সোমবার, ১৬ জুন, ২০১৪


স্বামীকে বেঁধে অসুস্থ স্ত্রীকে ধর্ষণ করলো ছাত্রলীগ নেতা ১১ জুন,২০১৪ ঢাকা: চিকিৎসা নিতে রাজধানীতে এসে হোটেলকক্ষে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ ৷ গত রবিবার গভীর রাতে মগবাজারের এক আবাসিক হোটেলে পাশের কক্ষে স্বামীকে বেঁধে রেখে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ ওই কক্ষ থেকে মহানগর ছাত্রলীগের এক নেতা ও তার এক সহযোগীকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করেছে। রমনা থানার পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল হোসেন (২৭) ও তার সহযোগী উজ্জ্বল মিয়া (৩৩)। তাদের সোমবার আদালতে পাঠালে আদালত তাদের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মঙ্গলবার থেকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। রমনা থানার পুলিশ জানায়, সড়ক দুর্ঘটনায় কিছুদিন আগে ওই গৃহবধূর বাঁ চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ ধানমন্ডির একটি চক্ষু হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন। ওই চোখের চিকিৎসার জন্য তিনি কুমিল্লা থেকে স্বামীর সঙ্গে গত রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় আসেন। তারা মগবাজার মোড়ে হোটেল গোল্ডেন এন প্যালেস নামের আবাসিক হোটেলের দোতলার একটি কক্ষ ভাড়া নেন। রবিবার দিবাগত রাত একটার দিকে ওই কক্ষের দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে ওই দম্পতির ঘুম ভাঙে। গৃহবধূর স্বামী ‘কে’ জিজ্ঞেস করলে জবাব আসে ‘হোটেল মালিক’। এতে তারা দরজা খুলে দিলে ছুরি হাতে চার-পাঁচজন কক্ষে ঢুকে পড়েন। ছুরির মুখে তিনজন তার স্বামীকে পাশের কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে। ওই কক্ষে থাকা দুজনের একজন গৃহবধূকে আটকে রাখেন, অন্যজন ধর্ষণ করে। এ সময় ওই নারী কৌশলে মুঠোফোনে এক আত্মীয়কে বিষয়টি জানালে তিনি রমনা থানার পুলিশকে জানান। পুলিশের একটি দল রাত দেড়টার দিকে ওই হোটেল কক্ষে গিয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার ও ছাত্রলীগ নেতা ইকবালসহ দুজনকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করে। রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার শিকার গৃহবধূ নিজেই রমনা থানায় মামলা করেছেন। সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে এখনো ওই পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানায়, এজাহারে ইকবাল হোসেনকে ধর্ষণকারী ও উজ্জ্বলকে সহায়তাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে৷ ইকবালের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার বাংলাবাজারে এবং উজ্জ্বলের বাড়ি একই জেলার সখীপুর উপজেলার ব্যাপারীকান্দিপাড়া গ্রামে৷ ইকবাল ঢাকার কাঁঠালবাগানের ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে তার বাসা বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। অবশ্য পুলিশকে দেওয়া ইকবালের ঠিকানা অনুযায়ী ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে গিয়ে জানা যায়, সেখানে এ নামের কেউ থাকেন না৷ মগবাজারে গিয়ে ওই আবাসিক হোটেল বন্ধ পাওয়া যায়। রমনা থানার ওসি জানান, ধর্ষণের ঘটনার পর পুলিশ আবাসিক হোটেলটি বন্ধ করে দিয়েছে৷ হোটেলের কোনো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলের ব্যবস্থাপক ও কর্মীদের ভয় দেখিয়ে দরজা খুলতে বাধ্য করেছিলেন ইকবাল ও অন্যরা। যোগাযোগ করা হলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক দাবি করেন, যুগ্ম সম্পাদক পদ থেকে ইকবালকে আগেই বহিষ্কার করা হয়েছে।

শিক্ষাঙ্গন ‘স্কুলে বোরকা পরে আসা যাবে না’ : শতাধিক ছাত্রীর ফুলহাতা এবং থ্রি কোয়ার্টার হাতা কর্তন June 12, 2014 by নিউজ ডেস্ক/এমএ in শিক্ষাঙ্গন with 0 Comments ঢাকার দক্ষিণখান আদর্শ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে বোরকা পরে আসা ছাত্রীদের হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বোরকা পরে স্কুলে আসা যাবে না বলে প্রধান শিক্ষক তাদের জানিয়ে দিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছে গতকাল বোরকা পরে স্কুলে প্রবেশের সময় তাদের স্কুলের গেটে বাধা দেয়া হয়। বোরকা পরে যারা স্কুলে প্রবেশ করেছে তাদের একত্রে গেটের ভেতরে অপেক্ষা করিয়ে রাখা হয়। ইউনিফর্মের সাথে মিল নেই এমন জুতা পরে যারা এসেছে তাদেরও সেখানে দাঁড় করানো হয়। এরপর প্রধান শিক্ষক এ কে এম ফারুকুজ্জামান সেখানে এসে তাদের জানান আগামীকাল (আজ) থেকে বোরকা পরে স্কুলে আসা যাবে না। ছাত্রীরা তখন জানান, আমরা স্কুলে এসে বোরকা খুলে ফেলব; কিন্তু বোরকা পরে স্কুলে ঢুকতে না দিলে আমরা কোথায় বসে বোরকা পরিবর্তন করব। প্রধান শিক্ষক তখন জানান কোথায় বসে চেঞ্জ করবা সেটা তোমরা জান। স্কুলে বোরকা পরে আসা যাবে না। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, এর আগে প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে শারীরিক শিক্ষক খায়রুননাহার নবম দশম শ্রেণীর শতাধিক ছাত্রীর ফুলহাতা এবং থ্রি কোয়ার্টার হাতা কেটে ফেলেন কাঁচি দিয়ে। অভিযোগ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফারুকুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আপনি স্কুলে এসে দেখে যান। এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। তাহলে কি ছাত্রীরা মিথ্যা অভিযোগ করেছে, এ প্রশ্ন করলে প্রধান শিক্ষক জানান, আমি গতকাল (মঙ্গলবার) মৌখিকভাবে সবাইকে বলেছি ইউনিফর্ম ছাড়া কেউ আসতে পারবে না। আপনার স্কুলের মধ্যে ছাত্রীরা বোরকা পরে প্রবেশ করতে পারবে কি পারবে না সেটা বলেন। তখন তিনি বলেন, স্কুলের ভেতরে বোরকা পরে অবশ্যই প্রবশে করতে পারবে; কিন্তু ক্লাসে ঢোকার আগে বোরকা খুলে ফেলতে হবে। আবার যখন স্কুল শেষ হয়ে যাবে তখন বোরকা পরে চলে যেতে পারবে। তিনি বলেন, অনেকে বোরকা পরে আসে; কিন্তু তারা ইউনিফর্ম পরে না। সিভিল ড্রেস পরে। তাই তারা স্কুলে এসে বোরকা খুলতে চায় না। তিনি আরো বলেন, কোনো কোনো অভিভাবক অভিযোগ করেছেন তাদের মেয়ে কাস শেষে বাসায় ফেরে না। তারা সিভিল ড্রেসে এসে অন্যত্র চলে যায়। এ রকম দুয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, তাই আমরা ইউনিফর্ম পরে আসা বিষয়ে কড়াকাড়ি আরোপ করেছি। বোরকা পরে এলেও কাসে তা খুলে প্রবেশ করতে হবে। তা না হলে আমরা কি করে বুঝব যে সে ইউনিফর্ম পরেছে কি না। ছাত্রীদের জামার লম্বা হাতা কেটে ফেলার অভিযোগ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন, এটা ছিল একটি দুঃখজনক ঘটনা। আরো খবর: ‘যে দলের নেতারা গ্রেফতারের ভয়ে বোরকা পরে, সে দল দিয়ে আন্দোলন হবে না’ কিশোরীর বগলের চুল ছেঁটে দিল শিক্ষক পাকিস্তানের নারীদের দেওয়া হচ্ছে যৌন শিক্ষা ‘খারাপ ছবি দেখা সুন্নত, লাগলে আইন্যা দিমু’ ছাত্রীদের বললেন শিক্ষক… শিক্ষার্থীদের যৌন ভিডিও তৈরি করত স্কুল কর্তৃপক্ষ! - See more at: http://www.newsevent24.com/2014/06/12/education/137157#sthash.auMKb4xf.dpuf

