বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০১৪


প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনের পার্কিংয়ে গণধর্ষণ June 21, 2014 by নিউজ ডেস্ক/এমএ in প্রতিবেশী with 0 Comments প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থিত অশোকা হোটেলের পার্কিংয়ে এক যুবতীকে গণধর্ষণের মামলা সামনে এসেছে৷ অভিযুক্তেরা যুবতীকে গণধর্ষণের পর তাকে হুমকিও দেয় যাতে সে কাউকে কিছু না জানায়৷ একজন অভিযুক্ত যুবতীর মুখ বন্ধ রাখতে তাকে চাকরীর টোপও দেয়৷ যদিও যুবতী এই মামলার অভিযোগ চাণক্যপুরি থানায় করলে পুলিশ গণধর্ষণের মামলা দায়ের করে৷ শুক্রবার যুবতী আদালতে সিআরপিসি’র ধারা ১৬৪ ধারায় বয়ান দেয়৷ নয়া দিল্লি জেলার বরিষ্ট পুলিশ আধিকারিক গণধর্ষণ ও ১৬৪ ধারায় বয়ানের কথা জানিয়েছেন৷ পুলিশ জানিয়েছে, ২২ বছর বয়সী ওই যুবতী গাজিয়াবাদের বাসিন্দা৷ যুবতী শুক্রবার চাণক্যপুরি থানায় তার অভিযোগে জানায়, সে গাজিয়াবাদের বাসিন্দা পাঞ্চাল ও তার বন্ধু মোনিলকে চিনত৷ অশোকা হেটেলের পার্কিং গাড়ি বসে তারা তাকে কোল্ডড্রিংক্স দেয়৷ কোল্ডডিংক্স খাওয়ার পর সে অজ্ঞান হয়ে যায়৷ জ্ঞান ফিরলে য়ে বুধতে পারে অভিযুক্তরা তাকে গণধর্ষণ করেছে৷ যুবতীর অভিযোগ ওই অভিযুক্তরাই তাকে ফের দিল্লি নিয়ে এসে আইএসবিটির পাশে গাড়িতে তাকে ধর্ষণ করে৷ এরপরেই তার মাথায় আত্মহত্যার কথা ঘুরপাক খেতে থাকে৷ যুবতী জানায় ঘটনার পর থেকেই সে ভয়ে ভয়ে থাকত৷ যুবতীর অভিযোগের ভিত্তিতে চাণক্যপুরি থানার পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইপিসি’র ৩৭৬ ও ৩২৮ ধারায় গণধর্ষণ ও নেশ দ্রব্য খাওয়ানোর মামলা দায়ের করেছে৷ নয়া দিল্লির জেলা পুলিশ আধিকারিকেরা জানিয়েছেন তারা এই মামলার তদন্ত করছেন৷ অভিযুক্তদের কোঁজ মিললেই তাদের গ্রেফতার করা হবে৷ আরো খবর: যুবতীকে অপহরণ করে ৫ মাস ধরে তান্ত্রিকের ধর্ষণ! ফেসবুক বান্ধবীকে গণধর্ষণ মুগদায় বাস থেকে নামিয়ে দুই শিশুকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৩ নববিবাহিতা ভাবিকে ধর্ষণ করল দেবর অশ্লীল ভিডিও প্রকাশের হুমকি দেখিয়ে এক বছর ধরে ধর্ষণ!

মডেল বানানোর নাম করে নাবালিকার নগ্ন ছবি! May 29, 2014 by নিউজ ডেস্ক/এসই in রকমারি with 2 Comments rape রকমারি ডেস্ক নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডট কম ইন্টারনেটের দুনিয়ায় বাচ্চারা তাড়াতাড়ি জনপ্রিয় হয়ে উঠতে চায়। আর এই জনপ্রিয়তার দৌড়ে অনেকেই না বুঝে নিজেকে নিয়ে যায় ভয়ঙ্কর বিপদের দিকে। সামাজিক কারণে মেয়েদেরকেই এই বিপদের মুখে পড়তে হয় সবচেয়ে বেশি। কারণ জনপ্রিয় করে দেওয়ার ফানুস দেখিয়ে ফায়দা তুলে নেন কিছু অসৎ ব্যক্তি। সারাজীবন তার ঘানি টানতে হয় ওই মেয়েকে। তেমনই এক ঘটনা ঘটেছে অস্ট্রেলিয়াতে। প্লেবয় ম্যাগাজিনের মডেল বানানোর নাম করে নাবালিকার নগ্ন ছবি তুললেন এক ব্যক্তি৷ মেয়েটি ওই ব্যক্তির প্রমিকার আত্মীয়। সে ওই মেয়েটিকে জানায়, প্লে বয় ম্যাগাজিনের মডেল হতে হলে তাকে এসব করতে হবে৷ এই ঘটনায় তাকে সঙ্গ দেয় তার প্রেমিকাই। প্রেমিক যুগল ক্রিস্টোফার ও লেস্লি একসঙ্গে থাকত৷ লেস্লির ১২ বছরের আত্মীয়া তাদের কাছেই থাকত। মেলবোর্ন পুলিশের কাছে খবর আসে এক প্রেমিক যুগল তাদের কাছে থাকা এক নাবালিকা মেয়ের দেখাশোনা ঠিকভাবে করছে না। পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত শুরু করলে বেরিয়ে আসে আরও ভয়ঙ্কর তথ্য। ক্রেস্টোফার ও লেস্লির ওই নাবালিকা আত্মীয়ার নগ্ন ছবি তোলে৷ লেস্লি জানায়, ওই মেয়েটি প্লেবয় ম্যাগাজিনের মডেল হতে চাইত বলেই ক্রিস্টোফার ওকে সাহায্য করেছে৷ পুলিশ তদন্ত করে দেখছেন সাহায্য করার নামে তারা তাকে অনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে। ক্রিস্টোফার নাবালিকাকে নগ্ন করে বিভিন্ন কামোত্তেজক ভঙ্গীতে দাড় করিয়ে ছবি তোলে। এমন ফটোশ্যুট প্রায় ছয় বার করা হয়েছে। পুলিশ তাদের ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করেছে। ল্যাপটপের হার্ডডিস্কে থাকা বিভিন্ন ভিডিও ও ছবি দিয়ে পুলিশ ওই প্রেমিক যুগলের বিরুদ্ধে শিশু পর্ণোগ্রাফি মামলা করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার সম্পর্কে তাদের প্রতিবেশীরা কিছুই জানতেন না। পুলিশ আসার পরই এই ঘটনা সবার সামনে চলে আসে। নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডট কম/২৯মে, ২০১৪/২২.