শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪


মোবাইলে প্রলোভন অত:পর ৩ মাস ধর্ষণ February 2, 2014 | Filed under: অপরাধ | Posted by: নিউজ ডেস্ক/এমএ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ের প্রলোভনে ফেলে এক যুবতীকে ৩ মাস আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে কথিত স্বামী। পরে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগে কথিত স্বামী ও তার বন্ধুসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে, দিনাজপুর উপ-শহরে। দিনাজপুর কোতয়ালী থানার এসআই বিদ্যুৎ সাহা জানিয়েছেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ের প্রলোভনে ফেলে ৩ মাস আগে দিনাজপুর উপ-শহর ২নং ব্লকের বাবু মিয়ার পুত্র জয়নুদ্দিন জিৎ (২২) লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চরবাঘাতি গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে সাইমুন নাহার (১৯)কে দিনাজপুরে নিয়ে আসে। স্বামী-স্ত্রী’র পরিচয় বহন করে উপ-শহর ৭নং ব্লকের রানার বাসা ভাড়া দেয়। সেখানে তারা ৩ মাস ধরে বসবাস করছিল। শুক্রবার রাতে কথিত স্বামী জয়নুদ্দিন ৩/৪ জন খদ্দের এনে সাইমুন নাহারকে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করায়। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এসময় যুবতীর উপর শারীরিক নির্যাতন করে তারা । পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় সাইমুন নাহার কোতয়ালী থানায় এসে ঘটনার বিবরণ জানায়। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে কথিত স্বামী জয়নুদ্দিন জিৎ ও বাড়ীর মালিক রানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ধারায় সাইমুন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। শনিবার বিকেলে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে নির্যাতিত সাইমুনের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। পরে সাইমুনকে দিনাজপুর সদর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক ঘটনার বিবরণ শোনার পর তাকে নিরাপদ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় । গ্রেফতারকৃত জয়নুদ্দিন জিৎ ও রানাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আরো খবর:

ঝিনাইদহে মোবাইলে গণধর্ষনের ভিডিও চিত্র: গৃহবধুর আত্মহত্যা
February 16, 2014 | Filed under: চলতি খবর,ঢাকার বাইরে | Posted by: নিউজ ডেস্ক/মেহা hang+sucideআরিফুল আবেদীন টিটো ঝিনাইদহ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার পিরোজপুর বারোবাজার গ্রামের এক জননীকে সন্ত্রারীরা জোরপূর্বক গণধর্ষন করে ভিডিও চিত্র ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ায় লজ্জায় আর অপমানে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বিউটি খাতুন (২০) নামের এক গৃহবধু। পুলিশ ও এলাকাবাসি জানিয়েছে, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার পিরোজপুর বারোবাজার গ্রামের ভ্যান চালক শহিদুল ইসলামের কন্যা বিউটি খাতুনের সাথে ২০১০ সালে একই উপজেলার আমবাগান গ্রামের মোহাম্মদ আলী পুত্র মিঠু মিয়ার সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের ঘরে হৃদয় মিয়া নামের এ্কটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। সংসার করার এক পর্যায়ে দেড় বছর আগে বিউটিকে সন্তানসহ তালাক দেয় মিঠু মিয়া। এরপর থেকে বিউটি তার পিতার বাড়িতে বসবাস করতে থাকে। গত মাসখানেক আগে মিঠু মোবাইল ফোনে বিউকে আবারও বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলে। মৃত বিউটির বড় ভাই মোঃ মিঠুন ইসলাম জানান, গত দিন দশেক আগে বিউটির সাবেক স্বামী মিঠু মিয়া বিউটিকে আত্মীয় বাড়ীতে বেড়াতে যাবার নাম করে কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা গ্রামে নিয়ে যায়। পরে একই গ্রামের বারোভূঁইয়া মাঠে নিয়ে বিউটির আড়াই বছরের শিশু পুত্র হৃদয়ের গলায় ছুরি ধরে সাবেক স্বামী মিঠু মিয়াসহ ৬জন সন্ত্রাসী তাকে পালাক্রমে ধর্ষন করে মোবাইলে ভিডিও চিত্র ধারন করে ইন্টারনেটে ধর্ষনের চিত্র ছড়িয়ে দেয়। পরে এই কথা বিউটি জানতে পেরে ক্ষোভ আর অপমানের জ্বালা সইতে না পেরে ১৪ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার রাতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ পিরোজপুর বারোবাজার গ্রামে গিয়ে বিউটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেখ মুজিবর রহমান জানান, ঘটনার পর থেকে বিউটির সাবেক স্বামী মিঠু মিয়াসহ অন্যান্য আসামীরা পালাতক রয়েছে। এই আত্মহত্যার ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় নারী নির্যাতন আইনের ৯(ক)/৩০ ধারায় একটি মামলা হয়েছ্।ে মামলা নং-৯, তারিখ ১৫/০২/২০১৪। তিনি জানান, ইন্টারনেট ও বিভিন্ন মোবাইলে ধর্ষনের চিত্র ধারণকারী ধর্ষকদের আটক করার জন্য পুলিশ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডটকম/১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪/০৯.২৮/মেহেদী হাসান - See more at: http://www.newsevent24.com/2014/02/16/%e0%a6%9d%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a6%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a8/#sthash.TxsQhXOG.dpuf