নগর-মহানগর সিলেটে দুই বন্ধুর ‘পর্নো’ ফাঁদ! May 24, 2014 by নিউজ ডেস্ক/মেহা in নগর-মহানগর with 0 Comments porno নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডট কম সিলেট সিলেটের পর্নো সিডির কারিগর দুই বন্ধু হেলাল ও ময়নুল এখন স্কুল ও কলেজের মেয়ে শিক্ষার্থীর কাছে আতঙ্কের নাম। ওদের নীল জগতে ‘পা’ দিয়েই অনেক শিক্ষার্থীর জীবন নষ্ট হওয়ার পথে। একের পর এক ভিডিও ফুটেজ মোবাইলে মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ায় অভিভাবকমহল হয়ে পড়েছে উদ্বিগ্ন। কোন কোন ছাত্রীর অভিভাবক হার্ট অ্যাটাক হয়ে শয্যাশায়ী হয়েছেন হাসপাতালে। এমন ঘটনা ঘটেছে সিলেটের কামালবাজার এলাকায়। আর বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর গা-ঢাকা দিয়েছে পর্নো কারিগর হেলাল ও ময়নুল। অবশেষে এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে পর্নো সিডির শুটিং ও নির্মাণস্থল ওই ফটোস্টুডিওতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে এ ঘটনাটি হচ্ছে তোলপাড়। বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা খুঁজে ফিরছেন হেলাল ও ময়নুলকে। সিলেট শহরতলির দক্ষিণ সুরমার কামালবাজার এলাকা। ধর্মীয় অনুশাসনে সভ্যতার এক আলোকিত এলাকা। কামালবাজারে রয়েছে রশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়। একটু দূরে রাগিব-রাবেয়া কলেজ। দুটি প্রতিষ্ঠানে হাজারো শিক্ষার্থী পড়ালেখা করে। বর্তমান সরকারের ডিজিটাল নিয়ম চালু হওয়ায় পরীক্ষা ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থীকে বাইরে থেকে রেজিস্ট্রেশন, ফরম পূরণ কিংবা ভর্তির জন্য ছবি তুলে ইন্টারনেটে পাঠাতে হয়। এ কারণে কামালবাজারের কলেজ রোডের চৌধুরী কমপ্লেক্সে ফটোস্টুডিও ও ইন্টারনেটের দোকান খুলে হেলাল আহমদ মামুন নামের এক যুবক। হেলাল আহমদ মামুনের বাড়িও একই এলাকায়। সে স্থানীয় রামপুর গ্রামের আলকাছ আলীর ছেলে। আর হেলালের বন্ধু ময়নুল ইসলাম একই গ্রামের কুদ্দুস আলীর ছেলে। প্রায় তিন বছর আগে হেলাল চৌধুরী কমপ্লেক্সে দোকান খুলে বসায় দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এসে ছবি তোলা ও ফরম পূরণ করেন ওখান থেকে। এ দোকানের মূল মালিক হেলালের মামা আশরাফ আলী। ছাত্রীরা ছবি তুলে ফরম পূরণের পর ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার পর বাড়ি চলে যায়। কিন্তু হেলাল ও ময়নুল দুইজন ছাত্রীদের ওই ছবি কম্পিউটারের ফটোসপের মাধ্যমে নগ্ন ছবির মধ্যে জুড়ে দেয়। এরপর রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্রীদের ডেকে এনে এসব ছবি দেখায়। আর নিজেদের নগ্ন ছবি দেখে সহজ সরল অনেক ছাত্রী কেঁদে ফেলেন। আর মানসম্মানের ভয়ে কেউ এ বিষয়টি অভিভাবকদের জানায়নি। এসব নগ্ন ছবি দেখার পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে ছাত্রীদের তাদের সঙ্গে দৈহিক মিলনে বাধ্য করে হেলাল ও ময়নুল। নওরীন ফটোস্টুডিও ঘর এক কোটার হলেও পার্টিশন দিয়ে সেটিকে দুটি ঘর করা হয়। এর মধ্যে সামনের ঘরটি হচ্ছে রিসিপসন কক্ষ। আর দরোজা লাগানো