১৭/সাই আরো খবর: মেয়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগে মা আটক! রাজশাহীতে আবাসিক হোটেল থেকে প্রেমিক যুগল আটক সঙ্গীতা বিজলানির কাজের মেয়েকে ধর্ষণ: গ্রেফতার শাহরুখের ড্রাইভার! শিলার রুম ডেটের ফাঁদ চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনের পার্কিংয়ে গণধর্ষণ - See more at: http://www.newsevent24.com/2014/05/29/gallery/various/134473#sthash.DbF1FERo.dpuf

৩ তরুণীকে ধর্ষণের পর নগ্ন ভিডিও ধারণ! রাজধানীর ভাষানটেক এলাকায় তিন তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণের পর নগ্ন ভিডিওচিত্র ধারণ করেছে লম্পটরা। নির্যাতিতদের মধ্যে দুই তরুণী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন আছে। তাদের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে বাদল, বাপ্পী ও কুদ্দুস নামের তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাষানটেক এক নম্বর বস্তির ত্রাস পুলিশের খাতায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী মামুন হোসেন। তার বাবার নাম ইসহাক। মামুনের নেতৃত্বে এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ অবৈধ সব কর্মকাণ্ডই চলে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদক ব্যবসা পরিচালনার জন্য বস্তিতে রয়েছে ২০ জনের একটি গ্রুপ। নির্যাতিত তিন তরুণীর একজনের খালাতো ভাই সোবেল। সোবেলও মামুনের নির্দেশে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়ায়। সম্প্রতি একটি চুরির মালামাল সে মামুনকে বুঝিয়ে না দেওয়ায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি মামুনের নেতৃত্বে পাঁচ থেকে সাতজনের একটি দল ওই তিন তরুণীকে তাদের ঘর থেকে তুলে নিয়ে। ওই বস্তিরই একটি ঘরে তাদের নগ্ন করে ভিডিও ধারণ করা হয়। ওই অবস্থায়ই ডেকে নিয়ে আসা হয় নির্যাতিতদের বাবা-মাকে। একপর্যায়ে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে ক্রিকেটের স্ট্যাম্প দিয়ে অনবরত আঘাত করে থাকে দুর্বৃত্তরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি প্রতিবেদককে বলেন, নির্যাতিতদের গগণবিদারী চিৎকার শোনার পরও কেউ মামুনের ভয়ে এগিয়ে যাওয়ার সাহস পায়নি। নির্যাতিতরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাদের হাসপাতালে যেতে দেয়নি দুর্বৃত্তরা। পরে গতকাল খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। মামলা হয় থানায়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাষানটেক থানার উপ-পরিদর্শক রেজাউল করিম জানান, মামুন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। পুলিশ বিষয়টি অবহিত হওয়ার পরই সে এলাকা ছাড়া। মাত্র দুই মাস আগে সে কারাগার থেকে জামিনে বের হয়ে এসেছে

ভোগের বস্তুতে পরিনিতি হয়েছে বর্তমানের মেয়েরা (দয়া করে mind খাইয়েন না) শিরোনাম টি দেখে অনেকের হয়তো মাথায় রক্ত ওঠে গেছে। রক্ত তো তাদের মাথায় ওঠবে যারা নারীদের কে ভোগের বস্তূ হিসাবে ব্যবহার করে। আজ কাল ইসলাম বিদ্বেষীরা বলে ইসলাম নাকি নারীদের কে ভোগের বস্তু বানিয়েছে? কিন্তু বাস্তব চিত্র কি তা আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরতেছি। আমি অনেক দিন যাবত অনুসন্ধান করতেছি। অনুসন্ধান করে যা পেয়েছি তা আমার কল্পনাতেও আসেনা। বর্তমানের মেয়েরা প্রেমের আড়ালে যে সব অপকর্ম করতেছে? তা এই দেশের পাগলা কুকুরদের কেও ছাড়িয়ে গেছে। প্রেমিকের কথা মতো নিজের দেহ কে বিলিয়ে দিচ্ছে। আবার এই সব নোংরামী ভিডিও করে উচ্চ মূল্যে বাজারে বিক্রয় করতেছে। সব চেয়ে অবাক বিষয় হল বর্তমানের মেয়েরা বিনা টাকায় নিজের দেহ কে অন্য কাউ কে ভোগ করতে দেয় না (প্রেমিক ছাড়া) । এই দেশের দেহ ব্যবসা মেয়েদের দেহের মূল্য আছে, কিন্তু তোমাদের দেহের এক আনার ও দাম নেই। মেয়েরা লাভ রিলোশন টিকিয়ে রাখতে নিজের দেহকে অন্যের কাছে বিলিয়ে দেয়। তাদের চেয়ে অধিক বোকা আর কে আছে যে নিজেই নিজে ধোঁকা দেয়? এর করুণ পরিনিতি কি গত ২/১২/১২ তারিখে দেখেছি। এক টি মেয়েকে প্রেমিক সহ ১৬ জন মিলে ধর্ষণ করেছে। অবশেষে ঢাকা ল্যাব এইড হাস্পাতালে মারা গেছে। ছেলের বাবা প্রভাবশালী হওয়াতে মেয়ের মা বাবা থানাতে গিয়ে মামলা ও করতে পারেনি। একটু চিন্তা করলেই বুঝা যায় আল্লাহ র ধরা কতো কঠিন । আজকের মেয়েরা বাজারের বিনা মূল্যের পন্য হয়ে গেছে। যা সারা জীবন ভোগ করলেও কো নো টাকা পয়সা লাগেনা? রাস্তা দিয়ে বেপর্দা ভাবে হেটে যা এমন কি বুকেতে ওড়নাও দেয়না এই নির্লজ্জ বেহায়ার দলে। বরং বুকের ওড়না গলাতে ঝুলিয়ে নিজের কমলা লেবুর সাইজ দেখাতে থাকে। আর এ দিকে রাস্তার হাজার হাজার যুবক ছেলেরা এদের রসে মাখা রূপ যৌবন ফ্রি ভাবে ভোগ করতে থাকে,এবং মজা লুটতে থাকে । আর বলতে থাকে কি সুন্দর মাল, যদি কাছে পাইতাম? কাচা গিল্লা খায়তাম। থাপ রিয়ে চাপা ফাটিয়ে দেওয়া দরকার এই সব বেজম্মা নারী বাদীদের। যারা সমান অধিকারের কথা বলে পুরুষের মাথার বুঝা নারীর ঘাড়ে চাইয়ে দেয়। এই সব নারীবাদীদের দেখলে চিনা যায় না সে কি গাই না কি বলদ? এই সব বেজম্মা নারীবাদীরা বলে নারীদের কে সমান অধিকার দিতে হবে? বলদিরা বলে কি? নারী কে যদি সমান অধিকার দিতে হয়? তা হলে পুরুষদের কে আগে দেয় না কেনো? কেনো সংসদে গিয়ে বলে না মাননীয় স্পিকার, বর্তমানে ইভটিজিংক সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাই আজ থেকে আইন করা হোক রসের কমলা এখন থেকে ছেলেদের বুকে থাকবে। যাতে তারা নিজেরাই নিজেদের পিছনে ঘুরে। সন্তান জম্ম দিতে গিয়ে কত মায়ের মৃত্য? তার কোনও সঠিক হিসাব নাই। এই দেশের বেজম্মা নারীবাদীরা যদি নারীদের কে সমান অধিকার দিতে চায়? তাহলে তারা কেনো সংসদে গিয়ে বলে না মাননীয় স্পিকার, সন্তান জম্ম দেওয়া কষ্টের কাজ, সন্তান জম্ম দিতে গিয়ে হাজারো মায়ের মৃত্য হয়। তাই আজ থেকে আইন করা হোক এখন থেকে সন্তান গর্ভ ধারণ ও সন্তান জম্ম দিবে পুরুষেরা। এতো তারা আমাদের কে পাপ দিতো? এখন থেকে আমরাও দিবো। আমার এই সামান্য কথা গুলি যদি এইদেশের কুখ্যাত বেজম্মা নারী বাদীরা বাস্তবায়ন না করতে পারে তা হলে নারীকে সমান অধিকার কি ভাবে দিবে? আমার বুঝে আসেনা? আপনার আসে কি? তা হলে নারী কে অধিকার কারা দিয়েছে আমরা জানতে চাই? সম্পদে ইসলাম নারী কে চার আনা দিয়েছে? কিন্তু অন্য ধর্মতে নারী কে এক আনাও দেয় নাই? সেটা নিয়ে কারো মাথা ব্যাথা নেই? যত মাথার ব্যাথার কারন আছে সেটা ইসলাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারন ইসলাম নারী কে রানীর মর্যাদা দিয়েছে। ভোগের বস্তু করে নাই? যার কারনে তারা ইসলাম কে সহ্য করতে পারেনা। এই দেশের ক্ষমতায় বসে আছে নারীরাই। এরপর ও যারা বলে এই দেশে নারীর ক্ষমতা, অধিকার নেই? তাদের কাছে আমার প্রশ্ন বর্তমানে যারা ক্ষমতায় বসে আছে তারা কি হিজড়া? আজ বাংলাদেশের বেজম্মা নারী বাদীদের মুখের কথাই যে সব মেয়েরা পর্দা হীন ভাবে চলাফেরা করতেছে ? তা কোথায় গিয়ে ঠেকে আল্লাহ ভালো জানেন। দিন যত বাড়তেছে পর্দা হীন মেয়েদের সংখ্যা তত বাড়তেছে। পর্দা হীন মেয়েদের সংখ্যা যত বাড়বে? মেয়েদের কপালে দুর্গতি তত বাড়বে,কমবেনা। বর্তমানের মেয়েরা যে ভাবে ফ্রি সেক্স শুরু করেছে? এই অবস্তা চলতে থাকলে এই দেশের পোলাপানরা বিয়ে করবে