লোকলজ্জায় এলাকা ছাড়ল পরিবার- স্কুলছাত্রীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও February 3, 2014 | Filed under: অপরাধ | Posted by: নিউজ ডেস্ক/এমএ এক শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ভিডিওচিত্র। উঠতি বয়সের তরুণরা তা নিজে দেখছে পাশাপাশি ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েব পোর্টালে ছড়িয়ে দিচ্ছে। সম্পর্কের সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বখাটে প্রেমিকের ধারণ করা এই অশ্লীল ভিডিও গ্রামের এক স্টুডিও ব্যবসায়ীকে সরবরাহ করলে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে এই অশ্লীল ভিডিও গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ায় লোকলজ্জার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে ওই স্কুলছাত্রীর পরিবার। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। নিপীড়িত ওই ছাত্রী নরসিংদীর মনোহরদীর খিদিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এলাকার জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করলে গত শনিবার রাতে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- নিপীড়িত ছাত্রীর কথিত প্রেমিক রোমান মিয়া (১৫), খিদিরপুর বাজারের এসআর ডিজিটাল স্টুডিওর মালিক সোহাগ মিয়া (১৬) ও অপারেটর সুজন মিয়া (১৫)। আটককৃতরা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অশ্লীল ভিডিওচিত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খিদিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রীর সঙ্গে মনোহরদী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র রোমান মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রোমান মিয়া স্থানীয় চর আহাম্মদপুর গ্রামের খোকা মিয়ার ছেলে। সম্প্রতি স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিওচিত্র হাটবাজারসহ গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের হাতে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি খিদিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নজরে এলে তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন। পরে চেয়ারম্যান থানা পুলিশকে জানালে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে গত শনিবার রাতে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। অশ্লীল ভিডিও গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ায় লোকলজ্জার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে ওই স্কুলছাত্রীর পরিবার। গতকাল দুপুরে চর আহাম্মদপুরে নিপীড়িত ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা জানায়, প্রেমের সম্পর্কের সুযোগে বখাটে রোমান মিয়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গোপনে তাঁর ভিডিও ধারণ করে। সমপ্রতি তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হলে তা এক স্টুডিও ব্যবসায়ীর মাধ্যমে এলাকার উঠতি বয়সের তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। খিদিরপুর স্কুলের প্রধান শিক্ষক রতন কুমার দাশ বলেন, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা রকম কথা ছড়াচ্ছে। পরে প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়। পুলিশের হাতে আটককৃত প্রেমিক রোমান মিয়া দাবি করে বলে, ‘দুই বছর ধরে তার সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। আমি তাকে বিয়েও করব। সে যেন আমাকে ছেড়ে চলে না যায় সেই উদ্দেশ্যে অন্তরঙ্গ কিছু মুহূর্তের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে বন্ধু সুজনের কম্পিউটারে রেখেছিলাম। কিন্তু সেই বিশ্বাসঘাতক বন্ধু কী কারণে ভিডিও ক্লিপটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছে তা আমার জানা নেই।’ মনোহরদীর রামপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুর রাজ্জাক জানান, বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর, তাই অতি গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে স্টুডিও মালিক সোহাগ মিয়া ও অপারেটর সুজন ভিডিওচিত্রটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়াসহ গ্রামের যুবক শ্রেণীর ছেলেদের কাছে বিক্রি করেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এদিকে মনোহরদী থানায় গতকাল সন্ধ্যায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। - See more at: http://www.newsevent24.com/2014/02/03/%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf/#sthash.xxokh3CX.dpuf

রাজধানীতে ৩ তরুণীকে ধর্ষণের পর নগ্ন ভিডিও ধারণ!
February 16, 2014 | Filed under: অপরাধ,রাজধানী | Posted by: নিউজ ডেস্ক/মেহা rapeeনিউজ ইভেন্ট ২৪ ডটকম ঢাকা রাজধানীর ভাষানটেক এলাকায় তিন তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণের পর নগ্ন ভিডিওচিত্র ধারণ করেছে লম্পটরা। নির্যাতিতদের মধ্যে দুই তরুণী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন আছে। তাদের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে বাদল, বাপ্পী ও কুদ্দুস নামের তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাষানটেক এক নম্বর বস্তির ত্রাস পুলিশের খাতায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী মামুন হোসেন। তার বাবার নাম ইসহাক। মামুনের নেতৃত্বে এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ অবৈধ সব কর্মকাণ্ডই চলে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদক ব্যবসা পরিচালনার জন্য বস্তিতে রয়েছে ২০ জনের একটি গ্রুপ। নির্যাতিত তিন তরুণীর একজনের খালাতো ভাই সোবেল। সোবেলও মামুনের নির্দেশে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়ায়। সম্প্রতি একটি চুরির মালামাল সে মামুনকে বুঝিয়ে না দেওয়ায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি মামুনের নেতৃত্বে পাঁচ থেকে সাতজনের একটি দল ওই তিন তরুণীকে তাদের ঘর থেকে তুলে নিয়ে। ওই বস্তিরই একটি ঘরে তাদের নগ্ন করে ভিডিও ধারণ করা হয়। ওই অবস্থায়ই ডেকে নিয়ে আসা হয় নির্যাতিতদের বাবা-মাকে। একপর্যায়ে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে ক্রিকেটের স্ট্যাম্প দিয়ে অনবরত আঘাত করে থাকে দুর্বৃত্তরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি প্রতিবেদককে বলেন, নির্যাতিতদের গগণবিদারী চিৎকার শোনার পরও কেউ মামুনের ভয়ে এগিয়ে যাওয়ার সাহস পায়নি। নির্যাতিতরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাদের হাসপাতালে যেতে দেয়নি দুর্বৃত্তরা। পরে গতকাল খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। মামলা হয় থানায়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাষানটেক থানার উপ-পরিদর্শক রেজাউল করিম জানান, মামুন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। পুলিশ বিষয়টি অবহিত হওয়ার পরই সে এলাকা ছাড়া। মাত্র দুই মাস আগে সে কারাগার থেকে জামিনে বের হয়ে এসেছে। নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডটকম/১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪/২২.২৭/মেহেদী হাসান আরো খবর: - See more at: http://www.newsevent24.com/2014/02/16/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a7%a9-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7/#sthash.L8gdlmTp.dpuf

এক যুগ ধরে কোমায় ধর্ষিতা তরুণী
February 22, 2014 | Filed under: প্রতিবেশী | Posted by: নিউজ ডেস্ক/মেহা rape-indiaপ্রতিবেশী ডেস্ক নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডটকম ফ্যালফ্যাল করে কতক্ষণ তাকিয়ে থাকা যায়! এক মিনিট, দু’মিনিট? বাগুইআটির এক ধর্ষিতা তরুণী তাকিয়ে আছেন বারো বছর৷ ধর্ষণের পর সিলিং ফ্যানের পাখায় দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়েছিলেন৷ কিন্তু বেঁচে যান৷ মরেও যান বোধহয়৷ কোমা থেকে বেরিয়ে বলতে পারেননি, ‘আমি ধর্ষকের শাস্তি চাই৷’ বলতে পারেননি৷ কিন্ত্ত বলেন যেন রোজই৷ তরুণীর বাবা-মায়ের কথায়, ‘ওর চোখের দিকে তাকালেই বুঝতে পারি, ও যেন বলতে চাইছে, শাস্তি চাই, শাস্তি চাই৷ কিন্ত্ত বলতে পারে না৷ চোখে এসে ঠেলা মারে কত না-বলা কথা৷ ও কি কোনওদিন কথা বলবে! কোনওদিন?’ জানালা দিয়ে বয়ে যায় মাঘের হাওয়া৷ যার শাস্তি চান, সে ঘুরে বেড়াচ্ছে দিব্যি৷ ধর্ষিতা গৃহবন্দি৷ অথচ অভিযুক্ত আশমানের পাখি৷ গ্রেপ্তার হওয়ার দু’দিন পরেই সে জামিন পায়৷ তরুণীর বাবা গ্রহরত্ন বিক্রি করেন, মা শেখান গান৷ যা আয় হয়, তাতে কোর্ট-কাছারির খরচ ওঠে না৷ চিকিত্‍সার খরচও দেদার৷ লাখ তিনেক টাকা পেলে স্টেম সেল থেরাপি করে চেষ্টা করা যেত৷ কিন্তু অত টাকা পাবেন কোথায়? তরুণী তাই ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন৷ মুম্বাইয়ের হাসপাতালে ৪১ বছর ধরে কোমায় অরুণা শানবাগ৷ তিনিও ছিলেন লালসার শিকার৷ অরুণার পরিজনেরা স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন করেছিলেন৷ কিন্তু বাগুইআটির পশ্চিম নারায়ণতলার বাসিন্দারা তা চান না৷ সকলেই চান, বছর তেত্রিশের তরুণী সেরে উঠুন৷ তরুণীর বাবা বলেন, ‘বারো বছর হয়েছে৷ দরকার হলে জীবনভর লড়ব৷ রাজ্য সরকারের কাছে সাহায্য চেয়েছিলাম৷ পাইনি৷ রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছি৷ তিনি নিশ্চয় আমাদের ব্যথা বুঝবেন৷’ মেয়ের চিকিত্‍সার খরচ জোগাতে গিয়ে নিজের ব্যবসা লাটে উঠেছে৷ এখন অন্যের হয়ে গ্রহরত্ন বিক্রি করেন৷ ২০০২ সালের ৭ জুলাই৷ তরুণী তখন কলেজ ছাত্রী৷ ওইদিন দুপুরে তাঁর মা একটি গানের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য স্বামীর সঙ্গে কলকাতায় প্রিন্সেপ ঘাটে আসেন৷ কিন্ত্ত তাল কেটে যায় হঠাত্‍৷ বাড়ি থেকে ফোন, মেয়ে ঝুলে পড়েছে৷ দু’জনেই বাড়ি ফিরে দেখেন, বাগুইআটি থানার পুলিশ মেয়েকে নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এনআরএস হাসপাতালে৷ সেখান থেকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়ার পথেই ওই তরুণী কার্যত কোমায় চলে যান৷ পরে মেডিকেল টেস্টে জানা যায়, তিনি ধর্ষিতা৷ প্রতিবেশীরা দেখেছিলেন, তরুণীর সহপাঠী দেবজিত্‍ চৌধুরী তখন ঘরে হাজির৷ পুলিশ ঘর থেকে বেশ কিছু চিঠি উদ্ধার করে৷ তাতে নাকি জানা যায়, দু’জনের ‘ঘনিষ্ঠ’ সম্পর্ক ছিল৷ মেয়েটিকে দেওয়া ছেলেটির বেশ কিছু হুমকি চিঠিও মেলে৷ মেয়েটির পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ধর্ষণের মামলা রুজু করে৷ দেবজিত্‍‌কে গ্রেফতার করা হয়৷ কিন্তু মাত্র দু’দিন৷ জামিন পেয়ে যায় দেবজিত্‍৷ তার আইনজীবী আদালতে জানান, ওদের রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হয়েছিল৷ খুচরো ঝগড়ার জেরেই আত্মহত্যার এই চেষ্টা৷ তরুণীর বাবা অবাক৷ তাঁর কথায়, ‘বিয়ে হয়েছে? অথচ আমরাই জানি না! শুধু চিঠি দেখে কী ভাবে প্রমাণ হল, ওদের বিয়ে হয়েছিল? মামলাটি আর আদালতে ওঠেনি৷ কিছুদিন আগে মামলাটি সম্পর্কে জানতে চেয়ে আদালতে চিঠি দিই৷ কিন্তু আমাদের জানানো হয়, ফাইলই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷’ শুক্রবার রাজা রাজেন্দ্রলাল মিত্র রোডে গিয়ে অবশ্য দেবজিতের খোঁজ মেলেনি৷ তরুণীর বাবা আর পেরে উঠছেন না৷ মাসে ছ-সাত হাজার টাকার ওষুধ৷ কোথায় মিলবে টাকা?’ কিছুদিন আগে তিনি জানতে পারেন, ধর্ষিতাদের ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার৷ মহাকরণে গিয়ে নারী কল্যাণমন্ত্রী সাবিত্রী মিত্রের দেখা করেন৷ পরে শশী পাঁজার সঙ্গেও কথা হয়৷ কিন্তু শুধুই প্রতিশ্রুতি৷ আর কিছু জোটেনি৷ নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডটকম/২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪/১৮.০০/মেহেদী হাসান - See more at: http://www.newsevent24.com/2014/02/22/%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%97-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%a4/#sthash.pRdMEThJ.dpuf

শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা ব্যর্থ হতে পারে
22 Feb, 2014 সাম্প্রতিক সময়ে আল-কায়েদার পাঠানো অডিও বার্তা নিয়ে অনেকটা ভ্যাবাচ্যাকা অবস্থায় পড়েছে বাংলাদেশ সরকার ও প্রশাসন। আল-কায়েদার বার্তাটি নিয়ে নানা মহলে চলছে নানা রকম বিশ্লেষণ, আলোচনা, সমালোচনা, ভয়-ভীতি আশঙ্কা। বার্তাটি কে প্রচার করেছে বা কোথা থেকে প্রচার করেছে এই নিয়ে প্রশাসন অনেকটা অন্ধকারে রয়েছে। আবার সরকারের অনেক মন্ত্রী বিরোধী দলকে এই ধরনের ঘৃণ্য কাজের জন্য দোষারোপ করছেন। তবে কোন ধরনের বিশ্লেষণের পূর্বে আল-কায়েদা সম্পর্কে কিছু জিনিস আমাদের জানা দরকার। আল-কায়েদা সৃষ্টির সময়ে যে প্রভাব-প্রতিপত্তি ছিল তা বর্তমানে নেই। বিশেষ করে সংস্থাটির প্রধান বিন লাদেন যুক্তরাষ্ট্রের কমাণ্ডো বাহিনীর হাতে নিহত হওয়ার পরে তাদের কার্যক্রম অনেকটা স্থবির হয়ে যায়। লাদেন নিহত হওয়ার পরে আল-কায়েদার হাল ধরেন মিসরীয় আধ্যাত্মিক নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরি। সংস্থাটির এক সময়ে মূখ্য উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম বিরোধী পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো বিশেষ করে আমেরিকার বিরুদ্ধে কথিত জিহাদ করা। ফলশ্রুতিতে ২০০১ সালে টুইনটাওয়ারে হামলার মত ঘটনা ঘটে। এরপর আল-কায়েদাকে নিশ্চিহ্ন করার নামে আফগানি¯ত্মানে হামলা চালায় আমেরিকা নিয়ন্ত্রিত ন্যাটো বাহিনী। আফগানি¯ত্মানে এখনও লাদেন-তালেবান বিরোধী যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে পশ্চিমা বাহিনী। তবে পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে জিহাদ, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, ইসলামী শাসন কায়েম করার নামে অনেকটা মানবতা বিরোধী অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে আল-কায়েদা। আফগানি¯ত্মানে বিভিন্ন সময়ে দেখা গেছে আল-কায়েদার সদস্যরা সেখানকার নারীদের ওপর বিভিন্ন উপায়ে নির্যাতন করেছে এবং এখনও করছে। আল-কায়েদার অনুসারী তালেবানরা নারী শিক্ষার বিরুদ্ধে, নারীদের অধিকাররে বিপক্ষে। এমনকি আফিগান সরকারের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অভিযোগ এনেও বিভিন্ন সময়ে মরণঘাতী সব আক্রমণ করেছে এই বাহিনীর সদস্যরা। মধ্যপ্রাচ্যে সুবিধা করতে না পেরে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে এখন সচল ভূমিকা পালন করছে আল-কায়েদা। বিশেষ করে নাইজেরিয়া, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, চাঁদ’এর মত বিভিন্ন দেশে সংস্থাটির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এবার বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আসা যাক। ৫ জানুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে ক্ষমতাগ্রহণ করে আওয়ামী লীগ। ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ নেত্রী যে কোন ধরনের জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসী কর্মকা-ের বিরুদ্ধে তার সরকারের শক্ত অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি কর্মীদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেন দলটির প্রধান। যার ফলে দেশ দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে গেল। ক্ষমতাসীনের এমন কঠোর ও সংকীর্ণ মানসিকতার কারণে যে দেশের সাধারণ মানুষের ক্ষতি হতে পারে, তাদের সমস্যা হতে পারে সে বিষয়ে সরকারের কোন মাথা ব্যথা নেই। তাদের কাছে এখন মূল বিষয় হল যেভাবেই হোক ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা। সাধারণ মানুষের দুঃখ, দুর্দশা দেখার সময় নেই ক্ষমতাসীনদের। ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে সরকার অনেকটা অন্ধ হয়ে গেল। ফলে দেশে অন্যায়, অবিচার, গুপ্ত হত্যা, বিচারবহির্ভূত হত্যা, দুর্নীতি নদীর স্রোতের ধারার মত বেড়ে গেল। সরকার এই বিষয়গুলো নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজি নয়। ভাবটা এমন যা হচ্ছে তা দেশের ভালোর জন্য হচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশি মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ এর তথ্য মতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের পর সারা দেশে আশঙ্কাজনকভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-ের ঘটনা বেড়ে যায়। বিশেষ করে সন্ত্রাস দমনের নামে যৌথবাহিনীর হাতে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের নির্বিচারে হত্যার বিষয়টি মিডিয়াসহ, সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। ‘অধিকার’ এর তথ্য মতে ৫ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যšত্ম যৌথবাহিনীর অভিযানে ১১ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী নিহত হন। এর মধ্যে ৩ জন বিএনপি, ৭ জন জামায়াত ও ১ জন চিহ্নিত অপরাধী ছিলেন। এছাড়া জানুয়ারি মাসে ৩৯ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-ের শিকার হন। যার মধ্যে ১১ জন বিএনপি নেতা-কর্মী, ১৫ জন জামায়াত নেতা-কর্মী, ১ জন জাতীয় গণতান্ত্রীক পার্টি, ১ জন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি ও বাকি ১০ জন ‘অপরাধী চক্রের’ সদস্য ছিলেন। সরকার যদি এই ধরনের বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-, অন্যায়, অবিচারের সঠিক বিচার না করে, যদি এই ধরনের কার্যক্রমকে তাদের কাজের অংশ হিসাবে বিবেচনা করে তবে তা হবে ক্ষমতাসীনের চরম বোকামি। ঘটনার চরম শিকরে উঠে সরকার বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা শাšত্ম করার চেষ্টা করছে। মনে হচ্ছে পুরাতন ঘাঁয়ে মলম দেওয়ার চেষ্টা করছে। দেশে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক ঝামেলার কারণে বিদেশি রাষ্ট্রের মাথা ঘামানো নিয়ে বেশ কড়া সমালোচনা করেছেন। সরকারের অনেক দায়িত্বশীল মন্ত্রী বিদেশি হ¯ত্মক্ষেপের বিষয়ে অনেক কড়া কথায় সমালোচনা করেছেন। আবার বিপরীতে দেখা গেছে রাজনৈতিক সমঝোতার বিষয়ে, ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার প্রশ্নে আবার বিদেশি বন্ধুদের সাথে আঁতাত করেছেন। অনেকটা গায়ে কাঁদা না লাগিয়ে মাছ ধরার মত অবস্থা। অনেক রাজনৈতিক ভিআইপিরা বিদেশি বন্ধুদের সাহায্যে নিজেদের পছন্দমত লোকদের বিদেশ পাঠিয়ে দিতে সাহায্য করছেন, বিভিন্ন মিশনে তাদের লোকদের নিয়োগ ব্যাপারে বিদেশি সাহায্য নিচ্ছেন। বিষয়টি অনেক