মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৩


প্রার্থীরা আতঙ্কিত : প্রচারণা নেই 17 Dec, 2013 প্রধান বিরোধী দলীয় জোটের নির্বাচন বর্জন, লাগাতার অবরোধ এবং প্রচন্ড গণবিক্ষোভের মুখে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকাংশ প্রার্থীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ফলে প্রচারণার সময় শুরু হলেও কাউকে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে না। সূত্র জানায়, নির্বাচনে অংশ নেয়া অধিকাংশ প্রার্থীই আতঙ্কে থাকায় নির্বাচনী এলাকায় যেতে পারছেন না। অনেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে ব্যক্তিগত ও প্রচারণায় নিরাপত্তা চেয়ে লিখিত আবেদনও করেছেন। জানা গেছে, ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে সাতটিতে মহাজোটের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। বাকি ১৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও কোনো প্রার্থীকেই প্রকাশ্যে প্রচারণা চালাতে দেখা যাচ্ছে না। একই অবস্থা সারাদেশেও। প্রধান বিরোধী জোট নির্বাচন বর্জন করায় নির্বাচনের প্রতি জনসাধারণের কোনো আগ্রহ নেই বললেই চলে। সূত্র জানায়, কেবল প্রার্থীরাই নয় নির্বাচনের কাজে অংশ নেয়া কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা নিয়েও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। স্বরাষ্ট্রম ন্ত্রণালয়ের উপ সচিব কামরুল হাসান এই উদ্বেগের কথা জানিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ইসির কাছে চিঠি দিয়েছেন। অন্যদিকে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আসতে শুরু করেছে ইসিতে। অনেক প্রার্র্থী সরাসরি ইসিতে এসেও এ বিষয়ে অভিযোগ করছেন। এছাড়াও চলমান সহিংসতায় মাঠ পর্যায়ে পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার সংগঠন ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ (ইডব্লিউজি) মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সঙ্গে দেখা করে এ সংশয়ের কথা জানান। ইসি সূত্র জানান, নিরাপত্তা চেয়ে প্রথম ইসিতে চিঠি দেন তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি চিঠি দিলেও তার কুষ্টিয়ার গোলাপনগরের বাড়ি ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে রক্ষা পায়নি। এরপর তথ্যমন্ত্রী ইসিতে এসে নির্বাচন কমিশনার আব্দুল মোবারকের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। ওই দিনই ইনুর ঢাকা এবং কুষ্টিয়ার বাড়িতে যথাযথ নিরাপত্তা দিতে স্বরাষ্ট্র সচিব, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারকে চিঠি দেয় ইসি। সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের কুষ্টিয়া-১ এর সংসদ সদস্য প্রার্থী আফাজ উদ্দীন ব্যক্তিগত এবং নির্বাচনী প্রচারণার নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি দিয়েছেন কমিশনে। একই জেলা কুষ্টিয়া-৪ আসনের সরকার দলীয় আরেক সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুর রউফও ব্যক্তিগত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে চিঠি দিয়েছেন ইসির কাছে। তিনি অতি সত্বর তার ব্যক্তিগত ও প্রচারণার নিরাপত্তা চেয়েছেন ইসিতে। বরগুনা-১ এর বিএনএফের প্রার্থী খলিলুর রহমান খান এবং পাবনার স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন। খলিলুর রহমান ইসিতে এ অভিযোগ তুলে চিঠি দিলেও আবু সাঈদ মঙ্গলবার সকালে নিজেই ইসিতে এসে অভিযোগ করেছেন। তিনি স্থানীয় বেড়া ও সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকুর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ করেন। উৎসঃ জাস্ট নিউজ Share on facebook Share on email Share on print 3

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন