বুধবার, ১১ জুন, ২০১৪


গ্যালারি পরকীয়ার টানে দুই সন্তানের জননী কুমিল্লা থেকে নারায়ণগঞ্জে June 11, 2014 by নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডটকম/এআই in জীবনধারা with 0 Comments porokia নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডটকম নারায়ণগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ জেলার চাষাঢ়া এলাকায় কার স্ত্রীর প্রেমিককে সিআইডি পুলিশ পরিচয় দিয়ে উঠিয়ে নেয়ার সময় ছয়জনকে ধরে গনপিটুনি দিয়েছে এলাকাবাসী। পরে তাদেরকে পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, পরকীয়ার জেরে পালিয়ে আসা স্ত্রীকে উদ্ধার করতে এসে জনতার হাতে আটক হয় রমিজ উদ্দিন। সৌদি আরব প্রবাসি রমিজের বাড়ি কুমিল্লায়। তার স্ত্রীর নাম রেহানা বেগম। দুই সন্তানের জননী রেহানা বেগম দুই দিন আগে পরকিয়ার টানে নোয়াখালীর কবির হোসেনের সঙ্গে ঘর ছেড়ে পালিয়ে নারায়ণগঞ্জে চলে আসেন। খবর পেয়ে রমিজ উদ্দিন ও তার শ্যালক মেহেদীসহ ছয়জন আজ নারায়ণগঞ্জে আসেন। ফোন করেন কবির হোসেনকে। কবির চাষাঢ়া শহীদ মিনারে এলে রমিজ ও মেহেদীসহ সবাই সিআইডি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে মাইক্রোবাসে তোলার জন্য টানাহ্যাঁচড়া শুরু করলে স্থানীয় লোকজন তাদের ধরে গনপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করেন। নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডটকম/১১ জুন, ২০১৪/১৭.৫৪/আরিফুল ইসলাম আরো খবর: স্ত্রীর সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে দেখে বন্ধুকে খুন মানুষ শয়তানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলে আল্লাহ তার নজীর দেখান : মান্না ৭ খুন: নূরের অন্যতম সহযোগী হাসু গ্রেফতার পঞ্চম স্ত্রীকে নিয়ে নূর হোসেন এখন ভারতের শিমলায়! নারায়ণগঞ্জে নূর হোসেনের বিরুদ্ধে আরেক মামলা - See more at: http://www.newsevent24.com/2014/06/11/gallery/lifestyle/137095#sthash.ExM64fi2.dpuf

স্বামীকে বেঁধে অসুস্থ স্ত্রীকে ধর্ষণ করলো ছাত্রলীগ নেতা ১১ জুন,২০১৪ নিজস্ব প্রতিবেদক আরটিএনএন ঢাকা: চিকিৎসা নিতে রাজধানীতে এসে হোটেলকক্ষে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ ৷ গত রবিবার গভীর রাতে মগবাজারের এক আবাসিক হোটেলে পাশের কক্ষে স্বামীকে বেঁধে রেখে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ ওই কক্ষ থেকে মহানগর ছাত্রলীগের এক নেতা ও তার এক সহযোগীকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করেছে। রমনা থানার পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল হোসেন (২৭) ও তার সহযোগী উজ্জ্বল মিয়া (৩৩)। তাদের সোমবার আদালতে পাঠালে আদালত তাদের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মঙ্গলবার থেকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। রমনা থানার পুলিশ জানায়, সড়ক দুর্ঘটনায় কিছুদিন আগে ওই গৃহবধূর বাঁ চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ ধানমন্ডির একটি চক্ষু হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন। ওই চোখের চিকিৎসার জন্য তিনি কুমিল্লা থেকে স্বামীর সঙ্গে গত রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় আসেন। তারা মগবাজার মোড়ে হোটেল গোল্ডেন এন প্যালেস নামের আবাসিক হোটেলের দোতলার একটি কক্ষ ভাড়া নেন। রবিবার দিবাগত রাত একটার দিকে ওই কক্ষের দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে ওই দম্পতির ঘুম ভাঙে। গৃহবধূর স্বামী ‘কে’ জিজ্ঞেস করলে জবাব আসে ‘হোটেল মালিক’। এতে তারা দরজা খুলে দিলে ছুরি হাতে চার-পাঁচজন কক্ষে ঢুকে পড়েন। ছুরির মুখে তিনজন তার স্বামীকে পাশের কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে। ওই কক্ষে থাকা দুজনের একজন গৃহবধূকে আটকে রাখেন, অন্যজন ধর্ষণ করে। এ সময় ওই নারী কৌশলে মুঠোফোনে এক আত্মীয়কে বিষয়টি জানালে তিনি রমনা থানার পুলিশকে জানান। পুলিশের একটি দল রাত দেড়টার দিকে ওই হোটেল কক্ষে গিয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার ও ছাত্রলীগ নেতা ইকবালসহ দুজনকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করে। রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার শিকার গৃহবধূ নিজেই রমনা থানায় মামলা করেছেন। সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে এখনো ওই পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানায়, এজাহারে ইকবাল হোসেনকে ধর্ষণকারী ও উজ্জ্বলকে সহায়তাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে৷ ইকবালের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার বাংলাবাজারে এবং উজ্জ্বলের বাড়ি একই জেলার সখীপুর উপজেলার ব্যাপারীকান্দিপাড়া গ্রামে৷ ইকবাল ঢাকার কাঁঠালবাগানের ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে তার বাসা বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। অবশ্য পুলিশকে দেওয়া ইকবালের ঠিকানা অনুযায়ী ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে গিয়ে জানা যায়, সেখানে এ নামের কেউ থাকেন না৷ মগবাজারে গিয়ে ওই আবাসিক হোটেল বন্ধ পাওয়া যায়। রমনা থানার ওসি জানান, ধর্ষণের ঘটনার পর পুলিশ আবাসিক হোটেলটি বন্ধ করে দিয়েছে৷ হোটেলের কোনো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলের ব্যবস্থাপক ও কর্মীদের ভয় দেখিয়ে দরজা খুলতে বাধ্য করেছিলেন ইকবাল ও অন্যরা। যোগাযোগ করা হলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক দাবি করেন, যুগ্ম সম্পাদক পদ থেকে ইকবালকে আগেই বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১০ জুন, ২০১৪


ধর্ষণ নিয়ে ভারতের রাজনীতিকদের উদ্ভট যত মন্তব্য অনলাইন ডেস্ক | আপডেট: ১৮:৩৩, জুন ০৯, ২০১৪ ০ Like ১৫
ভারতে একের পর এক ধর্ষণের প্রতিবাদে সম্প্রতি উত্তর প্রদেশের আইনজীবীরা আদালতের সামনে বিক্ষোভ করেন। ছবি: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়াচলন্ত বাসে মেডিকেলের ছাত্রীকে ধর্ষণ, দুই বোনকে ধর্ষণের পর গাছে ঝুলিয়ে হত্যার মতো একের পর এক এমন অসংখ্য ধর্ষণের ঘটনা ভারতজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা গ্রেপ্তার হলেও থেমে নেই ধর্ষণ। প্রতিদিন ভারতের কোথাও না-কোথাও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেই চলেছে। এটি ভারতের জন্য উত্কণ্ঠার কারণ হলেও রাজনীতিবিদদের মধ্যে যেন কোনো উদ্বেগ নেই। অনেকটাই নির্বিকারভাবে তাঁরা করে যাচ্ছেন একের পর এক দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য। ভারতের রাজনীতিবিদদের এমনই কিছু উদ্ভট মন্তব্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া। ‘ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ ধর্ষণ করে না’ ছত্তিশগড় রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামসেবাগ পাইকরা গত শনিবার বলেছেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ ধর্ষণ করে না। এটা ভুলবশত হয়ে থাকে।’ তাঁর বক্তব্যের মানে দাঁড়ায়, কারও ধর্ষণ করার অভিপ্রায় থাকে না। কিন্তু অজানা কারণে এটি হয়ে যায়। ‘পুলিশ ধর্ষণ বন্ধ করতে পারবে না’ ভোপাল বিধানসভার ১০ বারের নির্বাচিত বিধায়ক বাবুলাল গাড়ুর অবশ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর কোনো আস্থা নেই। তিনি বলেছেন, ‘ঈশ্বর ছাড়া কেউই ধর্ষণ বন্ধ করতে পারবে না।’ ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশের ব্যর্থতাও মানতে নারাজ গাড়ু বলেন, ‘আমি মনে করি, পুলিশ ধর্ষণ বন্ধ করতে পারবে না। কেবল অভিযোগ করার পরই পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে। বদ্ধ ঘর কিংবা জনমানবহীন স্থানে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। আগে থেকে তথ্য না পেলে পুলিশ কীভাবে ধর্ষণ বন্ধ করবে?’ ‘ধর্ষকের ফাঁসি হওয়া উচিত নয়’ সমাজবাদী পার্টির প্রধান মুলায়ম সিং যাদব অবশ্য ধর্ষকদের শাস্তির বিপক্ষে। এক শোভাযাত্রায় তিনি বলেন, ‘ধর্ষককে ফাঁসি দেওয়া উচিত নয়। মানুষ ভুল করতেই পারে। যখন বন্ধুত্ব শেষ হয়, তখনই মেয়েটি অভিযোগ করে, সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে।’ ‘আপনার কিছু তো হয়নি’ উত্তর প্রদেশের বাদাউনে সম্প্রতি ঘটে দলিত সম্প্রদায়ের দুই বোনকে ধর্ষণের পর গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে হত্যার ঘটনা। এই রাজ্যে নারীদের ওপর একের পর এক অমার্জনীয় সহিংসতার ঘটনা নিয়ে সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি ওই নারী সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আপনার কিছু তো হয়নি?’ ‘ঘরে অসভ্যতা নিয়ে এসেছে টেলিভিশন’ সমাজবাদী পার্টির প্রধান মুলায়ম সিং যাদবের আরেক ছেলে রাম গোপাল যাদব মনে করেন, বাদাউনের গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাটি গণমাধ্যম মাত্রাতিরিক্তভাবে প্রচার করে দেশ এবং বিশেষ করে উত্তর প্রদেশের ভাবমূর্তিকে কলঙ্কিত করেছে। তিনি বলেন, ‘টেলিভিশন ঘরের মধ্যে অসভ্যতা নিয়ে এসেছে এবং যুবকদের মন নষ্ট করে দিচ্ছে।’ ‘ধর্ষণের শিকার নারীরও ফাঁসি হওয়া উচিত’ সমাজবাদী পার্টির আরেক নেতা এবং বলিউডের নায়িকা আয়েশা টাকিয়ার শ্বশুর আবু আজমি দাবি করেন, ‘যেসব নারীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক আছে, তাঁরা ধর্ষণের শিকার হলে, ধর্ষকদের সঙ্গে তাঁদেরও ফাঁসি হওয়া উচিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইসলাম ধর্মে ধর্ষণ মৃত্যুদণ্ডের মতো অপরাধ। কিন্তু পুরুষদেরই শুধু শাস্তি হয়, নারীরা দোষী হলেও তাঁদের কিছুই হয় না।’ ধর্ষণ বন্ধে আজমি এক সমাধান দিয়ে বলেছেন, ‘বিবাহিত বা অবিবাহিত কোনো নারী স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছায় পরপুরুষের সঙ্গে যান, তাঁদেরও ফাঁসি দেওয়া উচিত।’ ‘ছাত্রী নয়, সুন্দরী মহিলা’ মেডিকেল শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদ মিছিলে অংশগ্রহণকারী নারীদের ‘সুন্দরী রমণী’ অভিহিত করে আলোচিত হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির ছেলে অভিজিত্ মুখার্জি। ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর মোমবাতি হাতে অংশ নেওয়া মিছিলকারীদের উদ্দেশে তাঁর মন্তব্য ছিল, ‘ওরা কেউ ছাত্রী নয়, সুন্দরী মহিলা।’ ‘ভারতে নয় ইন্ডিয়ায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটে’ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহনরাও ভাগবত বলেছেন আরও অদ্ভুত কথা, ‘শুধু শহরগুলোতেই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, গ্রামে নয়।’ তিনি বলেন, ‘আপনি গ্রামে যান, দুর্গম বন-জঙ্গলে যান, সেখানে ধর্ষণ বা যৌননিপীড়নের মতো কোনো ঘটনা পাবেন না। এগুলো শহর এলাকায়ই ঘটে।’ প্রসঙ্গত, বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ভারতের ধর্ষণের ঘটনাগুলোর ৭৫ শতাংশই গ্রামাঞ্চলে ঘটে থাকে। ‘সাজানো নাটক’ পশ্চিমবঙ্গের অভিজাত এলাকা পার্কস্ট্রিটে গাড়িতে এক নারীকে ধর্ষণের ঘটনাকে ‘সাজানো নাটক’ বলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নাম রটাতেই এ অভিযোগ আনা হয়েছে। http://www.prothom-alo.com/international/article/237226/%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3_%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87_%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%9F_%E0%A6%AF%E0%A6%A4_%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF

এত শক্তি কোথায় পেল তালেবান? অনলাইন ডেস্ক | আপডেট: ১৩:১২, জুন ১০, ২০১৪ ০ Like ৩
পাকিস্তানের হামলার পরে ক্ষতিগ্রস্ত করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাহারা দিচ্ছেন নিরাপত্তাকর্মীরা। ছবি: এএফপিপাকিস্তানের করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত রোববার রাতের হামলার পরে পরিস্থিতি আপাতত শান্ত মনে হলেও ঝুঁকি কমেনি। হামলার দায় স্বীকার করা তালেবান জঙ্গিরা এরই মধ্যে হুমকি দিয়েছে, এর চেয়ে ভয়াবহ হামলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে সরকারকে। এ হামলার ঘটনা এটাই প্রমাণ করে যে পাকিস্তানে তালেবান জঙ্গিরা দিন দিন শক্তিশালী হয়ে উঠছে। তারা যেকোনো সময় যেখানে-সেখানে হামলা চালানোর ক্ষমতা রাখে। গত রোববার দিবাগত রাতে করাচি বিমানবন্দর রক্তাক্ত হয়েছে জঙ্গি হামলায়। নিরাপত্তা বাহিনীর বেশে বিমানবন্দরে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে জঙ্গিরা। এ হামলায় প্রাণ গেছে ৩০ জনের। এর মধ্যে ১০ জন হামলাকারী। বিকেল চারটার দিকে বিমানবন্দরের কর্মকাণ্ড আবার স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, তালেবান জঙ্গিদের এই শক্তি বৃদ্ধির পেছনের কারণ হলো, উজবেক জিহাদি ও আরও কিছু বিদেশি দলছুট জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের সখ্য। ওয়াজিরিস্তান থেকে টেলিফোনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাকিস্তানের একজন তালেবান কমান্ডার বলেন, ‘উজবেক জঙ্গি দলের অন্যতম শাখা ইসলামিক মুভমেন্ট অব উজবেকিস্তান (আইএমইউ) আমাদের বড় শক্তি।’ তিনি বলেন, ‘ওই অভিযানে বিদেশি জিহাদিরা অংশ নেয়। ওয়াজিরিস্তানে সম্প্রতি মার্কিন সেনাবাহিনীর বিমান হামলা চালানোর শোধ নিতে এ ধরনের পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে।’ তালেবান জঙ্গিদের পৌরাণিক দানবির সঙ্গে তুলনা করেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা নাজমুদ্দিন শেখ। তিনি বলেন, ‘আমাদের সৌভাগ্য যে করাচিতে তারা সেভাবে সফল হতে পারেনি।’ আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে ২০০১ সালের পর থেকেই জঙ্গি দলগুলোর মধ্যে এক ধরনের জোট গড়ে উঠেছে। তালেবানদের ঘনিষ্ঠ মিত্র হাক্কানি নেটওয়ার্ক। কিন্তু হাক্কানি ছাড়াও পাঞ্জাবি, চেচেন, আরবীয়, এশীয়, আফগান তালেবানদের মধ্যে জিহাদি অর্থ, আদর্শ ও যোদ্ধাদের বিনিময়ও ঘটেছে। গত রোববার দিবাগত রাতে করাচি বিমানবন্দরে হামলার পরে পাকিস্তানের নিরাপত্তাকর্মীরা নিহত ১০ হামলাকারীর মধ্যে বেশ কয়েকজনকে উজবেক জঙ্গি হিসেবে শনাক্ত করে। পাকিস্তানের বিশ্লেষক ও প্যারেড স্কুল অব গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যাট বোস্টন ইউনিভার্সিটির ডিন আদিল নাজাম বলেন, এ ধরনের হামলা যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। তিনি বলেন, তালেবান জঙ্গিদের মধ্যে এখন দলছুট অনেক জঙ্গি ঢুকে পড়েছে। তারা সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন কৌশলে সংঘর্ষ তৈরি করছে। পরিস্থিতি এখন রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা যায় কি না, সেটিই দেখার বিষয়। পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিক শায়েখ বলেন, টিটিপি (তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান) আলোচনার সব পথ বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি বলেন, যদি তালেবান শক্তভাবে শিকড় গেড়ে বসে, তাহলে তারা ডালপালা ছড়াবে।

গরীব হয়ে বেচে থাকার যন্ত্রনা থেকে মুক্তি নিতে, সুসাইড নোট লিখে যুবকের আত্মহত্যা ! সময় : 9:14 pm । প্রকাশের তারিখ : 09/06/2014
চাঁদপুর প্রতিনিধি, মুন্সী মোহাম্মদ মনির : suicide-noteচাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার অগ্রণী ব্যাংকের আনসার সদস্য গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহত আনসার সদস্যের নাম মোঃ মনিরুল ইসলাম (২৭) । সে পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিস্বর্ণা গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে। ব্যাংক ও হাজীগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১ নভেম্বর আনছার সদস্য হিসেবে হাজীগঞ্জ অগ্রণী ব্যাংক শাখায় যোগদান করে । গত ৭ জুন শনিবার আনুমানিক রাত ৩টায় এ ঘটনা ঘটে । অগ্রণী ব্যাংক ম্যানেজার মোঃ লোকমান হাজরা জানান, রবিবার সকালে ব্যাংকের ঝাড়–দার মঞ্জুমা খাতুন এসে ব্যাংকের গেইট খোলার জন্য ডাকাডাকি করে । এক পর্যায় কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে ব্যাংকের কর্মকর্তা বোরহান উদ্দিনকে খবর দেয় । পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে বোরহান উদ্দিন আমাকে বিষয়টি জানান । এর পর পরই আমি হাজীগঞ্জ থানাকে অবহিত করি এবং তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় বলে তার নিজ হস্তে একটি পত্র লিখে যান । এ ঘটনার পর পরই হাজীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক আঃ রশিদ মজুমদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

