্য দিকও আমাদের পাঠ করা দরকার। একটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব কেবল নিজ রাষ্ট্রের সীমানায়ই কার্যকর নয়, তা বিদেশে সেই রাষ্ট্রের নাগরিক ও কূটনীতিকদের অধিকার ও সম্মান রাখার ওপরও নির্ভরশীল। ভারত তার একজন কূটনীতিকের সম্মান রক্ষার মধ্যেই তার সার্বভৌম ক্ষমতার প্রমাণ রাখতে চাইছে। দেবযানী অপরাধ করুন বা না করুন, ভারতকে এভাবে তার নাগরিকদের চোখে ও বিদেশিদের কাছে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সামর্থ্য দেখাতেই হবে। এই সামর্থ্য ভারতের হয়েছে জাতীয়তাবাদী জিগির তুলে নয়, অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটানোর মাধ্যমে।
অহরহই বাংলাদেশের নাগরিক তো বটেই, অনেক বড় বড় কর্মকর্তাও দেশে বিদেশি কূটনীতিকদের কথায় বা কাজে অপদস্ত হন। বড় অর্থনীতির হাতে এভাবে ছোট অর্থনীতির পয়মাল হওয়া নতুন নয়। কয়েকটি ঘটনা খুলে দেখা যাক।
সম্প্রতি পাকিস্তানের পার্লামেন্টে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধের বিচার এবং সেই বিচারে কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর হওয়া নিয়ে নিন্দা প্রস্তাব পাস হয়েছে। সেই বেতাল দেশের একজন মাত্র এমপি এর বিরোধিতা করে বলেছেন, এটা বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়, এ ব্যাপারে পাকিস্তানের নাক গলানো উচিত নয়। একাত্তরের স্বাধীনতা ঘোষণা করা বাংলাদেশে নাক গলিয়ে নাকসহ আরও অনেক কিছুই কাটা পড়েছিল পাকিস্তানের। নব্বইয়ের দশকে আফগানিস্তানে হাত গলিয়ে হাত পুড়েছিল দেশটির। এখনো তাদের উদ্ধত স্বভাব গেল না। বাংলাদেশ ভুল-সঠিক যা-ই করুক, তা করছে নিজের দেশের মাটিতে, নিজের দেশের নাগরিকদের সঙ্গে। এ ব্যাপারে নাক গলানো সার্বভৌমত্বের প্রতি টিটকারি ছাড়া আর কিছু নয়।
বাংলাদেশ সরকার এর জোর প্রতিবাদ করেছে, অনলাইন-ব্লগে অনেককেই সোচ্চার থাকতে দেখা গেছে। পাকিস্তান রাষ্ট্রটি বারবারই নিজের সামর্থ্যের চেয়ে বেশি অভিলাষ দেখাতে গিয়ে আরও দুর্বলই হয়েছে। বিপরীতে বাংলাদেশ নিজের সামর্থ্যকে সর্বদাই ছোট করে দেখে। বিশ্বে যারই একটু শিং গজিয়েছে, সে-ই কোনো কোনো ভাবে বাংলাদেশিদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে থাকে। নব্য ধনী আরব রাষ্ট্রগুলোর আমাদের শ্রমিকদের সঙ্গে আচরণ, তুরস্কের মতো দেশের বাংলাদেশকে উপদেশ দানের ঘটনা আমরা মনে রাখছি।
আরব-পাকিস্তান-তুরস্কের অযাচিত বাণীবর্ষণ বিষয়ে যাঁরা সোচ্চার, তাঁরাই আবার ভারতীয় উৎসাহী আচরণ নিয়ে মূক ও বধির। গত পাঁচ বছরে দেশটির কূটনীতিক ও নেতা-নেত্রীদের বাংলাদেশ সম্পর্কে মন্তব্য, কথা বলা ও বৈঠক করা নিয়ে রাজনৈতিক সমাজের একটি অংশের সম্পূর্ণ নীরবতা বাংলাদেশের জন্য ভালো ফল দেবে না। বিদেশিদের ভরসা করে স্বদেশিদের একটি অংশকে মোকাবিলা করা স্বাধীন দেশের নাগরিকের জন্য লজ্জার বিষয়। আমরা যেমন আমাদের জাতীয় অন্তঃকোন্দলকে আন্তর্জাতিক কোন্দলে রূপান্তরিত হতে দিতে পারি না, তেমনি আমাদের রাজনৈতিক সমস্যাকে ভারত-মার্কিনের হিসাব-নিকাশের ঘুঁটি বানাতে দিতেও পারি না।