না। যেমন এক যুবক আরেক যুবক কে জিজ্ঞেস করে হে যুবক তুমি বিয়ে করো না কেনো? তখন যুবক উত্তর দেয় দুধ যদি সস্তায় পাওয়া যায়? গাই পালবে কে? ঠিক তেমনি ভাবে বিয়ের আগে নারী দের কাছে থেকে যদি সব কিছু পাওয়া যায়? তা হলে বিয়ে করবে কে? এবার আপনারা বলুন নারী দের কে ভোগের বস্তু ইসলাম বানিয়েছে না তথা কথিত নারী বাদীরা বানিয়েছে? প্রশ্ন টি আপনাদের কাছে রইয়ে গেলো। যদি পারেন উত্তর দিয়ে যাবেন। যাবার আগে কয়েক টি কথা বলে যেতে চাই, উপরে আল্লাহ এক জন আছেন? তিনি সকলের সব কিছু দেখতেছেন। যখন আল্লাহ ধরবেন ? আল্লাহ ধরা কত কঠিন তা হাড়ে হাড়ে টের পাবেন. ‪#‎mk_ahmad‬

বাবার নির্মম মৃত্যুতে বুঝলাম র‌্যাব পুলিশের ক্রসফায়ারের গল্প কি সাখাওয়াত হোসেন : মানুষের জীবনের যে কোন মূল্য নেই এটি আগে কখনো বুঝি নাই। আমার বাবা বাঁচার জন্য কত চেষ্টাই না করেছিলেন। ৭ তলার পাইপ বেয়ে নামতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে টিন শেডের ওপরে পড়েন। সেখানেও তাকে নির্দয়ভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। এতদিন টেলিভিশন আর খবরের কাগজে পড়েছি ক্রসফায়ারের গল্প। বাবার নির্মম মৃত্যুর পর বুঝলাম র‌্যাব-পুলিশ যে ক্রসফায়ারের কথা বলে তা আসলে কি। জীবনের এমন মর্মান্তিক ঘটনার পরও আমি আমার পরীক্ষা দিতে গেছি। কী লিখেছি, জানি না। হাত চলতে চায়নি পরীক্ষার হলে। র‌্যাবের কথিত ক্রসফায়ারে নিহত রাজধানীর আলমবাগের বাসিন্দা সংগ্রাম চৌধুরীর বড় মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী নূসরাত জাহান শান্তা চৌধুরী গতকাল বুধবার নিজ বাসায় এভাবেই নিজের কষ্টের কথা প্রকাশ করেন। গতকাল বুধবার ভোরে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির এক নেতা নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম মেকুর কাশেম (৩৫)। নিহত ওয়াসিমের স্ত্রী সোনিয়া বেগম সাংবাদিকদের বলেন, তার স্বামীকে বাথরুম থেকে ধরে নিয়ে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। কিসের ‘বন্দুকযুদ্ধ’ ধরে নিয়ে র‌্যাব হত্যা করেছে দু’জনকেই। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-ের শিকার হন ১৯৭৩ জন। এসব ঘটনা ঘটেছে কথিত ক্রসফায়ার কিংবা বন্দুকযুদ্ধের নামে। এসব ঘটনার কালিমা লেগেছে র‌্যাব ও পুলিশ বাহিনীর গায়ে। কিন্তু কোন সরকারের পক্ষ থেকেই কথিত ক্রসফায়ার কিংবা বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ নিহতদের পরিবারের সদস্যদের। গত ৩ মার্চ সোমবার জুরাইনের আলমবাগের ওয়াসিমের বাড়িতে র‌্যাবের কথিত ক্রসফায়ারে ওয়াসিম ও তার কর্মচারী সংগ্রাম চৌধুরী মারা যায়। সাম্প্রতিক সময়ে বন্দুকযুদ্ধে নিহতদের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে আখ্যায়িত করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, এই ধরনের হত্যাকা- সব সময়েই আইন ও গণতন্ত্রের বিপক্ষে বলে এগুলো কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের অবশ্যই মৃত্যুদ- দেয়া উচিত। তাহলেই বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-ের এই প্রবণতা বন্ধ করা যাবে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, দেশে কোনো ক্রসফায়ার হয় না। যা হয়, তা বন্দুকযুদ্ধ। গতকাল বুধবার সরেজমিন রাজধানীর জুরাইন আলমবাগ ঘুরে ও নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কথিত ক্রসফায়ারে নিহত ওয়াসিম ও সংগ্রামের পরিবারে কান্না থামছে না। তাদের মৃত্যু নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে রহস্য। নিহতদের পরিবার ও র‌্যাবের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। র‌্যাবের পক্ষ থেকে যে অপহরণের কথা বলা হয়েছে তা নিয়ে ওই এলাকায়ই রয়েছে নানা আলোচনা। যে আখতারকে অপহরণের কথা বলা হয়েছে, ওই আখতার সেতুর টোল আদায় কাজে জড়িত ছিলেন ওয়াসিমের