লজ্জার ও শরমের। কিšত্ম বাঙ্গালীর আবার শরম একটু কম। শরম করলেতো গরম ভাত পাওয়া যাবে না। তাই নিজের স্বার্থ উদ্ধার করতে হলে কিসের শরম আর কিসের লজ্জা। যাই হোক পরিশেষে বলা দরকার বাংলাদেশে আল-কায়েদা নিয়ে যে সংকট, ভীতি, সংশয় তৈরি হয়েছে তা নিয়ে প্রথমে একটি সমাধান করা দরকার। দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের উচিত ভিডিওবার্তাটি নিয়ে যাচাই বাছাই করে সঠিক তথ্য সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা। আর সত্যিই যদি এই ধরনের কোন সংশয় থেকে থাকে তবে সরকারের উচিত যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া। বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে সময়োপযোগি, কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা। নাকি এটি নিয়ে কোন গেম খেলা। যেহেতু ভূগৌলিকভাবে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশর বেশ গুরুত্ব রয়েছে তাই অচিরেই বিষয়টি রফাদফা করা দরকার সরকারের। না হলে আবার নতুন করে কাউন্টার টেরিরিজমের নামে, সন্ত্রাসী দমনের নামে এই অঞ্চলে যদি পশ্চিমা কোন রাষ্ট্র আগ্রাসন চালায় তবে কারই ভাল হবে না। সরকারের উচিত অচিরেই এই ধরনের হুমকিমূলক কর্মকা- বন্ধের জন্য দ্রুত কাজ করা। সময় থাকতে সমস্যার সমাধাণ করা, নাহলে আবার দেরি হয়ে যাবে। তখন কোন কিছু করেই কোন সরকার ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করতে পারবেনা। কারণ মানব সভ্যতার ইতিহাসে দেখা গেছে কোন জাতি, গোষ্ঠি, ব্যক্তি চিরদিন ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি এবং যারা জোর করে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে চেয়েছেন তাদের পরিনতি কত ভয়ংকর হয়েছে। সাপ্তাহিক হলিডে থেকে অনুবাদ করেছেন জুলকারনাইন জ্যাকি। উৎসঃ আমাদের সময় Share on facebook Share on email Share on print

গণধর্ষণের প্রতিবাদকারীদের ওপর হামলা, আহত ৫
22 Feb, 2014 রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী এলাকায় ভটভটিযাত্রী এক নারীকে গণধর্ষণের প্রতিবাদকারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ধর্ষণকারীদের লোকজন। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আড়ানী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হামলার এ ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে, বাঘার রামচন্দ্রপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক, বাসুদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহবুবুর রহমান ও স্থানীয় নিমপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ওবাইদুর রহমান শিমুলকে চারঘাট থানা স্বাস্থ্যকেন্দে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসিত কুমার কুণ্ডু জানান, হামলাকারীদের আটকের চেষ্টা চলছে। এছাড়া আহতদের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি। আহতদের বরাত দিয়ে ওসি জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে বাঘার আড়ানি এলাকায় শ্যালোইঞ্জিন চালিত ভটভটির এক নারীযাত্রীকে গণধর্ষণের প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয়। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ধর্ষণকারীদের লোকজন শনিবার সকালে তাদের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। উৎসঃ শীর্ষ নিউজ Share on facebook Share on email Share on print