পিছনের ঘর হচ্ছে স্টুডিও। পর্নো ছবির ফাঁদেপড়া ছাত্রীদের নিজেদের ছবি দেখিয়ে তাদের কথা মতো চলতে বাধ্য করে হেলাল ও ময়নুল। কয়েক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, হেলাল ও ময়নুল স্কুল-কলেজের ছাত্রীদের হুমকি দেয় তাদের কথা মতো না চললে এসব ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়া হবে। এসব হুমকির কারণে অনেক ছাত্রী তাদের পর্নো ফাঁদে পা দেয়। কামাল বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, হেলাল ও ময়নুল ফটোসপে তৈরি করা ছবি দেখিয়ে ছাত্রীদের তাদের কথা মতো চলতে বাধ্য করে। পরে ছাত্রীদের প্রস্তাব দেয় দৈহিক মিলনে। এভাবে বেশ কয়েকজন ছাত্রী নিজেদের ইজ্জত রক্ষার্থে হেলাল ও ময়নুলের কথা মতো স্কুল কিংবা কলেজ ফাঁকি দিয়ে স্টুডিওতে চলে আসে। আর স্টুডিওর ভেতরে দুই বন্ধু মিলে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হতো। ব্যবসায়ীরা জানান, কোন কোন ছাত্রীর সঙ্গে অবাধ মেলামেশার দৃশ্যাবলী ভিডিও ক্যামেরার মাধ্যমে রেকর্ড করে রাখা হয়। কখনও হেলাল ছাত্রীর সঙ্গে দৈহিক কাজে লিপ্ত হলে ময়নুল সেটি রেকর্ড করতো। আবার ময়নুল দৈহিক কাজে লিপ্ত হলে হেলাল সেগুলো রেকর্ড করতো। এভাবে তারা বেশ কয়েকজন ছাত্রীর ভিডিও ফুটেজ ও ছবি রেকর্ড করে রাখে। পরে ওই ভিডিও এবং ছবি দিয়ে কোন কোন ছাত্রীর সঙ্গে দিনের পর দিন অবাধে মেলামেশা করেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, তারা প্রায়ই দেখতেন নওরিনের স্টুডিওতে স্কুল ফাঁকি দিয়ে ছাত্রীরা আসা যাওয়া করত। আর ব্যবসায়ীরা এ নিয়ে হেলালকে জিজ্ঞেস করলে সে বলতো, ওরা কাজে এসেছে। এ কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সেটি আমলে নেননি। হেলাল ও ময়নুলের বন্ধু মহলের কয়েকজন যুবক জানিয়েছেন, হেলালের বন্ধু ময়নুল রামপুর গ্রামের ইছহাক একাডেমির শিক্ষক ছিল। আর শিক্ষকতার কারণে অনেক ছাত্রীকে সে পড়ালেখা করিয়েছে। এই সুবাদে বেশ কয়েকজন ছাত্রীর সঙ্গে ময়নুলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আর প্রেমে পড়া ছাত্রীদের ময়নুল নিয়ে আসতো হেলালের নওরিন স্টুডিওতে। সেখানে এনে ওই ছাত্রীদের দেখাতো তাদের নগ্ন ছবি। বলা হতো কথা মতো কাজ না করলে ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়া হবে। কলেজ পড়ুয়া এক ছাত্রীকে এভাবে দেখানোর পর ওই ছাত্রীটি মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পরে তাদের পর্নো জগতে পা দেয়। আর ওই ছাত্রীর সবচেয়ে বেশি পর্নো ভিডিও করে হেলাল ও ময়নুল। ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রথমে মিলিত হয় ময়নুল। আর হেলাল সেটি রেকর্ড করে রাখে। পরে ওই ফুটেজ দেখিয়ে হেলালও তার সঙ্গে মিলিত হয়। এভাবে অর্ধশতাধিক ভিডিও ফুটেজ তারা ক্যামেরাবন্দি করে রাখে। প্রায় ১৫ দিন আগের ঘটনা। ময়নুলের এক প্রেমিকাকে এভাবে ফাঁদে ফেলে দৈহিক মিলন করে হেলাল। এ নিয়ে হেলাল ও ময়নুলের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। দুজনের বন্ধুত্বের দূরত্ব সৃষ্টি হয়। আর দূরত্ব সৃষ্টি হওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রীদের পর্নো ফুটেজ ছড়িয়ে দেয়া হয় এলাকার যুবকদের মোবাইলে মোবাইলে। দ্রুত এ ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ায় কামালবাজার, নভাগী, রামপুর, কুড়িগ্রাম সহ বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। এরকম বেশ কয়েকটি ফুটেজ ও ছবি এ প্রতিবেদকের কাছে এসে পৌঁছেছে। ঘটনার পর গা-ঢাকা দেয় হেলাল ও ময়নুল। এলাকার লোকজন তাকে খুঁজলেও পায়নি। পরে তারা এসে নওরিন ফটোস্টুডিওতে তালা ঝুলিয়ে দেয়। গত সোমবার থেকে নওরিন ফটো স্টুডিওটি বন্ধ রয়েছে। কামাল বাজারের ভিডিও ব্যবসায়ী আলী হোসেন গতকাল জানিয়েছেন, নওরিন ফটো স্টুডিও থেকে ছাত্রীদের পর্নো ছবি প্রকাশ পাওয়ায় ব্যবসায়ী ও এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে সেটি বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি জানান, এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে হেলাল ও ময়নুল। তবে, কামালবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জহির আহমদ জানিয়েছেন, এ বিষয়টি নিয়ে তার কাছে কেউ অভিযোগ দেয়নি। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এলাকায় যাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে সেদিকে পুলিশ নজর দেবে বলে জানান তিনি। আর নওরিন ডিজিটাল ফটোস্টুডিওর মূল মালিক বখাটে হেলালের মামা আশরাফ আলী জানিয়েছেন, এলাকার মানুষের কাছ থেকে অভিযোগ শোনার পর তিনি দোকানটি বন্ধ করে দিয়েছেন। এ ঘটনার পর থেকে হেলালকেও তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না বলে জানান। সূত্র: মানবজমিন নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডট কম/২৪মে, ২০১৪/০৮.২৯/মেহেদী হাসান - See more at: http://www.newsevent24.com/2014/05/24/metro/133145#sthash.7ZjzBGgc.dpuf

শিলার রুম ডেটের ফাঁদ চট্টগ্রামে June 10, 2014 by নিউজ ডেস্ক/এমএ in অপরাধ with 0 Comments shila ফোনে কথা বলে বাসায় রুম ডেট করার ফাঁদে ফেলে শিকার ধরতো সুন্দরী শিলা। তার মন ভোলানো কথায় বহু যুবক পা দিতেন ভয়াবহ ফাঁদে। কিন্তু এ ফাঁদ যে কত ভয়ানক তা যখন টের পেতো তখন কিছুই করার আর থাকতো না। শিলার ফাঁদে পড়ে এমন বহু যুবক হয়েছে নিঃস্ব। অনেকেই তার ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হয়ে গোপনে মাসের পর মাস দিতেন লাখ লাখ টাকা। চট্টগ্রামে সুন্দরী মেয়েদের দিয়ে ফাঁদে ফেলা একটি চক্রকে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। চক্রটি এতটাই কৌশলী, যে কোন ঘটনা ঘটাতো খুব নীরবে। মূলত ব্যবসায়ীরা ছিলেন তাদের টার্গেট। এরপর একে অন্যান্য পেশার লোকজনকেও ফাঁদে ফেলতো তারা। ব্ল্যাকমেইলিং করে প্রতিমাসে তারা আয় করতো ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা। গত ৫ বছর ধরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় বাড়িভাড়া নিয়ে এ অপকর্ম করে আসছে সিন্ডিকেটের সদস্যরা। সর্বশেষ থানায় মামলা হওয়ার পর গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ চক্রকে হাতেনাতে ধরে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ। গতকাল সকালে তাদের থানায় আনার পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, এ দলের মূল সদস্য জোবেদা আক্তার জয়া (৪০)। সেই মেয়েদের দিয়ে চট্টগ্রামের কোটিপতি ব্যবসায়ীদের ফাঁদে ফেলতো । তার দলের অপর সদস্যরা হলো উৎপল চৌধুরী (৩৫), সাইদুল মুসলিম সাইমুন (৩০), আতিকুর রহমান সোহেল (২৬) ও সুমনা আক্তার শিলা (১৮)। এদের মধ্যে শিলা ও আতিক সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। আর প্রধান হোতা জোবেদা আক্তার হলো শিলার মা। এরা যে বাড়িতে এসব অপকর্ম করতো তা ছিল শহরের ৩৬নং কসমোপলিটন আবাসিক এলাকায়। সেখানকার রোড ০৫, পূর্ব নাসিরাবাদ, ষোলশহরের বাড়িতে ছিল তাদের গোপন অভিসারের জাল। শিলা ফোন করতো শহরের বিভিন্ন ধনাঢ্য ও টাকাওয়ালা ব্যক্তিদের। একবার, দু’বার। এভাবে বারবার ফোন করার পর একসময় তার কাছে বাধ্য হয়ে ধরা দিতো অনেক যুবক। শিলার সঙ্গে রাতের পার রাত তাদের হতো প্রেমের আলাপ। বিবাহিত শিলা পুরুষদের বোকা বানাতো খুব সহজেই। তাদের আকর্ষণ করে এমন সব কথাবার্তা বলে মানসিকভাবে তার প্রতি দুর্বল করে দিতো মুহূর্তেই। ফোনে এসব কথা শোনার পর যে কোন পুরুষই তার সঙ্গে কথা বলার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠতো। শিলা তাদের জানাতেন এভাবে ফোনে কথা বলতে তার ইচ্ছে হয় না। তাই বাসায় যখন কেউ থাকবে না তখন যেন সোজা চলে আসেন। কসমোপলিটনের ওই বাড়িতে একবার কেউ শিলার মন ভোলানো কথায় পা দিলে মানসম্মান নিয়ে ফিরে আসতো পারতো না। কেননা, আগে থেকেই সেখানে গোপন ক্যামেরার ফাঁদ ফেলে রাখতো জোবেদা, উৎপল, সাইমুন আর আতিক। বিষয়টি টের পেয়ে গেলে অস্ত্রের মুখে লোকজনকে ছবি তুলতে বাধ্য করতেন এ চক্রের সদস্যরা। এরপর শুরু হতো মানসিক নির্যাতন। ইন্টারনেটে ছবি ছড়িয়ে দেয়ার কথা বলে মুহূর্তেই আদায় করতেন দুই থেকে তিন লাখ টাকা। যারা টাকা দিতে পারতেন না তাদের ফোন করাতে বাধ্য করতেন পরিবারের সদস্যদের কাছে। অনেকে ঘটনা জানাজানি হওয়ার ভয়ে বন্ধুদের মাধ্যমে টাকা দিয়ে সেখান থেকে চলে যেতেন। পাঁচলাইশ থানা পুলিশ জানায়, সর্বশেষ এ চক্রের হাতে নিঃস্ব হয়ে থানায় মামলা করেছেন আকছির উদ্দিন মোল্লা নামের এক ব্যক্তি। মামলার আগে মোবাইল ফোনে ওই ব্যক্তির সঙ্গে রুম ডেট করার প্রস্তাব দেয় শিলা। এ ব্যাপারে আকছির উদ্দিন । তিনি জানান, শিলার মিষ্টি কথায় তিনি প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু কখনোই বুঝতে পারেননি তা ছিল ফাঁদ। গত ২০শে মে রাত ৮টায় ৩৬নং কসমোপলিটন আবাসিক এলাকার বাসায় গিয়ে আটকা পড়েন তিনি। চক্রটি বিবস্ত্র অবস্থায় সুমনা আকতার শিলার সঙ্গে তার নগ্ন ছবি ভিডিও করে। তিনি এর প্রতিবাদ করলে ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয় তারা। একপর্যায়ে আকছির উদ্দিনের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। সামাজিক চক্ষুলজ্জার ভয়ে আকছির তার দুই বন্ধুর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে মুহূর্তে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেন। পরদিন ভোর ৬টায় তাকে বাড়ি থেকে মুক্ত করে দিয়ে বাকি টাকা দ্রুত পরিশোধ করার জন্য হুমকি দিতে থাকেন। আকছির উদ্দিন বিষয়টি জানাতে পাঁচলাইশ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার সূত্র ধরে গতকাল পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। এ ব্যাপারে জানান থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত আজিজ আহমেদ। বলেন, ‘এই চক্রটি অনেক লোককে ফাঁদে ফেলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এরা শহরের বিভিন্ন জায়গায় বাসা ভাড়া নিয়ে অপকর্ম করতো। অনেক লোক বিষয়টি আমাদের জানিয়েছে। শেষমেশ মামলা হওয়ার পর তাদের গ্রেপ্তার করতে পেরেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে ওরা।’ তিনি আরও বলেন, ‘সহজ সরল অনেক মানুষকে তারা বাসায় ডেকে নিয়ে গিয়ে জোর করে নগ্ন করতো। পরে তা ভিডিও করতো। এতে ঘটনা জানাজানি হওয়ার ভয়ে কেউই মুখ খুলতো না। সবাই বিষয়টি টাকা দিয়ে ধামাচাপা দিতে রাজি হতেন। আর এই দুর্বলতার সুযোগটিই নিতো ওই সিন্ডিকেটটি।’ মানবজমিন