আরেক দল যুদ্ধাপরাধীর বিচার-প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ ও আপত্তি উত্থাপনকারী পাকিস্তানের নাক গলানোয় প্রকাশ্যে সমর্থন দিতে না পারলেও যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ানো নাকে চুমু খাচ্ছেন। এমনকি অনেকে সরকারের আচরণে রুষ্ট হয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইইউ-জাতিসংঘসহ যাকে পাচ্ছে তারই হস্তক্ষেপ চাইছে। জনবিচ্ছিন্নতা ও জনগণের প্রতি অনাস্থা এভাবে দুই দলই প্রমাণ করছে।
আসলে বিদেশিদের প্রতি বাঙালিদের বিভিন্ন অংশের বিভিন্নমুখী আকর্ষণের কারণ জাতীয় হীনম্মন্যতাই শুধু নয়, রাজনৈতিক ঘরানাগুলোর পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষের বাড়াবাড়িও বটে। বাংলাদেশিরা প্রথম বিবাদ করে ভাই-বোনে, তারপর প্রতিবেশীর সঙ্গে, তারপর বদনাম করে সবার। আমাদের রাজনীতির একটি পক্ষ অন্য পক্ষকে এতই ঘৃণা করে যে প্রতিপক্ষের ঘর পোড়াতে বাইরের লোক ডাকতে দ্বিধা করে না। মীরজাফরের জোগানে কখনো ঘাটতি হয়নি বলেই মগ-হার্মাদ-তুর্কি-ইংরেজরা আমাদের ওপর শত শত বছর ছড়ি ঘোরাতে পেরেছে। শেষ বিচারে হাসিনা-খালেদা এ দেশেরই মানুষ, এ দেশেই তাঁদের ভালোমন্দের দীর্ঘ ইতিহাস। তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এ দেশের মাটিতে ছাড়া আর
কোথাও থাকার কথা নয়। দেশে যদি তাঁরা আস্থা হারান, কোনো বিদেশির কাছেই তাঁরা দাম পাবেন না। আবার মার্কিন মন্ত্রী-উপদেষ্টা আমাদের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে অযাচিত চাপ দেন, তখন কোনো বাংলাদেশির খুশি হওয়া উচিত নয়। যখন আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতাকে কোনো দেশের পক্ষ থেকে অন্যায্য চাপাচাপি করা হয়, তখন আসলে রাষ্ট্র, সংবিধান, নাগরিকতা সবকিছুই অসম্মানিত ও লাঞ্ছিত হয়।
আফগানিস্তানের পুতুল শাসক হামিদ কারজাই পর্যন্ত অভিযোগ করেছেন, আমেরিকা তাঁকে সম্মান করে না। আমরা কী করছি? আমাদের নেতা-নেত্রী, জোট-মহাজোট, গণমাধ্যম-নেটমাধ্যম সবাই মিলে প্রকাশ্যে বিভিন্ন পক্ষের হস্তক্ষেপের সাফাই গাইছি। বাংলা নামের দেশ, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এর স্বাধীনতা, এর নাগরিকতার সম্মান সব খুইয়ে তখন আমরা দলের মাপে ছোট হতে থাকি, গোষ্ঠীর মাপে সংকীর্ণ হতে থাকি, ব্যক্তির মাপে ক্ষুদ্র হয়ে যাই, তখনই ওই মোগল গল্পের মতো আমাদের জন্য বন্ধ হয়ে যায় বড় দরজা। কেবল খোলা থাকে খিড়কি পথ। ১৬ কোটি বাংলাদেশির জন্য খিড়কি পথ নয়, সদর দরজাটা উন্মুক্ত করুন। কারও হস্তক্ষেপ চাইবার আগে ভাবুন, বাঙালি বা মুসলমান যাই হোন, সবার আগে বাংলাদেশি হোন। যে রঙেরই জাতীয়তাবাদী হোন, দেশপ্রেম নিয়োজিত করুন অর্থনৈতিক বিকাশে। অর্থনীতি সবল না হলে পাকিস্তানকে বকাবাদ্য করতে পারবেন, ভারতকে হিংসা করবেন, আমেরিকা বিষয়ে উদাসীন থাকবেন; কিন্তু দেশের স্বার্থ ও নাগরিকের অধিকার কিছুই বাঁচাতে পারবেন না।
ফারুক ওয়াসিফ: সাংবাদিক।
bagharu@gmail.com
Facebook Twitter Google+
ইসি এখন ‘বিবেকহীন অনুপ্রবেশকারী’
সরল গরল
ইসি এখন ‘বিবেকহীন অনুপ্রবেশকারী’
ভোট গ্রহণের আগেই ক্ষমতাসীন দল ১৫১টির বেশি আসনে...