অধীনে। একসময় তার ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন আখতার। এদিকে নিহত সংগ্রাম চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সংগ্রাম ও ওয়াসিমকে এর আগেও একবার র‌্যাব ধরে নিয়েছিল। তখন র‌্যাবের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের ছাড়িয়ে আনা হয়। কোন পক্ষের ইন্ধনে অপহরণ নাটক সাজিয়ে সংগ্রাম ও ওয়াসিমকে কথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যা করা হয়েছে বলে ওই পরিবার অভিযোগ করেন। গতকাল সরেজমিন কদমতলী থানাধীন আলমবাগে গিয়ে দেখা গেছে, র‌্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত দু’টি পরিবারের পাশাপাশি গোটা এলাকায় পিনপতন নীরবতা। স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যরা জানান, র‌্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ওয়াসিম ও সংগ্রামের নিহত হওয়ার নেপথ্যে প্রতিপক্ষ গ্রুপের ইন্ধন রয়েছে। পোস্তগোলা সেতুর টোল আদায়কৃত টাকা-পয়সার আয়-ব্যয় নিয়মিত দেখাশোনার দায়িত্ব ছিল তারই বিশ্বস্ত আখতারের ওপর। এ সময় আখতার তার স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন ওয়াসিমের আলমবাগের বাড়ির পাঁচ তলায়। সেতু টোলের টাকা আদায়ের সব দায়িত্ব গ্রহণের কিছুদিন পর নগদ টাকার লোভে পড়ে আখতার একাধিকবার হিসাবে গরমিল দেখাতে শুরু করে। এ নিয়ে ওয়াসিমের সঙ্গে তার চরম বিবাদ সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় একজন প্রভাবশালী নেতা ও তার ছেলের মধ্যস্থতায় বেশ কয়েকবার তাদের দু’জনের কোন্দল মেটানো হয়। গত জানুয়ারি ওয়াসিমের টোল আদায়ের বড় অঙ্কের টাকা নিয়ে আখতার পালানোর পর তাদের দু’জনের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ নেয়। টাকা উদ্ধার করতে সংগ্রামকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করতে থাকেন তিনি। কিন্তু এ ঘটনাটি আখতার জানতে পেরে ওয়াসিমের প্রতিপক্ষ গ্রুপের সঙ্গে হাত মেলায়। সংগ্রাম চৌধুরীর স্ত্রী সায়েমা চৌধুরী দাবি করেন, চক্রান্তকারীরাই র‌্যাবকে দিয়ে অপহরণের নাটক সাজিয়ে বন্দুকযুদ্ধে তার স্বামী ও ওয়াসিমকে হত্যা করেছে। তার স্বামী সংগ্রাম, আখতার, সুমন, জনিসহ অনেকেই ওয়াসিমের সেতুর টোল আদায়ের কাজ করতেন। ওয়াসিম তাদের সবাইকে বিশ্বাস করতেন। গত ১০-১৫ দিন আগে সেতুর টোল আদায় ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ ওলামা আলী গ্রুপের রাজুর সঙ্গে তাদের একটি ঝামেলা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ৬ মাস আগে ওলামা আলীর লোকের ইন্ধনে র‌্যাব ওয়াসিম ও সংগ্রামকে নারায়াণগঞ্জ থেকে আটক করে। পরে ওয়াসিমের সঙ্গে র‌্যাবের গোপন রফা হলে সকালে তাদের দু’জনকে ছেড়ে দেয়। নিহত ওয়াসিমের ছেলে আলী আহসান জানান, ওই সময় র‌্যাবের সদস্যরা তার পিতা ও সংগ্রামকে রাত দু’টায় নারায়ণগঞ্জ থেকে ধরে নিয়ে যান। পরের দিন সকালে র‌্যাবের টেলিফোন পেয়ে তাদের দু’জনকে তিনি বাড়িতে নিয়ে আসেন। এ সময় র‌্যাবের সঙ্গে তার পিতার কোন গোপন রফা হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। স্থানীয় স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র নয় বছর বয়সী কায়েস চৌধুরী জানে না তার বাবা সংগ্রাম চৌধুরীকে কি কারণে হত্যা করা হয়েছে। অশ্রুশিক্ত চোখে অবুঝ এ শিশুটি বার বার বলছিলো আব্বু এমন কি করেছিলো যে, তাকে মেরে ফেলা হলো। আব্বু আর কোন দিন ফিরে আসবে না। এ সময় তার কাকা প্রিন্স চৌধুরী কায়েসের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত¦না দেয়ার চেষ্টা করলে সে সজোরো কাঁদতে থাকে। এ সময় স্বজনভরা বাড়িতে এক হৃদয় বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গতকাল দুপুরে সংগ্রাম চৌধুরীর বাসায় কথা হয় তার বড় ভাই পরিবহন ব্যবসায়ী প্রিন্স চৌধুরীর সঙ্গে। তিনি হাসপাতাল মর্গ থেকে ভাইয়ের লাশ গ্রহণকালে পুলিশের ছাড়পত্র দেখিয়ে বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি অনুযায়ী সংগ্রাম চিহ্নিত সন্ত্রাসী হলে তো তার নামে স্থানীয় থানায় মামলা থাকতো। কিন্তু পুলিশ তো ভাল করে তার নামই জানে না। ঠিকানায় পিতার নাম লেখা হয়েছে অজ্ঞাত। এসব কথার সময় সংগ্রামের স্ত্রী সালমা চৌধুরী বাসার আসবাবপত্র দেখিয়ে বলেন, তার স্বামী চাঁদাবাজ হলে ঘরে অন্ততঃ মূল্যবান আসবাবপত্র থাকতো। স্বামী হারা সংসারে সন্তানদের কিভাবে মানুষ করবেন, কি করে বাঁচবেন এসব বলতে বলতেই তিনি মূর্ছা যান। এ সময় পাশের কক্ষ থেকে নামাজ শেষ করে বের হন সংগ্রামের বড় সন্তান মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান শান্তা চৌধুরী। গত সোমবার বাবা যে সময়ে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে প্রাণ হারান, ঠিক সে সময়ে শান্তা ছিলেন পরীক্ষার হলে। গতকাল বৃহস্পতিবারও তার পরীক্ষা রয়েছে। এ রকম পরিস্থিতিতে পরীক্ষায় অংশ নিলেও শান্তার রেজাল্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন তার পরিবার। গতকাল দুপুরে ওয়াসিমের ১২৯/২, মদিনা মসজিদ রোডের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। আশপাশের লোকজন বলেন, নিহত ওয়াসিমের পরিবারের সদস্যরা ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছেন। বাসায় অবস্থান করলেও কারো ডাকে সাড়া দিচ্ছেন না। এ ছাড়া ওয়াসিমের ছেলে আলী ব্যতীত সকলের মোবাইলগুলো র‌্যাব সদস্যরা নিয়ে গেছে। অভিযোগ রয়েছে, অধিকাংশ ক্রসফারার বা বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাই একতরফা এবং সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত। এসব ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত পুলিশ সদস্যরা নিজেদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নে একটি গৎবাঁধা প্যাটার্ন অনুসরণ করেন। অধিকাংশ ঘটনার ক্ষেত্রেই দেখা গেছে- পুলিশ, র‌্যাব কিংবা ডিবি কর্মকর্তা হিসেবে নিজেদের পরিচিতি দিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা মানুষজনকে তুলে নিয়ে যায়। নিরাপত্তা বাহিনীর তুলে নেয়ার পর আর না ফিরে আসা ব্যক্তিদের তালিকায় ছাত্র, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং বিরোধী দলের অজস্র নেতার নাম রয়েছে। কখনো এই ব্যক্তিদের লাশ হয়তো খুঁজে পাওয়া যায়, কিংবা কখনো তারা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যান। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায় যে, মৃত ব্যক্তি একজন অপরাধী ছিলেন। বেশ কয়েকবার তাদের এই দাবি মিথ্যা হিসেবেও প্রমাণিত হয়েছে। কখনো কখনো এও দাবি করা হয় যে, আটককৃত অপরাধীর পক্ষের লোকেরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর অস্ত্র চালায় বলেই সম্পূর্ণ আত্মরক্ষার্থে তারা বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হতে বাধ্য হন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর যাত্রাবাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধসংক্রান্ত কোনো পূর্ব অভিযোগ ছিল না। সেদিন ঘটনাস্থলে সালাউদ্দীন (২৯) এবং জুয়েল (২৮) নামের দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছিলেন। এদের মধ্যে সালাউদ্দীনের বিরুদ্ধে আটটি হত্যা মামলা থাকলেও নিহত জুয়েলের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই ছিল না। জুয়েল কাপ্তানবাজার এলাকার একজন ব্যবসায়ী ছিলেন এবং তিনি ফিল্টার যন্ত্রপাতি বেচতেন। নিহত জুয়েলের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ি পুলিশ কোনো মামলা কিংবা সাধারণ ডায়েরি বা নিদেনপক্ষে কোনো অভিযোগই দেখাতে পারেনি। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ি থানার উপ-পরিদর্শক এসআই প্রদীপ কুমার কুন্ডুও জুয়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগসংক্রান্ত বৈধ কোনো কাগজ বা দলিলপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। জুয়েলের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে শনির আখড়া এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল হক বলেন, অপরাধী হিসেবে সালাউদ্দীনের নাম আমাদের পরিচিত হলেও জুয়েলের নাম আমরা কখনো শুনিনি। জুয়েলের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল বলেও অন্তত আমি তো জানি না। আমাদের দামুড়হুদা, (চুয়াডাঙ্গা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক কমান্ডার কাশেম ওরফে মেকুর কাশেম (৩৫) নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার ভোরে জেলার দামুড়হুদা উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের একটি আম বাগানে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এসময় সন্ত্রাসীদের ছোড়া বোমার আঘাতে দামুড়হুদা মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নিয়াজ আলী (৩৮) ও কনস্টেবল খায়রুল ইসলাম (৪৫) গুরুতর আহত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশী বন্দুক, ৪ রাউন্ড গুলি, ৪টি তাজা বোমা ও বেশ কয়েকটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। - See more at: http://www.dailyinqilab.com/2014/03/06/165112.php#sthash.jBW3qm18.7XUzkDKV.dpuf

বুধবার, ২ জুলাই, ২০১৪


খিলাফতকে গড়ে তোলায় সাহায্য করতে মুসলমানদের প্রতি বাগদাদীর আহ্বান ইনকিলাব ডেস্ক : ইরাকি পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন মুলতবি হওয়ার পর নয়া সরকার গঠনের জন্য ইরাকি নেতাদের উপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। মঙ্গলবার ঘণ্টা দুয়ের মত কার্যক্রম চলার পর সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে অধিবেশনের বিরতি দেয়া হয়। তার আগে পার্লামেন্টের সুন্নি ও কুর্দি সদস্যরা ওয়াক আউট করেন। তারা আর ফিরে আসেননি। ফলে কোরাম পূর্ণ না হওয়ায় অধিবেশন প- হয়ে যায়। খবর এএফপি। জানা গেছে, পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরুর পরই অনৈক্যের ব্যাপারটি প্রকাশিত হয় স্পিকার নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে কুর্দি আইন প্রণেতা নাজিবা নাকিব অবরোধ তুলে নিতে ও স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলের জন্য স্থগিত বরাদ্দ দেয়ার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী নূরী মালিকির দলের এমপি কাজিম আল সায়াদি কুর্দি অঞ্চলের প্রধানের মাথা গুঁড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেন। ইসলামিক স্টেটের কথা উল্লেখ করায় কুর্দি এমপিরা ওয়াকআউট করেন। তারা কেউ ফিরে না আসায় কোরাম পূর্ণ হয়নি। অধিবেশনে সভাপতিত্বকারী এমপি বলেন, যদি ঊর্ধ্বতন পদগুলোর ব্যাপারে মতৈক্য হয় তাহলে ৮ জুলাই অধিবেশন বসবে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন দ্রুত হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছে যে সময় ইরাকের অনুকূলে নেই। পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র মেরি হার্ফ এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ দ্রুততার আহ্বান জানান। রয়টার্স জানায়, ইসলামী রাষ্ট্রের খলিফা আবু বকর আল বাগদাদী অস্ত্র হাতে তুলে নিতে এবং খিলাফতকে গড়ে তুলতে সাহায্য করার জন্য ইসলামী রাষ্ট্রে এসে সমবেত হতে বিশ্বের মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার অনলাইনে ‘রমযান মাসে মুজাহিদীন ও মুসলিম উম্মাহর প্রতি বার্তা’ শিরোনামে প্রচারিত এক বিবৃতিতে তিনি মুসলমানদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, নতুন যুগ শুরু হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত মুসলমানরাই বিজয়ী হবে। তিনি মুসলমানদের জেগে