ছাত্রী শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক চাকরিচ্যুত আইডিয়াল স্কুল নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ২১:৪১, জুন ১০, ২০১৪ ০ Like ৬ এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি স্কুলের মতিঝিল শাখার ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষক ছিলেন। আজ মঙ্গলবার কলেজের পরিচালনা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে ওই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিচালনা কমিটির সভাপতি বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। জানতে চাইলে কলেজের অধ্যক্ষ শাহান আরা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, এই অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি ওই শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেছে। সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হলে ওই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়। কারণ বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তির সঙ্গে জড়িত। তবে ওই ঘটনায় ওই ছাত্রীর অভিভাবকদের করা মামলা নিজস্ব গতিতে চলবে বলে জানান অধ্যক্ষ। এ ঘটনায় ৪ জুন ছাত্রীটির অভিভাবক শাহজাহানপুর থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। মামলার এজাহার ও কলেজ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক স্তরের একটি শ্রেণির ওই ছাত্রী ওই শিক্ষকের কাছে শাহজাহানপুরের বাসায় কোচিংয়ে পড়তে যায়। সেখানে ওই শিক্ষক তার শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পরপর কলেজ কর্তৃপক্ষ ওই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছিল।

Egypt asks YouTube to remove Cairo sexual assault video 13 June 2014 Last updated at 15:20 A female protester holds a sign reading "Yes to castrating the sexual harasser" in Cairo (11 June 2014) Protesters took to the streets after the video of the sexual assault went viral Continue reading the main story Related Stories Sisi vows to end Egypt sex assaults Seven held over Egypt sex assaults Woman 'stripped naked' video shocks Egypt Egypt has asked YouTube to remove a video of a woman being sexually assaulted during a rally in Cairo's Tahrir Square supporting the country's newly elected president. A spokesman for President Abdul Fattah al-Sisi said the request was made by the Egyptian embassy in Washington. The woman asked for the video to be taken down when Mr Sisi visited her in hospital on Wednesday, he said. YouTube has not yet responded to news of the request. The graphic video, which apparently shows a woman being stripped naked and attacked in the capital's Tahrir Square, went viral earlier this week. A string of assaults during the recent celebrations have caused uproar. 