সোমবার, ২ জুন, ২০১৪


পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাবে বাড়ছে লিভ টুগেদার 670 662 Google +2 5 1 0 ঢাকা, জুন ০১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাসান ও সুবর্ণা। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে জড়িয়ে পড়ে প্রেমের সম্পর্কে। এরপর ঘনিষ্ঠতা এবং আজিমপুরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে একত্রে বসবাস শুরু করেন। হাসান সুবর্ণার মতো ঢাকা শহরে অনেক ছেলে মেয়েই এখন বিয়ে না করে একত্রে বসবাস করছেন। পশ্চিমা বিশ্বে এ ধরনের সম্পর্ককে বলা হচ্ছে লিভ টুগেদার। এই লিভ টুগেদার চর্চা ঢাকা শহরে দিন দিন বাড়ছে। রাজধানীর মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে মেয়েরাও এখন আগ্রহী হয়ে উঠছে এ ধরনের সম্পর্কে। এতে করে বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহ হারাচ্ছে আজকের তরুণ প্রজন্ম। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ঢাকার লিভ টুগেদার নিয়ে নানা চমকপ্রদ তথ্য। উচ্চবিত্তের দরজা পেরিয়ে লিভ টুগেদার এখন পৌঁছে গেছে মধ্যবিত্তের দরজায়। অনেক টিনেএজও নিজেদের জড়িয়ে নিচ্ছেন এ গন্তব্যহীন সম্পর্কে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যেই এ প্রবণতা বেশি। অনেকেই নিজেদের বিলাসবহুল জীবনের চাহিদা মেটানোর জন্য এ সম্পর্কের মধ্যে নিজেদের জড়িয়ে নিচ্ছেন। আমাদের শোবিজের অনেক সেলিব্রেটিই ইদানীং ঝুঁকে পড়ছেন লিভ টুগেদারে। প্রায়ই তাদের এই নিয়ন্ত্রণহীন সম্পর্কের জন্য বিভিন্ন পত্রিকার শিরোনাম হতে দেখা যায়। এদের মধ্যে কিছু আলোচিত জুটি হলো জেনি-শুভ, শোয়েব-মৌসুমী নাগ, নিরব-সারিকা, হৃদয় খান-সুজানা। আবার হিলে�াল-নওশিনের মতো কোন কোন তারকা জুটিকে চুটিয়ে লিভ টুগেদার করার পর বিয়ের সামাজিক বন্ধনে আবদ্ধ হতে দেখা গেছে। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, সমাজের মূল্যবোধের পিলারে ক্ষয় সৃষ্টির কারণেই এসব ঘটনা ঘটছে। হাসান এবং সুবর্ণা জানান আমাদের মধ্যে বাধা-ধরা কিছু নেই। এ সম্পর্ককে কোন সামাজিক রূপ দেবেন কি না, তাও তারা জানেন না। লিভ টুগেদার আর বহুমুখী এ সম্পর্কের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. নাসরীন ওয়াদুদ বলেন, লিভ টুগেদার বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আর এর ব্যাপক বৃদ্ধির কারণ হলো আমাদের সমাজে যে পিলারগুলো ছিল তা ক্ষয়ে যাচ্ছে। আমাদের রাষ্ট্রসমাজ তথা পরিবার ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পারিবারিক যে শিক্ষা ছেলে মেয়োরা সেভাবে নিচ্ছে না। আর অপসংস্কৃতির প্রভাব তো আছেই। যাতে প্রভাবিত হয়ে এখনকার ছেলেমেয়েরা এসবের দিকে প্রভাবিত হচ্ছে। উচ্চবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়ের