* সর্বশেষ
* পঠিত
* অবশেষে জন কেরির দুঃখ প্রকাশ
* অবশেষে জন কেরির দুঃখ প্রকাশ
* গাড়ি-বাড়ি সফলতা?
* এক হয়ে গেল ওডেস্ক ও ইল্যান্স
* ভালো ঘুমের সহজ নিয়ম
সকল সর্বশেষ
* বিশ্বজিৎ হত্যা: ছাত্রলীগের ৮ জনের ফাঁসি, ১৩ জনের যাবজ্জীবন
* ‘আমার কিছুই অইব না’
* গোপনে দেশ ছেড়েছেন খিলক্ষেত থানার ওসি
* পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে
* টক শো থেকে মেনন-ইনুর লাখ টাকা আয়!
সকল পঠিত
পাঠকের মন্তব্য ( ২৯ )
*
User Picture
raiyan mahmood২০১৩-১২-১৯ ০০:১৬ via undefined
২৭
২
very well written article.
রিপ্লাই
o
User Picture
সাইফুল আলম২০১৩-১২-১৯ ০১:২৩ via undefined
১৪
৬
বাংলাদেশের দালাল হয়েই যেন আমার মৃত্যু হয় সেই কামনা করি।
*
User Picture
MN NABI CHOWDHURY২০১৩-১২-১৯ ০১:৪৯ via undefined
১২
১৯
'বাঙালি বা মুসলমান যাই হোন, সবার আগে বাংলাদেশি হোন' - আমি বলব সবার আগে বাঙালি হোন ।
রিপ্লাই
*
User Picture
A. Khan২০১৩-১২-১৯ ০১:৫৯ via undefined
১০
২
So nice and true.
রিপ্লাই
*
User Picture
এফ রহমান২০১৩-১২-১৯ ০১:৫৭ via undefined
৬
৯
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সহমত কথাটি বলতে পারছি না। ভারত আমেরিকা পাকিস্তান নয় জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চাই।
রিপ্লাই
*
User Picture
মুমতাসির হক বসুনিয়া২০১৩-১২-১৯ ০২:০৪ via undefined
৬
৩
অলরেডি কিছু সিদ্ধান্ত তো নয়াদিল্লি মে পাস হো .....
রিপ্লাই
*
User Picture
Md Asaduzzaman২০১৩-১২-১৯ ০২:১১ via undefined
৭
৫
এ সব সুধু পড়তেই ভাল লাগে । বাস্তবে সম্ভব নয় । হস্তক্ষেপ কামনার সুবিধা আছে বলেই ক্ষমতাশীন দের সেচ্ছাচারিটা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রনে থাকে ।
রিপ্লাই
*
User Picture
Nazmul chowdhury২০১৩-১২-১৯ ০২:০৮ via undefined
১১
১
We Don't want Pro Indian and Pro Pakistani it is all about Bangladesh.
রিপ্লাই
*
User Picture
ASIF২০১৩-১২-১৯ ০২:১৯ via undefined
৬
২
Appreciated Article.!
রিপ্লাই
*
User Picture
Md Amirul২০১৩-১২-১৯ ০২:৩৯ via undefined
৮
২
I appreciate your way of thinking.
রিপ্লাই
*
User Picture
Jonoik Nagorik২০১৩-১২-১৯ ০৩:১৯ via undefined
৭
২
খুব সুন্দর হয়েছে লেখাটা। ধন্যবাদ।
রিপ্লাই
*
User Picture
Mahmud Raihan২০১৩-১২-১৯ ০৩:১৭ via undefined
৪
৩
This article will be disliked by some readers .those persons are requested to explain the reasons.