উঠতে এবং মধ্য আফ্রিকা থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত মুসলমানদের উপর অন্যায়ের প্রতিশোধ গ্রহণের আহ্বান জানান। ইউরোপীয় কাউন্সিলের পররাষ্ট্র বিষয়ক সিনিয়র পলিসি ফেলো জুলিয়ান বারনেস-ড্যাসি বলেন, বাগদাদী বলিষ্ঠ আহ্বানের মধ্য দিয়ে খিলাফত প্রতিষ্ঠার কথা ঘোষণা করেছেন এবং এখন দৃঢ়তার সাথে কথা বলছেন। এক বিশাল ভূখ-ে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হওয়ার তিনি উপলব্ধি করেছেন যে সময় তার অনুকূলে। এ এক বলিষ্ঠ, সার্বিক কৌশল যার মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে নয়া ইসলামী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। এদিকে কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের প্রেসিডেন্ট মাসুদ বারজানি বিবিসির সাথে এক সাক্ষাতকারে বলেন,স্বাধীনতা পাওয়া কুর্দিদের অধিকার এবং এখন থেকে আমরা প্রকাশ্যে ঘোষণা করছি যে কুর্দিস্তানের লক্ষ্য স্বাধীনতা। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হবে যাতে কুর্দিস্তানের সকল লোক অংশগ্রহণ করবে। তিনি গণভোটের কোনো সময় নির্ধারণ করেননি। তবে বলেন, কয়েকমাসের মধ্যেই তা অনুষ্ঠিত হবে। এপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইরাকের রাষ্ট্রদূত লুকমান ফাইলি বলেছেন, আইসিস যোদ্ধাদের দমনের জন্য অতিরিক্ত মার্কিন সাহায্য পেতে বিলম্ব হওযায় অপেক্ষা না করে ইরাক ক্রমেই ইরান, রাশিয়া ও সিরিয়ার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। তিনি তাদের উপর বিমান হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ জানান। - See more at: http://www.dailyinqilab.com/2014/07/03/189889.php#sthash.jUvXNRsm.dpuf

চলন্ত মাইক্রোবাসে পোশাককর্মীকে ধর্ষণ নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ২২:১৭, জুলাই ০২, ২০১৪ রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে এক তরুণীকে (১৮) ধরে চলন্ত মাইক্রোবাসে নিয়ে ধর্ষণ করেছে দুই যুবক। গতকাল মঙ্গলবার ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই তরুণী একজন পোশাককর্মী। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিত্সাধীন। মিরপুর থানার উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান ধর্ষণের শিকার হওয়া তরুণীর বরাত দিয়ে জানান, মিরপুরের মধ্য পাইকপাড়ায় থাকেন ওই তরুণী। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বান্ধবীর বাসা থেকে তিনি বাসায় ফিরছিলেন। দারুস সালাম সড়কের টেকনিক্যাল মোড়ে একটি মাইক্রোবাস এসে থামে তঁার সামনে। ওই মাইক্রোবাসটি থেকে দুই যুবক নেমে তঁাকে জোর করে গাড়িতে তুলে নেয়। এদের মধ্যে একজনকে তিনি চেনেন। তার নাম ফরিদ। গাড়িতে তোলার পর ফরিদ ও তার সহযোগী ওই তরুণীকে চলন্ত মাইক্রোবাসে ধর্ষণ করে। এ সময় চালকসহ মোট তিনজন গাড়িতে ছিল। তবে শুধু ফরিদ ও তার সঙ্গে থাকা যুবক তঁাকে ধর্ষণ করে বলে মেয়েটি পুলিশকে জানিয়েছে। একপর্যায়ে গভীর রাতে তারা তঁাকে দারুস সালাম থানার টেকনিক্যাল মোড়ে রেখে যায়। আজ সন্ধ্যায় তঁাকে ওসিসিতে ভর্তি করে পুলিশ। ধর্ষণের শিকার তরুণীর এক ফুফু পুলিশকে জানিয়েছেন, স্থানীয় বখাটে ফরিদ অনেক দিন ধরেই তঁার ভাতিজিকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে রাজি না হওয়ায় ফরিদ এ ঘটনা ঘটায় বলে তঁার ধারণা। পুলিশ জানায়, ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রপ্তোরের চষ্টো চলছে। রাত সাড়ে নয়টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় থানায় কোনো মামলা হয়নি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ওসিসির সমন্বয়কারী চিকিত্সক বিলকিস বেগম জানান, ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে চিকিত্সা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষা করা হচ্ছে।