মধ্যে যেমন এর প্রবণতা আছে, এর সঙ্গে সঙ্গে এখন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েকে এদিকে বেশি ঝুঁকতে দেখা যাচ্ছে। আর এসবের কারণে সমাজ হারিয়ে ফেলছে তার পরিচয়। এখন মানুষ বিবাহ বন্ধনে বিশ্বাসী না। তারা মনে করে এতে অনেক দায়িত্ব, তাই নিজেরা নিজেদের মতো করে এ সম্পর্ক গড়ে তুলছে, যাতে তারা পূর্ণ স্বাধীনতা পেতে পারে। আর এসবের কারণে বাড়ছে ডিভোর্স। ভালবাসা শুধু এখন দেহনির্ভর। যার মধ্যে নেই মনের কোন আবেদন। আর এসবের কারণে দিন দিন সমাজ ধাবিত হচ্ছে ধ্বংসের দিকে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আশরাফ আলীর মতে, ছেলে-মেয়েদের বিয়ের জন্য উৎকৃষ্ট বয়স ২২ থেকে ২৮ বছর। কিন্তু আমাদের দেশের বেশীরভাগ ছেলে মেয়ে ৩০ বছরেও নিজেদের ক্যারিয়ারে নির্ভরতার জায়গায় দাড়াঁতে পারে না। ফলে বিয়ে করার মতো দায়িত্ববোধ তাদের মধ্যে তৈরি হয় না। সামাজিক দায়িত্ব এড়াতেই ছেলে মেয়েরা লিভ টুগোদারের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। লিভ টুগেদার এর একটা বাস্তব গল্প শুনিয়ে শেষ করবো। একই জেলা শহর থেকে ঢাকায় পড়তে এসেছেন শামীম এবং তানিয়া। নিজেদের মধ্যে পূর্ব পরিচয় ঢাকায় এসে আরো ঘনিষ্ঠতায় রূপ নেয়। সম্পকর্কের ঘনিষ্ঠতার সূত্রে শামীম তখন তানিয়ার সঙ্গে শারিরীক সম্পর্ক তৈরি করতে আগ্রহ দেখায়। কিন্তু তানিয়া সামাজিক মূল্যবোধের কথা চিন্তা করে এবং দুজন গোপনে বিয়ের কথা বলে। কিন্তু শামীম এখনই বিয়ে করতে রাজী নয়, নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তারপর বিয়ে করতে চাই। তখন দুজন পবিত্র ধর্ম গ্রন্থ ছোঁয়ে পরষ্পরের পাশে থাকার শপথ নেয় এবং একত্রে বসবাস শুরু করে। কিন্তু ৭/৮ মাস যাওয়ার পরই শামীম ব্যস্ত হয়ে পড়ে তার ক্যারিয়ার নিয়ে। এদিকে তানিয়া চাপ দিতে থাকে সামাজিকভাবে বিয়ে করার জন্য। কিন্তু শামীম এখন আর এই সম্পর্কটাকে টিকিয়ে রাখার ব্যপারে খুব একটা আগ্রহ দেখায় না। কিন্তু তানিয়া যে কোন মূল্যে এ সম্পর্কটাকে টিকিয়ে রাখতে চাই। এই ঘটনাটির সাইকোলজিক্যাল ব্যাখা জানতে চাইলে মানোবিজ্ঞানী ইসরাত খান বলেন, শামীম আসলে শারীরিক সম্পর্কটাকেই গুরুত্ব দিয়ে এই প্রেমের সম্পর্কটা তৈরি করেছিলো। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় সম্পর্ক শুরুর সময় শারীরিক বিষয়টা প্রাধান্য পায়। লিভ টুগেদারের পর শামীমের সেই চাওয়া পূর্ণ হয়ে গেলে সে সম্পর্কটার ব্যপারে আগ্রহ হারায়। যেহেতু সামাজিকভাবে কোন চাপ নাই, তাই শামীমের পক্ষে সম্পর্কটা ভেঙ্গে দেয়া অনেক সহজ। যদি সামজিকভাবে তাদের বসবাসের স্বীকৃতি থাকতো তাহলে হয়তো এমন সহজভাবে সম্পর্কটা ভেঙ্গে দেয়ার ব্যাপারে শামীম ভাবতে পারতো না। ছেলে মেয়েদের মধ্যে শারীরিক আকর্ষণ ২ থেকে ৩ বছর পর আর খুব একটা থাকে না। এরপর সামাজিক দারবদ্ধতা এবং পারষ্পরিক ভালোবাসার মধ্য দিয়ে এ সম্পর্কগুলো টিকে থাকে। লিভ টুগেদারের মধ্যে শুধুই শারীরিক আকর্ষণ কাজ করে সেখানে ভালোবাসাটা কম গুরুত্ব পায়। শারীরিক সম্পর্কের মোহ কেটে গেলে সম্পর্কটাকে ভেঙ্গে দেয়া হয়। - See more at: http://sharenews24.com/index.php?page=details&nc=05&news_id=41839#sthash.d9nQp5Mt.NYaxo7i3.dpuf