রিপ্লাই
*
User Picture
Nibir২০১৩-১২-১৯ ০৩:২২ via undefined
১২
৬
তা ভাইজান, ভারতের করমচারী হয়েও সুজাতা যে আমাদের দেশের রাজনীতি আর নিজস্ব বিষয় নিয়ে কথা শুনায় গেলো, ঐটা বললেন না কেন ? নাকি দাদাদের তোষামদি ছাড়তে অপরাগ ?? আপনাদের মতের না হলেই মগজ ধোলাই, নিজের টা কি ??
রিপ্লাই
*
User Picture
মেহেদী হাসান মানিক২০১৩-১২-১৯ ০৩:৩৪ via undefined
৬
৩
একেবারে বাস্তব চিত্রই তুলে ধরেছেন
রিপ্লাই
*
User Picture
Shahela Parvin২০১৩-১২-১৯ ০৩:৪২ via undefined
১
৩
My voting right has been taken away.........probably, there will be ample opportunity in future to discuss about what Pakistan or India or USA has done to me.......please, say something regarding my right back.
রিপ্লাই
*
User Picture
Mohammad A Sarker২০১৩-১২-১৯ ০৩:৫০ via undefined
০
১
Yes, You all invest your partiotism and lifelong savinngs ( if there's any) so that Khaleda & Hasina can loot as they please ... well wriiten of course ... checksum zero ...
রিপ্লাই
*
User Picture
Yousuf Ahmed২০১৩-১২-১৯ ০৩:৪৭ via undefined
৭
১
আমার ফেইসবুকে গতকাল সন্ধায় ষ্টাটাস দিয়েছি: কেউ পাকিস্তানের দালাল, কেউ ভারতের দালাল!কিন্তু, বাংলাদেশের দালালের বড় বেশী অভাব বোধ করছি।আমাদের এখন দরকার উচু মাপের শুধুমাত্র বাংলাদেশের দালাল। এই লেখার সাথে আমার মতের শ'ত ভাগ মিলে যাচ্ছে!
রিপ্লাই
*
User Picture
Nahiyan২০১৩-১২-১৯ ০৩:৫৪ via undefined
২
০
১৬ কোটি বাংলাদেশির জন্য খিড়কি পথ নয়, সদর দরজাটা উন্মুক্ত করুন
রিপ্লাই
*
User Picture
nesar uddin২০১৩-১২-১৯ ০৪:২১ via undefined
২
১
True. We definitely can fight each other for any petty thing, but be united for the prestige of our nation.
রিপ্লাই
*
User Picture
এছলাম সরকার২০১৩-১২-১৯ ০৪:২১ via undefined
৬
২
হেঁ হেঁ হেঁ স্বার্থের রশিটা প্রভুদের হাতে থাকলে একটু হাত তো কচলাতেই হবে ওয়াসিফ। একজন নাগরিক হিসেবে আপনি স্বাধীনচেতা হতেই পারেন, কিন্তু লুটেরাদের বরাভয় দিয়ে নিজের আখের গোছানোর রাজনীতিতে ওসব লাথি-ফাতি খেলে কিছু আসে যায়না। হেঁ হেঁ হেঁ।
রিপ্লাই
*
User Picture
Saqlain Ahmed২০১৩-১২-১৯ ০৪:২৬ via undefined
৩
১
অসম্ভব সুন্দর একটি আর্টিকেল
রিপ্লাই
*
User Picture
এম বি পারভেজ রনি২০১৩-১২-১৯ ০৪:২৮ via undefined
২
১
পড়ে ভালো লাগলো। এমন অনেক কথা মনে আসে। কিন্তু কিছু হয় না জন্যে লেখাও হয় না। আশা করি আপনার লেখাটা কিছু একটা করবে। যদিও জানিনা সেই "কিছু একটা" আসলে কি...
রিপ্লাই
*
User Picture
Abu Mohammed২০১৩-১২-১৯ ০৪:৩৭ via undefined
২
১
Very good article, thanks writer. In America: Everyone must follow the law. Leaders must obey the law. Government must obey the law. No one is above the law.