'Horrifying' State-run television showed the president personally apologising to a victim, whose identity has been kept anonymous, at a military hospital in Cairo on Wednesday. A handout picture released by the Egyptian presidency shows President Abdel Fattah al-Sisi visiting a hospital where the victim of a sexual assault is receiving treatment Mr Sisi presented the woman with a bouquet of flowers Egyptians celebrate in Cairo's (3 June 2014) Several attacks were reported during celebrations marking Mr Sisi's victory in the presidential elections The woman was seen asking Mr Sisi to have the video of the attack removed from the video-sharing website. "My daughter watches it every day and collapses," she was quoted as saying by the Associated Press news agency. On Tuesday, a presidential spokesman said Mr Sisi had ordered officials to enforce a new law making sexual assault a crime for the first time. The law decrees that those found guilty of harassment in public or private will face up to five years in prison and a maximum fine of 50,000 Egyptian pounds ($6,990; £4,160). Women's rights groups have accused the authorities of failing to address the issue of sexual harassment. A 2013 UN study said that nine out of 10 Egyptian women had experienced some form of sexual assault, ranging from minor harassment to rape. Human rights campaigners have describe the extent of the problem in Egypt as "horrifying". Incidents have soared in the three years since the 2011 overthrow of Hosni Mubarak.

ধর্ষিতার চিৎকারেও এগিয়ে আসে না কেউ! (ভিডিও) June 15, 2014 by নিউজ ডেস্ক/মেহা in প্রতিবেশী with 0 Comments rape প্রতিবেশী ডেস্ক নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডটকম রাস্তার পাশে মাইক্রোবাস থামিয়ে তার মধ্যে এক নারীকে নির্যাতন করছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় ওই গাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া অনেকেই নির্যাতিতার চিৎকার শুনলেও এগিয়ে আসেননি। বরং দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। সম্প্রতি এ ধরনের একটি ঘটনার ভিডিও ইউটিউবে ছাড়া হয়েছে। তবে ঘটনাটি সত্যিকারের নয়। ভারতের একটি রাস্তায় মাইক্রোবাসে নির্যাতিতার অডিও টেপ বাজিয়ে জনতার মাঝে পরীক্ষা চালায় একটি গ্রুপ। গত সপ্তাহে পোস্ট করা ভিডিওটি ইতোমধ্যে ১২ লাখ বার দেখা হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা গেছে, রাতে রাস্তার পাশে থেমে থাকা একটি মাইক্রো থেকে নির্যাতিতার চিৎকার ভেসে আসছে। অনেকেই মাইক্রোটির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় চিৎকার শুনলেও বিষয়টিকে এড়িয়ে যান। তবে কিছু লোক ঠিকই নির্যাতিতাকে সহায়তা করতে এগিয়ে আসেন। এর মধ্যে এক বৃদ্ধও রয়েছেন। এমনকি কেউ কেউ পুলিশেও খবর দেন। সম্প্রতি ভারতে উদ্বেগজনকভাবে নারীর প্রতি সহিংসতার হার বেড়েছে। এ বিষয়ে জনগণের মনোভাব বোঝা ও সচেতনতা সৃষ্টি করতে নাম প্রকাশ না করা ওই গ্রুপটি এ ভিডিও পোস্ট করে।