রিপ্লাই
*
User Picture
Tareq২০১৩-১২-১৯ ০৪:৫০ via undefined
৫
১
সুন্দর লিখেছেন। আমাদের সবার আগে বাংলাদেশপন্থী হওয়া দরকার ছিল, তাহলে আজকে দেশের এই অবস্থা হয়না। সব দলের নেতারাই বিদেশের নেতাদের কাছে দৌড়ান। দেশের মানুষের প্রতি তাদের আস্থা নেই, কারণ তারা তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে জানেন, যা দেশের মানুষের আস্থা অর্জন করার নয়। গত ১৬-ই ডিসেম্বর ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাস্ট্রদূতরা আমাদের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে যায়নি, আর এটা যে আমাদের কিছু রাজনীতিবিধদের কারনে হয়েছে তা আমরা ভালোই বুঝি। এতে আবার অনেকে খুশিও হয়েছেন। দল মত নির্বিশেষে এর প্রতিবাদ করা উচিত ছিল । এটা কোনো দলের ব্যাপার না, এটা আমাদের স্বাধহীনতা, সমগ্র বাংলাদেশির। এখানে কারো পুলকিত হবার কিছু নেই, কারণ এটা আপনার, আমার সমগ্র জাতীর জন্য অপমানের। আসুন আমরা দেশকে ভালোবাসি, বাংলাদেশপন্থী হই, মাথা উঁচু করে বাঁচতে শিখি কেউ যেন এরকম দৃষ্টতা দেখানোর সাহস না পায়।
রিপ্লাই
*
User Picture
আব্দুর রহমান চক্রবর্তী২০১৩-১২-১৯ ০৪:৫৬ via undefined
৫
১০
এই দেশ সেদিনই ডুবেছে যেদিন জিয়াউর রহমান বাঙ্গালিকে বাংলাদেশি বানিয়েছেন আমাদের ৭২ এর মুল সংবিধানকে কাটাছেড়া করে। উনি সরাসরি আমাদের জাতিপরিচয়ে হাত দিয়েছেন। আমরা আবার যেদিন আমাদের জাতিগৌরবে গৌরবান্বিত হতে পারব সেদিন আমাদের মেরুদন্ড সোজা হবে। পাকিস্তানের আজকের খারাপ অবস্থা কারণ তাদের জাতিপরিচয় নষ্ট করা হয়েছে, পাঞ্জাবি, সিন্ধি, এই শক্তিশালী জাতিগুলিকে উর্দুভাষী বানানো হয়েছে, পাঞ্জাবি, সিন্ধির বদলে কৃত্তিম পরিচয় পাকিস্তানি বানানো হয়েছে। বাঙ্গালিকেও এভাবে কৃত্তিম পরিচয় বাংলাদেশি বানানো হয়েছে, বাঙ্গালির কোর আইডেনটিটিতে আঘাত করা হয়েছে, একটা জাতির আত্মাকে নষ্ট করা হয়েছে। স্বাধীনতার পরে তো আমরা বাংলাদেশি পরিচয় গ্রহন করি নাই, আমাদের সংবিধানে আমাদের বাঙ্গালি পরিচয়টাই ছিল, জিয়াউর রহমান এসে সেটা পুরো কেতে ফেলে বাংলাদেশি বসালেন, যার পক্ষে এখন অনেকে ছুতা তোলেন চাকমা, মারমাদের। আরে ভাই আগে বাঙ্গালি বাচান, ভিন্নজাতির চিন্তা পরে করেন। ভিন্নজাতির সাথে বহুবছর তো থাকলাম, পাঞ্জাবিদের সাথে থাকলাম, এর আগে ভারতীয় বিভিন্ন জাতির সাথে থাকলাম, কিছু লাভ তো হয় নাই, ক্ষতিই হয়েছে। আমাদের এখন দরকার উগ্র বাঙ্গালি জাতিয়তাবাদ ও বাঙ্গালি পরিচয়। জার্মান, ফরাসিরা যেমন শক্তিশালি জাতিপরিচয়, জাতিগৌরবে বলীয়ান, আমাদের তেমনই হতে হবে। চাইলেও আমরা বহুজাতিক দেশ হতে পারবো না, বাঙ্গালি ভিন্ন অন্যান্য জাতি আমাদের জন্য তেমন একটা অবদান রাখতে পারবে না, ব্রিটেনে স্কটিশরা যেমন অবদান রাখে ব্রিটিশ পরিচয়ে অবদান রাখে তেমন অবদান অন্যরা রাখতে পারবে না। এটাই নির্মম বাস্তবতা। আমাদের ব্রিটিশ নয়, ফরাসি, জার্মান, এদের পথ ধরতে হবে। জাতিরাষ্ট হিসাবে জন্ম, জাতিরাষ্টই হতে হবে আমাদের, আসল আত্মপরিচয় বাদ দিয়ে কৃত্তিম পরিচয় ধারণ করতে গিয়েই আজ আমাদের এই করুণ অবস্থা। এদেশের জনগণকে বাঙ্গালি পরিচয়ে যেভাবে জাগাতে পারবেন, রক্ত গরম করাতে পারবেন, অন্য কোন পরিচয়ে তা পারবেন না। সত্যকে স্বীকার করতে হবে আমাদের, আজ অথবা কাল। এখন এটাকে সংকীর্ণতা বললে বলতে পারেন, কিন্তু এটাই বাস্তবতা।
রিপ্লাই
*
User Picture
GIAS ,ITALY giasbd01@yahoo.com২০১৩-১২-১৯ ০৫:০২ via undefined
৫
৫
মানির মান নাকি জুতা দিয়ে পিটালেও যায়না, কিন্তু যার মানই নাই তার আবার যাবেটা কি ?? আমাদের সব কিছু নিয়ন্ত্রন হয় বিদেশীদের দ্বারা, হয় দিল্রি থেকে নাহয় ওয়াশিংটন থেকে। দিল্লির হস্তক্ষেপতো আজ একেবারেই নগ্ন, প্রকাশ্য। তাহলে আমেরিকা বা জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চাওয়াতে মান যাবে কেন ?? যে অবস্থা তৈরী হয়েছে তাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করতে গেলে ভারত থেকে প্রতিরোধ আসবে এটা ১০০ % নিশ্চিত। সুতরাং জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ ব্যতিত এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব নয়।হাসিনা খালেদা বা তাদের চামচাদেরতো ভোগবিলাশের কোন অসুবিধা হচ্ছেনা। যত খেশারত দিচ্ছে সাধারণ মানুষ, কিন্তু এই সাধারণ জনগোষ্টির নিজস্ব কোন ক্ষমতা নেই এই অবস্থা থেকে নিজেদেরকে উদ্ধার করার।তাই জাতিসংঘই এখন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের এক মাত্র ভরসা।
রিপ্লাই
*
User Picture
Nahian Khan২০১৩-১২-১৯ ০৫:০৭ via undefined
৩
১
Really nice article! Thanks to Mr. Faruk Wasif for focusing on the truth. Bangladesh Facebook Generation should read it and try to understand the fact. Things will be changed only when the people will change.
রিপ্লাই
*
User Picture
ep২০১৩-১২-১৯ ০৫:০৭ via undefined
৪
৩
USA বুঝিয়ে দিয়েছে(india) যে দাসের আসন কখও মনিবের পাশে হতে পারেনা
রিপ্লাই
*
User Picture
Hemayet২০১৩-১২-১৯ ০৫:১১ via undefined
৫
০
Mr. Wasif, you do not need to represent India wrongly to tell your story. India did not protest the arrest but protested the derogatory naked-search which is unnecessary for such a crime. And telling lies and paying less salaries to home-assistants is not only an Indian characteristic but common practice amongst all US residents from the sub-continent. And they have inherited this from their culture back home. To address that you will need to change the society and that will take many years to achieve. Yes, all Indians are united when they represent India because they do not have conflicts on fundamental issues. But in Bangladesh the society is now divided on fundamental issues. This was not so in 1971. Over the last 40 years the anti-liberation forces have been empowered so much so that they have become a significant force to challenge the values with which muktijudhdho was fought. In terms of corruption and democracy there is only marginal difference between AL and BNP and so that is not the issue to compare. And according to UN and other international agencies, Bangladesh has achieved PHENOMENAL success recently in socio-economic development. Then what is the issue? Why we need a care-taker Govt to run our elections? Why we do not instead ask to structure and strengthen the Election Commission like other democratic countries so that acceptable elections can be conducted. Are we less civilised than other democratic countries including India? Be honest to your profession and try analyse and find answers to these questions.
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন