বুধবার, ৮ জানুয়ারি, ২০১৪


তিনটি কেস ষ্টাডি

ঃ সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, মিডিয়ার প্রচার বনাম বাস্তবতা (আপডেট, ভিডিও)

লিখেছেন লিখেছেন এক্টিভিষ্ট ০৮ জানুয়ারি, ২০১৪, ০৩:০৩:০৫ দুপুর << আগের পোস্ট পরের পোস্ট >>
ছবিঃ রক্ষক যখন ভক্ষক হয়
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়টি বাংলাদেশে নতুন কিছু নয়। যুগ যুগ ধরে এখানে সব ধর্মের মানুষ পাশাপাশি বসবাস করছে। কিন্তু সাম্প্রতিক কালে শুধু মাত্র রাজনৈতিক কারনে ব্যবহার করা হচ্ছে এই সাম্প্রদায়িক দাজ্ঞার ইস্যুটি। এক্ষেত্রে, মিডিয়া পালন করছে প্রধান ভুমিকা। ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই কোন রকম তদন্ত, বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই মিডিয়া দায় চাপাচ্ছে এক পক্ষকে। ফলে ধাপা চাপা পড়ে যাচ্ছে প্রকৃত ঘটনা। বেচে যাচ্ছে প্রকৃত অপরাধীরা। থামছে না এই সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প। নিকট অতীতের ঘটে যাওয়া তিনটি আলোচিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা আমরা বিশ্লেষণ করবো এভাবে----
কেস ষ্টাডি -১ ঃ সাথিয়া, পাবনা গত নভেম্বর ২০১৩ শুরুর দিকে আলোচিত ছিল এই ঘটনাটি। নানা কারনে আলোচিত হয় সেটি। কারন একদিকে এটি ছিল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর নির্বাচনী এলাকা, অন্যদিকে এটি আবার জামায়াত (যাদেরকে মিডিয়া মুলত দায়ী করে থাকে বেশীরভাগ ঘটনায়) আমীর মতিউর রহমান নিজামীরও নির্বাচনী এলাকা। ফলে ঘটনায় জামায়াত জড়িত, এটা প্রচার করতে মিডিয়ার বেগ পেতে হয়নি। ২ নভেম্বর ঘটনাটি ঘটার পর অন্যান্য পত্রিকার মধ্যে ৪ নভেম্বর ২০১৩ ইত্তেফাক যেভাবে রিপোর্ট করে, ২৫ বাড়ি মন্দির ভাংচুর, আগুন , সাঁথিয়ায় হিন্দুপাড়ায় আতংক, গ্রেফতার ১ বিএনপি জামায়াতের ২০ নেতাকর্মীসহ আসামি তিনশ' পাবনা জেলার সাঁথিয়ায় হিন্দু পাড়ায় বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলা এবং অগ্নিসংযোগের পর এলাকার তিনশ'র বেশি হিন্দু পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। গ্রামের বাসিন্দা হেনা সাহা বলেন, 'রাতে ঘুম হয় নাই। কখন যেন বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়- এই ভয়ে সারা রাত ঘুমাইনি'। এদিকে এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতের ২০ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে গতকাল তিনশ' লোককে আসামি করে পুলিশ মামলা করেছে। এ ঘটনায় রেজাউল করিম নামে বিএনপির এক সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইত্তেফাকের পুরো নিউজটা পড়ুন, ২৫ বাড়ি মন্দির ভাংচুর, আগুন সাঁথিয়ায় হিন্দুপাড়ায় আতংক, গ্রেফতার ১ বিএনপি জামায়াতের ২০ নেতাকর্মীসহ আসামি তিনশ' পাবনা প্রতিনিধি ও সাঁথিয়া সংবাদদাতা পাবনা জেলার সাঁথিয়ায় হিন্দু পাড়ায় বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলা এবং অগ্নিসংযোগের পর এলাকার তিনশ'র বেশি হিন্দু পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। গ্রামের বাসিন্দা হেনা সাহা বলেন, 'রাতে ঘুম হয় নাই। কখন যেন বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়- এই ভয়ে সারা রাত ঘুমাইনি'। এদিকে এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতের ২০ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে গতকাল তিনশ' লোককে আসামি করে পুলিশ মামলা করেছে। এ ঘটনায় রেজাউল করিম নামে বিএনপির এক সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য গতকাল প্রশাসনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা করা হয়। এছাড়া ঘটনা তদন্তে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বনগ্রামের বাবুল সাহার ছেলের ফেসবুক একাউন্ট থেকে হযরত মুহাম্মদ (স.) কে কটূক্তি ও তার ব্যঙ্গ চিত্র প্রকাশ করার অভিযোগে শনিবার দুপুরে উত্তেজিত জনতা বাবুল সাহাসহ ২৫টি হিন্দু বাড়িতে হামলা চালায় ও আগুন লাগায়। শত শত উচ্ছৃঙ্খল যুবক বাবুল সাহার বাড়িতে ঢুকে ভাংচুরসহ অগ্নিসংযোগ করে। এছাড়াও তারা রাজকুমার, নবশিল, কালা মাস্টার, সুধীর সাহা, অনিল মাস্টার, সুবাস সাহা, নিতাই ঘোষ, সুকুমার রায়, ডা. উত্তম, বিষ্ণু সাহা, চিত্র কর্মকারসহ ২৫টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘর ও ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ কয়েক কোটি টাকার মালামাল লুট করে। ভাংচুর চালানো হয় পারিবারিক পাঁচটি মন্দিরে। ঐ দিনের তাণ্ডবের কারণে হিন্দু সমপ্রদায় কালী পূজা উদযাপন করতে পারেনি। পরে পুলিশ প্রশাসন ও র্যাব সদস্যরা এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ধ্বংসলীলার পর এলাকার তিন শতাধিক হিন্দু পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। অনেকে ভয়ে নিজেদের বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। বনগ্রাম হিন্দু পাড়ায় গেলে দেখা যায় দিনের তাণ্ডবের দৃশ্য। সাংবাদিকদের দেখে কান্নাজড়িত কণ্ঠে রাজ কুমারের স্ত্রী চায়না সাহা বলেন, 'আমার বাড়ি ভাংচুরের সময় যুবকরা কানে থাকা স্বর্ণের দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেছে।' কালা মাস্টারের বৃদ্ধ মা বিষ্ণু সাহা বলেন, 'আমার কিছু নাইরে বাবা। ওরা সব কিছু নিয়ে গেছে।' অনিল সাহার মা হেনা সাহা জানান, 'রাতে ঘুম হয় নাই। কখন যেন বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়, এই ভয়ে সারারাত ঘুমাইনি।' ওই দিন সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শামসুল হক টুকু। তিনি বলেন বনগ্রামের ঘটনা কক্সবাজারের রামুর মতো পরিকল্পিত। এলাকায় আর কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে এ জন্য পুলিশ প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিন, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ। হিন্দু সমপ্রদায়ের বাড়িতে হামলা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও মন্দির ভাংচুরের ঘটনায় গতকাল রবিবার দুপুরে সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী এডিশনাল ডিআইজি খোরশেদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন পাবনা জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিন, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, পাবনা র্যাব-১২ কমান্ডার মেজর মঈন উদ্দিন, বিশিষ্ট কলামিষ্ট রণেশ মৈত্র, পাবনা জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি গণেশ সাহা ও সাঁথিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন। এ ঘটনায় পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গতকাল সকালে পাবনা জেলা প্রশাসন ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখার উদ্যোগে সন্ধ্যার আগে পাবনা প্রেসক্লাবের সামনে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি গণেশ ঘোষ, পাবনা জেলা পূজা উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা রণেশ মৈত্র, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি চন্দন ঠাকুর, সাধারণ সম্পাদক বিনয় জ্যোতি কুন্ডু প্রমুখ। তারা অবিলম্বে হিন্দু পরিবারের উপর হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে বিচারের দাবি জানান। তদন্ত কমিটি :পাবনার এডিএম মনিরুজ্জামানকে আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম মোস্তাইমুন সায়েম ও আইটি বিশেষজ্ঞ মাহফুজুল আলমকে সদস্য করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও সাঁথিয়া উপজেলা প্রশাসন থেকে পৌর মেয়র মিরাজুল ইসলাম প্রাংকে আহ্বায়ক ও আতাইকুলা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কোরবান আলী, ক্ষেতুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম কাশু, গৌরিগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলম ও ভুলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আ. আজিজকে সদস্য করে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
একই ঘটনার জন্য দেখুন, প্রথম আলোর ৩ নবেম্বর ২০১৩ রিপোর্ট
রামুর মতোই গুজব ছড়িয়ে বিক্ষোভ, ভাঙচুর, আগুন সাঁথিয়ায় সংখ্যালঘুদের বাড়িতে হামলা পাবনা অফিস | আপডেট: ০৮:১৩, নভেম্বর ০৩, ২০১৩ | প্রিন্ট সংস্করণ ১২১ পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রাম ও ঘোষপাড়ায় বেশ কয়েকটি হিন্দু বাড়ি ও মন্দিরে হামলা চালানোর পর সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ছবিটি বনগ্রামের ব্যবসায়ী বাবলু সাহার বাড়ি থেকে গতকাল দুপুরে তোলা ষ প্রথম আলোফেসবুকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে কটূক্তির গুজব ছড়িয়ে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় গতকাল শনিবার বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের ২০-২৫টি বাড়ি এবং দুটি মন্দিরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বনগ্রাম বাজারে সকাল ১০টায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, স্থানীয় ব্যবসায়ী বাবলু সাহার ছেলে রাজিব সাহা (১৫) ফেসবুকে মহানবী (সা.) সম্পর্কে কটূক্তি করেছে। এ খবরে বাজারের কিছু ব্যবসায়ী উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। বেলা ১১টার দিকে ফেসবুকের একটি পাতার ফটোকপি বাজারে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। কথিত ফেসবুক পাতার ফটোকপিতে নামসহ কভার ছবি, প্রোফাইল ছবি ও একটি পোস্ট ছিল। ফেসবুক পাতাটির নাম ছিল আপত্তিকর এবং কভারে ছিল আপত্তিকর একটি কার্টুন। ফেসবুক পাতার ফটোকপি ছড়িয়ে পড়ার পর পাড়া-মহল্লায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা বনগ্রাম বাজারে বাবলু সাহার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাঁর ছেলেকে হাজির করতে বলে। কিন্তু তিনি ছেলেকে হাজির না করায় উত্তেজিত জনতা আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে বাজারের মাঝ দিয়ে যাওয়া ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘোষপাড়ার একটি মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয় ষ ছবি: প্রথম আলোপ্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যখন বিক্ষোভ চলছিল, তখন কিছু যুবক মহাসড়কের পাশের বনগ্রামের ঘোষপাড়া ও সাহাপাড়ায় ভাঙচুর শুরু করে। তারা প্রথমে সাহাপাড়ায় বাবলু সাহার বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করে। পরে ঘোষপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের আরও প্রায় ২৫টি বাড়ি ও দুটি মন্দির ভাঙচুর করে। তারা বনগ্রাম বাজারে বাবলু সাহার দোকানসহ কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করে। এ সময় অন্য দোকানদারেরা বাবলু সাহাকে একটি কক্ষে লুকিয়ে রাখেন। খবর পেয়ে সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতা তাদের বাধা দেয়। বেলা দেড়টার দিকে পাবনার পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেঞ্চদের নেতৃত্বে পুলিশ ও র‌্যাবের একটি বড় দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাবলু সাহাকে উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আসে। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাবুল সাহা লেখাপড়া জানেন না। ফেসবুক কী, তিনি বোঝেন না। তাঁর ছেলে রাজীব সাহা উপজেলার মিয়াপুর হাজী জসিম উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র। সে ফেসবুক ব্যবহার করে কি না, সে সম্পর্কে তার সহপাঠী ও প্রতিবেশীরাও কিছু জানেন না। ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যরা ঘটনার আকস্মিকতায় হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। হামলার সময় তাঁরা অনেকে আত্মগোপন করেন। পরে সন্ধ্যার দিকে তাঁদের বেশির ভাগ বাড়িঘরে ফিরে এলেও চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। আতাইকুলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কোরবান আলী বিশ্বাস জানান, তাঁরা এলাকার খোঁজখবর রাখছেন। তবে ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যমূলক বলে মনে করছেন তিনি। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে পাবনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুন্সি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা এখনো ঘটনাস্থলেই রয়েছি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’ এর আগে গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের রামুতে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে বৌদ্ধপল্লিতে হামলা করা হয়। এতে ১২টি বৌদ্ধবিহার এবং ৩৪টি বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরদিন পাশের উখিয়া ও টেকনাফেও সাতটি বৌদ্ধবিহার ও ১১টি বসতিতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। উত্তম বড়ুয়া নামের এক যুবকের ফেসবুকে পবিত্র কোরআন শরিফের অবমাননার ছবি পাওয়া গেছে—এমন অভিযোগ তুলে এ হামলা চালানো হলেও তদন্তে তা প্রমাণিত হয়নি। নিন্দা-প্রতিবাদ: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ পাবনা জেলা শাখার সভাপতি চন্দন কুমার চক্রবর্তী। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে কটূক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এ ধরনের কাজ করতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করি না। এটি একটি ষড়যন্ত্র বলে আমাদের ধারণা।’



সার কথা হলো, হিন্দুদের বাড়ি-ঘর, মন্দিরে হামলা হয়েছে। এর জন্য দায়ী জামায়াত-বিএনপি। ফলে তাদের কয়েকজন নেতা কর্মীকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। ব্যস, খেলা এখানেই শেষ। থেমে গেল মিডিয়া প্রচার। মনে হয় প্রকৃত অপরাধী ধরা পড়ে গেছে। না, ধীরে ধীরে বের হতে থাকে প্রকৃত ঘটনা, দেখুন--- ছবিঃ সাথিয়া ঘটনার মুল নায়ক মিঠু (লাল গোল চিহ্ন) স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টুকুর সাথে মিছিলে ক. ৭ নভেম্বর ২০১৩, The Daily Star, Some attackers seen with Tuku শিরোনামে লিখেছে, Mithu, one of the men alleged to have vandalised over 100 Hindu houses and temples, inset, at Bonogram in Santhia of Pabna on Saturday, is seen behind State Minister for Home Shamsul Hoque Tuku when he visited the area yesterday. পুরো নিউজ দেখুন এখানে,

Some attackers seen with Tuku M Abul Kalam Azad and Ahmed Humayun Kabir Topu, Pabna Related News Same extorters active for long Stop attacks on Hindus Hindus attacked in Pabna Attack on Hindus Mithu, one of the men alleged to have vandalised over 100 Hindu houses and temples, inset, at Bonogram in Santhia of Pabna on Saturday, is seen behind State Minister for Home Shamsul Hoque Tuku when he visited the area yesterday. Photo: Rashed Shumon Some of the alleged culprits of Saturday’s attack on Hindu community in Pabna were yesterday seen with State Minister for Home Shamsul Hoque Tuku and two lawmakers in the affected Bonogram village. With Tuku, Disaster Management and Relief Minister Abul Hasan Mahmud Ali and State minister for LGRD Jahangir Kabir Nanak visited Bonogram yesterday, four days after vandalism and looting of over 100 Hindu houses had taken place in Sahapara and Ghoshpara areas. Interestingly, during the visit, the state minister claimed that his party men had tried to save the Hindu families. Mithu and Rubel, who according to villagers were among the attackers, were prominently seen welcoming the ministers and taking part in a rally organised by the local administration protesting Saturday’s violence. The Daily Star took photos of Mithu and Rubel, both aged between 20 and 25 years. Seeing the photos, the victim families and locals vehemently said that both had taken part in the vandalism and looting. Mithu was seen around the ministers all the time and chanting slogans with others. Asked, locals said Mithu and Rubel of nearby Miapur village are known as local thugs. But the villagers could not confirm their political identity. “Another youth named Ani, who also had been with the attackers, was also seen in the programme,” said a trader of Bonogram bazar. Hailing from Gouripur, Ani is also known in the area as a mugger and extortionist. He is involved in an underground party along with his uncle, alleged locals. While talking to affected Hindu women in Ghoshpara, State Minister Tuku said, “Our leaders and workers tried to save you risking their lives. But by the time, some damage had already been done.” “You stay with courage … our activists are here,” he told them. The ministers were also flanked by Inspector General of Police (IGP) Hasan Mahmud Khandker and RAB Director General Moklesur Rahman. The IGP enquired whether the villagers were still in panic. In response a woman said as long as police are with them they feel secured, but do not know what will happen when there is no police protection. The IGP claimed that police were very active in arresting the attackers. But in reality police could not arrest a single person who took part in the attack. So far they have arrested 10 people — all accused in a case filed by police for assaulting cops during a road blockade at Bonogram bazar. “I named 20 persons in my case for attacking and looting my house, but none of them have been arrested,” said Babul Saha, who came under a mob attack on a rumour that his son had maligned the Prophet in facebook. Some locals and police rescued him. Police could not also nab any of the youths who challenged Babul at his shop that day for his son’s alleged act. Yesterday, several hundred bikers welcomed the ministers at Santhia when they reached there in a helicopter. The supporters then accompanied them to Bonogram. Meanwhile, the rally there actually looked like a showdown against BNP-Jamaat to gain political benefit rather than having the attackers arrested or punished. The ministers said the prime minister had sent them to talk to the victims and report to her, and that she had expressed deep sympathy and assured of all kinds of assistance. Pointing finger at BNP and Jamaat, Nanak told the rally that the attack in Bonogram was like those carried out in 1971, in Ramu and many other places in the country. He urged all to fight the evil forces unitedly. Nanak claimed that the local administration promptly acted during the attack, but in fact, police failed to reach the Hindu villages even in two-and-a-half hours. While visiting the damaged houses and talking to the victims, Tuku was also seen seeking votes for himself in the next general elections. “My symbol is boat … remember it,” Tuku told villagers waving his hands.


খ. আরো কিছু দিন পর ১৩ নভেম্বর ২০১৩, গ্রেফতার হন খোদ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বেয়াই। হিন্দুদের ওপর হামলা, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিয়াই তসলিম উদ্দিন খানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দেখুন সেই নিউজটি, পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি, মন্দির ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল ইসলাম টুকু'র বিয়াই তসলিম উদ্দিন খানকে (৩৫) মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত তসলিম বনগ্রাম মিয়াপাড়ার আলহাজ মোসলেম উদ্দিন খানের ছেলে। তসলিম ছাড়াও আতাইকুলা থানার বনগ্রাম ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি আব্দুর রহমান খাঁজা এবং যুবলীগ কর্মী দুলালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গত ১০ দিনে ১৫ জন গ্রেপ্তার হলো। পরিবর্তন ডট কম থেকে,

হিন্দুদের ওপর হামলা, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিয়াই গ্রেপ্তার
১৩ নভেম্বর ২০১৩ ১৪:৫৫ টা হিন্দুদের ওপর হামলা, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিয়াই গ্রেপ্তার পাবনা প্রতিনিধি • পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি, মন্দির ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল ইসলাম টুকু'র বিয়াই তসলিম উদ্দিন খানকে (৩৫) মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত তসলিম বনগ্রাম মিয়াপাড়ার আলহাজ মোসলেম উদ্দিন খানের ছেলে। তসলিম ছাড়াও আতাইকুলা থানার বনগ্রাম ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি আব্দুর রহমান খাঁজা এবং যুবলীগ কর্মী দুলালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গত ১০ দিনে ১৫ জন গ্রেপ্তার হলো। এদিকে অধিক তদন্তের স্বার্থে মঙ্গলবার পুলিশের দায়ের করা দুটি এবং ক্ষতিগ্রস্থ বাবলু সাহার একটি মামলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে, এই মামলায় গ্রেপ্তারকৃত বিএনপি কর্মী জহুরুল ইসলাম মঙ্গলবার আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বনগ্রাম মধ্যপাড়ার আমিন ড্রাইভারের ছেলে। পাবনার জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট লায়লা শারমীনের আদালতে জহুরুল ইসলামে তার স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দিতে বলেন, হযরত মোহাস্মদ (স.) সম্পর্কে বাবলু সাহার ছেলে রাজিব সাহা যে স্ট্যাটাস দিয়েছিল সে সম্পর্কিত একটি প্রিন্ট কপি ওই এলাকার খোকন নামের এক যুবলীগ সমর্থক তার মালিকানাধীন রংধনু ফটোস্ট্যাটের দোকানে এনে প্রথম ফটোকপি করে। পরে এটি এক হাত থেকে অন্য হাতে চলে যায়। বিএনপি-আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের কর্মী সমর্থকরা এই হামলায় নেতৃত্ব দেয় বলে সে স্বীকার করে। তবে এটি কোন সর্বদলীয় হামলা ছিল না বলে সে আদালতকে জানায়। বনগ্রামের বাবলু সাহা বাদী হয়ে ২০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২০০/২৫০ জনের নামে মামলা করে। এছাড়া পুলিশ বাদী হয়ে ২টি মামলা করে। বাবলু সাহার দায়ের করা মামলায় যাদের নামীয় আসামী করা হয়েছে তাদের মধ্যে মাত্র তিন জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার আগের দিন পহেলা নভেম্বর শুক্রবার সকালে উপজেলার রসুলপুর, মিয়াপুর, বহালবাড়িয়া, পূর্বপাড়া, পাইকপাড়া, বনগ্রাম চইরাপাড়া গ্রামের জাকির হোসেন, দোলোয়ার হোসেন মানিক, খোকন, ফজলু-১, পুর্বপাড়ার ফজলু, মান্নানের নেতৃত্বে যুবলীগ, বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থক ১০/১২ যুবক যুবক একজোট হয়ে ফেসবুকের কপি রঙধনু ফটোষ্ট্যাটের দোকান থেকে প্রিন্ট করে বাবলু সাহার দোকানে গিয়ে তার উপর চড়াও হয় এবং তার ছেলে রাজিব ফেসবুকে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.) সম্পর্কে কটুক্তি করেছে বলে অভিযোগ করে। একই সাথে রাজিবকে তাদের কাছে তুলে দেওয়ার দাবিও জানায়। এ সময় তারা পরের দিন শনিবার দুপুর ১২টায় বনগ্রাম বাজারে এ ঘটনার প্রতিবাদে সমাবেশ আহবান করে। তাদের আহবানে সাড়া দিয়ে এলাকার শত শত মানুষ পাবনা-নগরবাড়ী মহাসড়কে গাছের গুড়ি ফেলে রাস্তা অবরোধ করে। পাবনার পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেদ জানান, ঘটনাটি অধিক তদন্তের স্বার্থে পুলিশের দায়ের করা দুটি এবং ক্ষতিগ্রস্থ বাবলু সাহার দায়ের করা একটি মামলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, মঙ্গলবার গোয়েন্দা পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আরো ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ জনে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর আত্মীয়ও গ্রেপ্তার হয়েছে এমন প্রশ্নে পুলিশ সুপার বলেন, কে কার আত্মীয় সেটি পুলিশের বিষয় নয়। বিষয় অপরাধী। অপরাধী যে হোক, তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এএএস/এমএইচ/এএসটি
অন্যপত্রিকা গুলো লিখেছে চাপে পড়ে পরে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিয়াই তসলিম উদ্দিন খানকে ছেড়ে দেয়া হয়। গ. বিডিনিউজ২৪ লিখেছে, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় এই ঘটনার অন্য আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরলেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না বলে অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন হিন্দু নারী। দেখুন সেই নিউজ,

সাঁথিয়ায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টুকুর আত্মীয়কে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ পাবনা প্রতিনিধি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Published: 2013-11-12 23:03:09.0 BdST Updated: 2013-11-12 23:17:48.0 BdST পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় হিন্দুদের ওপর হামলায় জড়িত থাকার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর এক আত্মীয়কে ‘আটকের’ পর ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। Print Friendly and PDF 6 7 543 Related Stories সাঁথিয়া হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ: মিজান 2013-11-07 18:28:10.0 সাঁথিয়ার হিন্দু পল্লীতে আতঙ্ক 2013-11-11 15:41:42.0 তসলিম উদ্দিন খান (৩৫) নামে ওই ব্যক্তির ছোট ভাই মোস্তাক খান স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বড়ভাই আব্দুস সাত্তারের জামাতা। তিনি আতাইকুলা ইউনিয়নের মিয়াপুরের মোসলেম উদ্দিন খানের ছেলে। পাবনার পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেদ প্রথমে প্রতিমন্ত্রীর আত্মীয় তসলিমকে আটকের খবর জানালেও গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মীর্জা আব্দুস সালাম তা অস্বীকার করেন। প্রতিমন্ত্রীর ভাইয়ের জামাতা মোস্তাক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ভাইকে (তসলিম) গোয়েন্দা পুলিশ আটক করেছিল। জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দিয়েছে।” গত ১ নভেম্বর রাতে উপজেলার বনগ্রাম এলাকার দশম শ্রেণির ছাত্র রাজীব সাহার (১৭) ফেইসবুক পাতায় নবীকে কটূক্তি করে স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরদিন কালী পূজার দিনে রাজীব সাহার বাড়িসহ স্থানীয় হিন্দুদের অন্তত ৩৫টি বাড়ি, তিনটি মন্দির ও ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাট চালানো হয়। ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মঙ্গলবারও দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। এর মধ্যেই বিকালে মিয়াপুর বাজারে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে তসলিমকে গোয়েন্দা পুলিশ তুলে নিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান। এই বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার মিরাজ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় তসলিমকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।” আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মীর্জা আব্দুস সালাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “তসলিমকে আটক করা হয়নি।” হিন্দুদের ওপর এই হামলার জন্য ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বিরোধী দলের কর্মীদের দায়ী করে আসছে। অন্যদিকে বিএনপি বলছে, সরকারি দলের লোকরা এই কাজ করে এখন বিরোধী দলের ওপর দায় চাপাতে চাইছে। সাম্প্রদায়িক হামলায় জড়িত সন্দেহে সুজানগর উপজেলার পোড়াডাঙ্গা বাজার থেকে মঙ্গলবার দুজনকে আটক করা হয়েছে বলে গোয়েন্দা পুলিশের এই কর্মকর্তা। তারা হলেন- বনগ্রাম ৪ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগ সভাপতি আব্দুর রহমান খাজা এবং কুমিরগাড়ি গ্রামের মৃত আজহার শেখের ছেলে দুলাল। কথিত কটূক্তিকারী রাজীবের বাবা বাবলু সাহা ২০ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় ৩০০ জনকে আসামি করে আতাইকুলা থানায় মামলা করেনছেন। এর আগে তথ্য প্রযুক্তি আইনে করা মামলায় স্থানীয় রংধনু ফটোস্ট্যাটের মালিক আমিমুল এহসানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ নিয়ে গত ১০ দিনে মোট ১৪ জন গ্রেপ্তার হল। এদিকে বাবলু সাহার করা মামলার আসামিদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় এই ঘটনার অন্য আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরলেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না বলে অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন হিন্দু নারী। এদিকে গ্রেপ্তার জহুরুল ইসলাম নামের এক বিএনপিকর্মী মঙ্গলবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আতাইকুলা থানার ওসি রেজাউল করিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, বিচারিক হাকিম লায়লা শারমীনের আদালতে বনগ্রাম মধ্যপাড়ার আমিন উদ্দিন ড্রাইভারের ছেলে জহুরুল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জহুরুলের উদ্ধৃতি দিয়ে ওসি বলেন, হজরত মুহাম্মদ (স.) সম্পর্কে রাজীব সাহার ‘কথিত স্ট্যাটাসে’র একটি প্রিন্টকপি ওই এলাকায় যুবদল সমর্থক হিসেবে পরিচিত খোকন রংধনু ফটোস্ট্যাটের দোকানে এনে প্রথম ফটোকপি করার পর তা এলাকায় ছড়িয়ে যায়। “বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামী- সব দলের কর্মী-সমর্থকরা হিন্দুদের ওপর হামলায় অংশ নিয়েছিল বলে জহুরুল বলেছে,” বলেন ‍পুলিশ কর্মকর্তা রেজাউল। এদিকে মঙ্গলবার বিকালে অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের দায়ের করা দুটি মামলা এবং বাবলু সাহার একটি মামলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার মিরাজ।

ঘ. চরম জামায়াত-বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত সিপিবি-বাসদের পর্যবেক্ষণ দেখুন, 'সাঁথিয়ায় হিন্দুদের ওপর হামলা ছিল টুকুর প্রশ্রয়ে' শিরোনামে ১০ নভেম্বর, ২০১৩, কালের কণ্ঠ লিখেছে, পাবনার সাঁথিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর প্রশ্রয় ছিল- এমন অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। আজ রবিবার পুরানা পল্টনের প্রগতি সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছে সিপিবি-বাসদ। সেইসঙ্গে তারা প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান। সিপিবি-বাসদের নেতারা বলেন, ওই ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সেখানে পরিদর্শনে যান। এটি তার নির্বাচনী এলাকা। নিজেদের প্রতিনিধিকে দেখে আশ্বস্ত হওয়া তো দূরের কথা, তার সঙ্গে হামলাকারীদের অনেককে দেখে মানুষ আতঙ্কে মুখ বন্ধ করে বসে আছে। সাঁথিয়ায় ওই হামলার পর সিপিবি-বাসদ প্রতিনিধিদল সরেজমিনে ওই এলাকা পরিদর্শন করে। আজকের সংবাদ সম্মেলনে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বলেন, পুলিশ সক্রিয় হলে এ ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো। হামলাকারীদের বেশির ভাগই ছিল কিশোর ও তরুণ। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল লুটপাট।

পুরো খবর এখানে,



সিপিবি-বাসদের পর্যবেক্ষণ 'সাঁথিয়ায় হিন্দুদের ওপর হামলা ছিল টুকুর প্রশ্রয়ে' কালের কণ্ঠ অনলাইন শেয়ার - মন্তব্য (2) - প্রিন্ট অঅ-অ+ পাবনার সাঁথিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর প্রশ্রয় ছিল- এমন অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। আজ রবিবার পুরানা পল্টনের প্রগতি সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছে সিপিবি-বাসদ। সেইসঙ্গে তারা প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান। সিপিবি-বাসদের নেতারা বলেন, ওই ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সেখানে পরিদর্শনে যান। এটি তার নির্বাচনী এলাকা। নিজেদের প্রতিনিধিকে দেখে আশ্বস্ত হওয়া তো দূরের কথা, তার সঙ্গে হামলাকারীদের অনেককে দেখে মানুষ আতঙ্কে মুখ বন্ধ করে বসে আছে। সাঁথিয়ায় ওই হামলার পর সিপিবি-বাসদ প্রতিনিধিদল সরেজমিনে ওই এলাকা পরিদর্শন করে। আজকের সংবাদ সম্মেলনে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বলেন, পুলিশ সক্রিয় হলে এ ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো। হামলাকারীদের বেশির ভাগই ছিল কিশোর ও তরুণ। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল লুটপাট। দুটি সুপারিশ তুলে ধরেন দল দুটির নেতারা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে তাদের আশ্বস্ত করা। দ্বিতীয়ত, বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি করা। এতে মানুষ নির্ভয়ে ঘটনার বর্ণনা দিতে পারবে। এ ছাড়া চিহ্নিত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, বিচার ও শাস্তির দাবিও জানান তারা। বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এতে আরো বক্তব্য রাখেন সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ, সিপিবির নেতা সাজ্জাদ জহির চন্দন প্রমুখ।

- See more at: http://www.kalerkantho.com/online/national/2013/11/10/20037#sthash.9GX6CaFr.dpuf



ছবিঃ আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাই্যয়িদ

ঙ. এক কালের ডাক সাইটে মন্ত্রী ঐ এলাকার বাসিন্দা ও আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপক আবু সাই্যয়িদ কি বলেন দেখুন, "সাঁথিয়ায় হিন্দুদের ওপর হামলার জন্য স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দায়ী" শিরোনামে ৯ নভেম্বর ২০১৩, সমকাল লিখেছে, পাবনার বনগ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে দায়ী করেছেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। অথচ ঘটনার সময় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মাত্র ১০ মাইল দূরে থাকলেও তিনি নিজেও আসেননি, তার পুলিশ বাহিনীকেও পাঠাননি। পুলিশকে দিয়ে দুটি মামলা করিয়েছেন, যার সাক্ষী ১০ বছর আগে মারা গেছেন। মূলত স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও তার অনুসারীদের কারণেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন।তিনি আরও বলেন, ঘটনার মূল হোতা এখনও মন্ত্রীদের সঙ্গে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। উস্কানিদাতা ও ইন্ধনদাতাদের প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে, তবুও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বনগ্রাম বাজারে এক প্রতিবাদ সমাবেশে অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ এ সব কথা বলেন।

পুরো খবর এখানে,

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর, ২০১৩ ০০:০০:০০ অঅ-অ+ printer

সাঁথিয়ায় হিন্দুদের ওপর হামলার জন্য স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দায়ী

ড. আবু সাইয়িদ হ পাবনা অফিস

পাবনার বনগ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে দায়ী করেছেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। অথচ ঘটনার সময় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মাত্র ১০ মাইল দূরে থাকলেও তিনি নিজেও আসেননি, তার পুলিশ বাহিনীকেও পাঠাননি। পুলিশকে দিয়ে দুটি মামলা করিয়েছেন, যার সাক্ষী ১০ বছর আগে মারা গেছেন। মূলত স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও তার অনুসারীদের কারণেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, ঘটনার মূল হোতা এখনও মন্ত্রীদের সঙ্গে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। উস্কানিদাতা ও ইন্ধনদাতাদের প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে, তবুও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বনগ্রাম বাজারে এক প্রতিবাদ সমাবেশে অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ এ সব কথা বলেন। আতাইকুলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ফোরাম-৭১ আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে ড. আবু সাইয়িদ আরও বলেন, সন্ত্রাসীদের যারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে আসছে তাদেরও বিচার করতে হবে। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বেড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলজার হোসেন, সাঁথিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কামাল হোসেন সবুজ, আতাইকুলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তারেক আলী মৃধা, ক্ষতিগ্রস্ত প্রভাষ ভদ্র প্রমুখ।



কেস ষ্টাডি -২
ঃ
বরিশাল পাবনার ঘটনার কয়েকদিন পরেই ঘটে বরিশালের ঘটনাটি। এটিও প্রথমে মিডিয়া হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা হিসেবে প্রচারের চেষ্টা চালায়। "বরিশালে হিন্দু সম্প্রদায়ের ১৮ ঘরে আগুন, আটক ২৫" শিরোনামে অনলাইন নিউজ সাইট রাইজিং বিডি কি লিখেছে দেখুন, বরিশাল সদর উপজেলার খানপুরা গ্রামে দুই কলেজ ছাত্রকে জবাই করে হত্যার ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের আরো তিন বসত ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ মুসলিম জনতা। এনিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মন্দির ও ঠাকুর ঘরসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের ১৮টি বসত ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

পুরোটা এখানে,

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তথ্যমন্ত্রী ইনুর গোপন আলাপচারিতা ফাঁস (ভিডিও) স্টাফ রিপোর্টার বিভাগ: বিশেষ সংবাদ 20 hours, 1 minute ago. শেয়ার করুন: Tweet [Pin It] দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ সোমবারের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে বঙ্গভবনে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের ঠিক আগ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে তথ্যমন্ত্রী হাসানুন হক ইনুর অনানুষ্ঠানিক কথা বার্তা ধরা পড়ে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের মাইক্রোফোনে! New Folder প্রধানমন্ত্রী তখনও সংবাদ সম্মেলন শুরু করেননি কিন্তু এর আগেই প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে থাকা বিভিন্ন চ্যানেলের মাইক্রফোন সমূহ চালু ছিল, এতে ঐ সময়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে থাকা তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর অনানুষ্ঠানিক আলাপ সরাসরি এনটিভির মাইক্রোফোনে চলে আসে। প্রধানমন্ত্রী এবং তথ্যমন্ত্রী নিজেদের মাঝে আলাপ চারিতার সময়ে টিভি চ্যানেল সমূহের মাইক যে চালু ছিল এই বিষয়ে তাদের আলাপেই জানা যায় তাঁরা জানতেন এসব রেকর্ড হচ্ছে তার পরেও তাঁরা সরকারের আভ্যন্তরীণ বিভিন্ন মনোভাব নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যান। সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে হাসানুল হক ইনু বলেন, মেডাম আপনার সাথে অন্য কিছু বিষয় নিয়ে জরুরী আলাপ করতে চাচ্ছি, এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন সব রেকর্ড হচ্ছে, ইনু বলেন, মানে আমি নির্বাচনে জাল ভোট বিষয়ে কিছু প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি। এসময় তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে জাল ভোটের বিষয়ে প্রশ্ন এলে তা এড়িয়ে যেতে বলেন, তিনি বর্ণনা করে বলেন, আমাদের সরকার ক্ষমতায় আমরা যদি চাইতান তবে একটা দুইটা ভোট জাল না করে সকল কেন্দ্রে ৭০ শতাংশ ভোট দেখতে পারতাম কিন্তু আমরা তা করিনি, আর প্রার্থী তো এমনিতেই জিতে আসছে তবে কেন জাল ভোট হবে! প্রধানমন্ত্রী এসময় ইনুকে বলেন, “জাসদের কাছ থেকে শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রের কথা শুনতে হবে? ইনু বলেন মেডাম লাইভ হচ্ছে! শেখ হাসিনা এসময় হাসতে হাসতে বলেন, হ্যাঁ আমি জানি এই জন্যই তো বললাম, “জাসদের মুখ দিয়ে এখন গণতন্ত্রের কথা শুনতে হচ্ছে..হা হা হা…। http://www.youtube.com/watch?v=Iv8kxLfX1sI

মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১৪


কোত্থেকে এলো এত ভোট? 08 Jan, 2014 বিএনপিসহ নিবন্ধিত ২৮ দলের বর্জন করা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠার পর এবার প্রশ্ন উঠেছে ভোট নিয়ে। মিলছে না ২০০৮ সালের প্রদত্ত ভোটের হারের সাথে। যেখানে দিনের ১টা পর্যন্ত ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটার খুঁজে পাওয়া যায়নি সেখানে স্থগিত কেন্দ্রগুলো বাদ দিয়ে দু’দিন পরে সাড়ে ৪০ শতাংশ ভোট প্রদানের হার ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অথচ ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেখানে ৪১টি দল অংশ নেয়ার পরও ভোটের হার ছিল ২৬.৫৪ শতাংশ। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের যে হার ছিল এবার একদলীয় ও ভোটারহীন নির্বাচনেও একই হার দেখানো হয়েছে কেন্দ্রগুলোতে। দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম পাঁচ ঘণ্টায় ভোট পড়ে মাত্র ৬-১০টি, সেখানে ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ ভোট প্রদানের হার দেখানো হয়েছে আটটি আসনে। আর ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ ভোট প্রদানের হার দেখানো হয়েছে ৩৪টি কেন্দ্রে। ভোট গ্রহণের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আলাপকালে তারা জানান, উপরের নির্দেশে আমাদের ভোটের হার বাড়াতে হয়েছে। এলাকাভেদে এই হার ৬০ থেকে ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত করতে বলা হয়। কিন্তু তাতেও গড় ভোট সাড়ে ৪০ শতাংশের বেশি করা সম্ভব হয়নি। অনানুষ্ঠানিকভাবে গতকাল ইসি নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের পরিসংখ্যানে দেখিয়েছে ১৩৯টি আসনে প্রদত্ত ভোটের হার শতকরা ৩৯.৮৩ শতাংশ। এই আসনগুলোতে স্থগিত ২০৫টি কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা হিসাবে ধরলে ৪০.৫৬ শতাংশ দাঁড়ায়। অথচ ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেখানে ৪১টি দল অংশ নেয়ার পরও ভোটের হার ছিল ২৬.৫৪ শতাংশ। আগের নির্বাচনগুলোতে নির্বাচন চলাকালে ইসি সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রাক্কলিত ভোটের হার উল্লেখ করত। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই তথ্য তারা বলতে সাহস পাননি। দু’দিন হিসাব মিলিয়ে গতকাল তথ্য প্রকাশ করে ইসি। ভোটের দিন সরেজমিন ঘুরে এবং ২০০৮ সালের কেন্দ্রভিত্তিক ভোট বিশ্লেষণে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হতে হচ্ছে। সে সময় ঢাকা-৬ আসনের একরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদানের হার ছিল ৮৭.৬১ শতাংশ। এক হাজার ১৭৬ জনের মধ্যে ভোট প্রদান করেছিলেন এক হাজার ২৫ জন ভোটার। আর এবার একই কেন্দ্রে চারটি বুথে ভোটার ছিল এক হাজার ২৩৬ জন। বেলা ৩টা পর্যন্ত ভোট প্রদান হয় ২১০টি। ভোটার আর আসে না। পরে উপরের নির্দেশে ভোটের হার বাড়ানো হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান। লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীকে জয়ী করতে ভোটের সংখ্যা ৫০৬-এ উন্নীত করা হয়। তারা বলেন, বুথ-১ এ একজন মহিলা ভোটার ভোট দেয়ার জন্য আসেন। তার ভোটার নম্বর ছিল ২৯৬। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ওই মহিলা ভোটারকে বলেন তার ভোট অন্য কেন্দ্রে, এখানে তিনি ভোট দিতে পারবেন না। বাস্তবে তিনি ওই কেন্দ্রের ওই বুথেরই ভোটার। তাকে ভোট দিতে না দেয়ার কারণ হলো বুথে জাল ভোট প্রদানের কাজ চলছিল। তাই তাকে প্রবেশ করতে না দিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে সরিয়ে দেয়া হয়। একই কেন্দ্রের ৪ নম্বর বুথে একজন পুরুষ ভোটার আসেন। তাকে একইভাবে বলা হয় অন্য কেন্দ্রে ভোট দেয়ার জন্য। তখন জাল ভোটের মহোৎসব চলছিল। একজন পোলিং এজেন্ট জানান, তাকে বের করে দিয়ে সাড়ে ৩টায় কলাপসিবল গেট আটকে দেয়া হয়। ঢাকার বাইরের চিত্র একই চিত্র। মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের পিংরাইলের একটি কেন্দ্রে ভোটার ছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনে দুই হাজার ১৮৩টি। ওই সময় ভোট প্রদানের হার ছিল ৮৮.৭৪ শতাংশ। মোট এক হাজার ৯৩৮টি ভোট পড়েছিল নবম সংসদ নির্বাচনে। আর এবার একদলীয় নির্বাচনেও ভোট প্রদানের হার দেখানো হয়েছে ৮০ শতাংশের বেশি। সরেজমিন দেখা যায়, সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এক ঘণ্টায় ৬১টি ভোট পড়ে। এরপর আর ভোটার পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রে ভোটারের সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৫৬৪টি। এরপরে চলে ভোটের হার বাড়ানোর প্রতিযোগিতা। দলীয় নেতাদের নির্দেশে শেষ পর্যন্ত ভোট প্রদান দেখানো হয় দুই হাজার ৯১টি। শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকে ২০০৮ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত হন। তখন ওই আসনে প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৮৭.৫৪ শতাংশ। ওই নির্বাচনে তিনি মোট এক লাখ ৫৮ হাজার ৯৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আর এবার বিরোধী দলহীন নির্বাচনে এই আসনে প্রদত্ত ভোটের হার হলো ৮৯.৯৫ শতাংশ। দুই লাখ ১১ হাজার ৯৫১ জন ভোটারের মধ্যে শেখ হাসিনা মোট এক লাখ ৮৭ হাজার ১৮৫টি ভোট পান। গোপালগঞ্জ-২ আসনে এবার প্রদত্ত ভোটের হার হলো ৯০.৩৬ শতাংশ। দুই লাখ ৬৯ হাজার ৩৭০ ভোটের মধ্যে দুই লাখ ৩৭ হাজার ৫৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম। নবম সংসদ নির্বাচনে এই আসনে প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৮২.৬৯ শতাংশ। শেখ সেলিম পেয়েছিলেন এক লাখ ৮৭ হাজার ৪৪২টি ভোট। গোপালগঞ্জ-১ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৮৪.২৪ শতাংশ। আর এবার সেই হার হলো ৮৯.৭৪ শতাংশ। এখানে মুহাম্মদ ফারুক খান দুই লাখ ৪০ হাজার ৩০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আগের নবম সংসদ নির্বাচনে তিনি এক লাখ ৮৩ হাজার ২৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আর লালমনিরহাট-১ আসনে নবম সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৯১.৭৩ শতাংশ। আর মোতাহার হোসেন এক লাখ ৩৯ হাজার ৫৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এবার ভোট পড়ে ৭০.৪৮ শতাংশ। আর তিনি নির্বাচিত হন এক লাখ ৭৯ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়েছে। ইসির চূড়্ান্ত তথ্যানুযায়ী সর্বোচ্চ ভোট প্রদান হয়েছে যেসব আসনে সেগুলো হলো, লালমনিরহাট-১ আসনে ৭০.৪৮%, পটুয়াখালী-৩ আসনে ৬৩.৭৯%, ভোলা-২ আসনে ৬৫.৬০%, ভোলা-৩ আসনে ৭১.৫২%, ঝালকাঠি-১ আসনে ৬২.২৫%, জামালপুর-১ আসনে ৬১.৭৩%, জামালপুর-৫ আসনে ৬১.৬৫%, শেরপুর-১ আসনে ৬৮.৩২%, ময়মনসিংহ-১০ আসনে ৬৫.৭৩%, নেত্রকোনা-৩ আসনে ৬১.০৩%, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে ৬৮.৯৩%, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে ৬৩.৯৭%, কুমিল্লা-৫ আসনে ৬৭.৫১%, চট্টগ্রাম-৩ আসনে ৬৫.৯৪%, গোপালগঞ্জ-১ আসনে ৮৯.৭৪%, গোপালগঞ্জ-২ আসনে ৯০.৩৬%, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ৮৯.৯৫%। ইসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, এ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যবেক্ষক সংস্থা যে হার ঘোষণা করেছে অর্থাৎ ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশের মধ্যে থাকার চেষ্টা করবে ইসি। হয়তো বাস্তবতার কাছে থাকবে না। কিন্তু প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করা ইসির জন্য কঠিন হবে। স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. বদিউল আলম মজুমদার জানান, গণমাধ্যমের মাধ্যমে আমরা ভোটের ব্যাপারে যে চিত্র দেখেছি তাতে প্রদত্ত ভোটের সাথে অসঙ্গিতপূর্ণ। বিশ্বাসযোগ্যও নয়। ইসি যে নির্বাচন করেছে তা প্রকৃতপক্ষে অংশগ্রহণমূলক হয়নি। নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, এখন ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যাপারে অগ্রসর হতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির মাধ্যমে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। স্থানীয় সরকার বিশ্লেষক ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, যত বেশি হার দেখানো হবে তত বেশি প্রশ্নসাপেক্ষ হয়ে দাঁড়াবে। গ্রহণযোগ্যতা কম হবে। আর এটার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে এটাতে সরকারের কিছুই আসে যায় না। তিনি বলেন, লুকোচুরি করতে গিয়ে অনেক কিছুই বের হয়ে আসছে। বিদেশীদের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়নি। বিরোধী দল ভোটারের উপস্থিতি কম চেয়েছিল তা হয়েছে। তবে ১০০ শতাংশ ভোট হলেই বা কী? উৎসঃ নয়া দিগন্ত Share on facebook Share on email Share on print 2

বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৪


বিতর্কের ঘেরাটোপে ২০১৩'র ঢালিউড তারিখ: ০২ জানুয়ারি ২০১৪, বৃহ:পতিবার ০৯:১৮ পিএম এই সংবাদটি পড়েছেন 10310 জন মিডিয়া টাইমস প্রতিবেদক: গেল বছরে হাজারো বিতর্ক ও আলোচনা-সমালোচনার ঘেরাটোপে নিমজ্জিত ছিল এদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গন। ২০১৩ সালটা ঢালিউডে এমন কিছু ঘটনা ও দূর্ঘটনার সাক্ষি হয়ে আছে, যা আরো অনেকদিন বারবার উচ্চারিত হতে থাকবে। এসকল বিতর্কিত ঘটনা গুলো থেকে কয়েকটি তুলে ধরা হলো। পি এ কাজলের অশ্লীল প্রস্তাব ফেসবুকে এক নারী মডেলকে অশ্লীল প্রস্তাব দেন আলোচিত পরিচালক পি এ কাজল। আর সেটা প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চারদিকে ছিঃ ছিঃ পড়ে যায়, বিশেষ করে চলচ্চিত্র পরিচালকদের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ আসতে থাকে। ওদিকে প্রমানসহ এক জবানবন্দিতে এটম বোমা ফাঁটান নবাগত অমৃতা খান। তিনিও অভিযোগ করেন যে, চলচ্চিত্রে কাজ করার সুযোগ দেয়ার বিনিময়ে, পি এ কাজল তার কাছেও অশ্লীল আবদার করেছিলো। সংবাদটি প্রকাশের পরপরই সৃষ্টি হয় সমালোচনার ঝড়। 0122014211802d-3.jpg অমৃতার এধরণের অভিযোগে নড়ে চড়ে বসে সমগ্র মিডিয়া। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা পি এ কাজলের বিচার দাবি করেন। কেউ কেউ তাকে পরিচালক সমিতি থেকে আজীবনের মতো বহিস্কার করার দাবি তোলেন। সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রসূণের হুমকি শ্যুটিং ইউনিটে মাদক গ্রহণের সংবাদ প্রকাশের জের ধরে কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করার হুমকি দেন চলচ্চিত্রে নবাগত প্রসূন আজাদ। এই তারকার মতে চলচ্চিত্রে তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র হিসেবেই এ ধরণের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। 0122014212124d-4.jpg প্রসূন আরো দাবি করেন তিনি কখনও শ্যুটিং ইউনিটে থাকা অবস্থায় কিংবা শ্যুটিং চলাকালে মাদক গ্রহণ করেননি। তাই তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন। কিন্তু পরবর্তীতে কোনো এক অজানা কারণে মামলা করা থেকে বিরত থাকেন তিনি। পপির বিয়ের গুজব বছরের মাঝামাঝি হঠাৎ করেই চিত্রনায়িকা পপি'র বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। অসমর্থিত সূত্র থেকে দাবি করা হয় গোপনে বিয়ে করেছেন এই নায়িকা। বরের নাম গাজী মিজানুর রহমান, পেশায় একজন চিকিৎসক। তার উপর সম্পর্কে পপির কাজিন। খুলনার সোনাডাঙ্গায় অবস্থিত 'খুলনা সার্জিক্যালে'র মালিক তিনি। তবে চিকিৎসক গাজী মিজানুর রহমান পূর্বে একটি বিয়ে করেছেন। সেই সংসারে তার একটি সন্তানও রয়েছে। এমন কি পপি যখন খুলনা যান, তখন গাজী মিজানের বাসাতেই থাকেন। আবার মিজান ঢাকায় এলে পপির বাসাতে ওঠেন। এভাবেই তাদের সংসার জীবন এগিয়ে চলেছে। 0122014212412d-5.jpg কিন্তু বিয়ের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেন পপি তখন জানান, মিডিয়া তাকে অনেকবার বিয়ে দিয়েছে। প্রতিবারই বিয়ের খবর গুজবে পরিণত হয়েছে। এবারো তাই হবে। তিনি গাজী মিজান নামে কাউকে চিনেন না। আর বিয়ে যদি করেনই তবে সবাই জানিয়ে জাঁকজমকপূর্ণ বিয়েই করবেন। ববি ও ইফতেখার চৌধুরীর গোপন অভিসার ঢাকাই চলচ্চিত্রের উঠতি নায়িকাদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন ববি। আর ববির এই এগিয়ে থাকার পেছনের কারিগর হলেন পরিচালক ইফতেখার চৌধুরী। কারণটা খুব সহজেই অনুমেয়। ইফতেখার চৌধুরীর 'খোঁজ : দ্য সার্চ' ছবিতে অভিনয় করে বড় পর্দায় নাম লিখিয়েছিলেন এই নায়িকা। প্রায় দু'বছর পর একই পরিচালকের ‘দেহরক্ষী' ছবিতে আবেদনময়ী অভিনয় দিয়ে জয় করে নেন দর্শক মন। মূলত এই ছবির মাধ্যমেই চলচ্চিত্রাঙ্গনে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেন ববি। সম্প্রতি একই পরিচালকের মুক্তির প্রতিক্ষায় থাকা ‘রাজত্ব' ছবিতে অভিনয় করেন ববি। এই ছবির শ্যুটিং চলাকালেই পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর সঙ্গে নায়িকা ববিকে বিভিন্ন জায়গায় সময়ে অসময়ে ঘুরতে দেখা যায়। আর তা থেকেই শুরু হয় নানা গুঞ্জন। 0122014212456d-6.jpg দুই একটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যম এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে। কিন্তু এই গুঞ্জনের আগুনে পানি হিসেবে কাজ করে ইফতেখার চৌধুরীর ফেসবুক স্ট্যাটাস। তখন তিনি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে সব কিছু অস্বীকার করে দাবি করেন, একজন নায়িকার সঙ্গে পরিচালকের যতটুকু সর্ম্পক রাখা দরকার তিনি ঠিক ততটুকুই ববির সঙ্গে রেখেছেন। এমন কি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমগুলো কোনো কিছু যাচাই না করেই সংবাদ প্রকাশ করেছে বলেও অভিযোগ করেন এই পরিচালক। আর তাতে করে এযাত্রা রেহাই পেয়ে যান এই পরিচালক, সঙ্গে উঠতি নায়িকা ববিও। দি ডিরেক্টর মুক্তি আন্দোলন প্রায় এক বছর ধরে সেন্সর বোর্ডে আটকে আছে কামরুজ্জামান কামু পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘দ্য ডিরেক্টর'। আপিল করেও সেন্সর ছাড়পত্র মেলেনি এই ছবিটির ভাগ্যে। কারণ হিসেবে বলা হয় চলচ্চিত্রটিতে পরিচালকদের হেয় করা হয়েছে। সেন্সর বোর্ডের দাদাগিরির প্রতিবাদে আন্দোলনে নামে তরুণ নির্মাতারা। তারা সেন্সর বোর্ডের সদস্যদের কাছে জানতে চায় এধরণের অজুহাতে চলচ্চিত্র আটকে দেয়া আইন সম্মত কিনা। এ প্রসঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরী হয় নির্মাতাদের সঙ্গে সেন্সর বোর্ডের। সেন্সর প্রথা বাতিলের দাবি আসে। ফলস্বরূপ গোটা সেন্সর বোর্ড বাতিলের দাবিতে নতুন করে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দেয় নির্মাতারা। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে স্থগিত হয় আন্দোলন। নতুন বছরে এই আন্দোলন কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তাই এখন দেখার বিষয়। ২ জানুয়ারি, ২০১৩

ক্ষমা চাইলেন প্রভা অনলাইন প্রতিবেদক | আপডেট: ১৪:৩৯, জানুয়ারি ০২, ২০১৪ ৫৭ সাদিয়া জাহান প্রভা।নিজের ভুলের জন্য মায়ের কাছে ক্ষমা চাইলেন আলোচিত অভিনয়শিল্পী সাদিয়া জাহান প্রভা। আরটিভির ‘আমি আর মা’ অনুষ্ঠানে মায়ের কাছে ক্ষমা চান তিনি। সম্প্রতি অনুষ্ঠানটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয়েছে। প্রভা বলেন, ‘সন্তান যে ভুলই করুক, মা সব সময় আগলে রাখেন। আমার মা-ও এর ব্যতিক্রম নন। আমার সব বিপদে মা পাশে থেকে উদ্ধার করেছেন। জুগিয়েছেন সাহস।’ তিনি বলেন, ‘মানুষ মাত্রই ভুল করে। আমিও জীবনে কিছু ভুল করেছি। যদি এ ভুলগুলো বাবা-মা ক্ষমা করে দেন, তাহলে ভাবব সবাই আমাকে ক্ষমা করেছেন। আর এ জন্য মায়ের কাছে ক্ষমা চাই।’ আরটিভির ‘আমি আর মা’ অনুষ্ঠানের এবারের পর্বে অতিথি হয়েছেন অভিনেত্রী প্রভা ও তাঁর মা রাবেয়া রহমান। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন সোহেল রানা বিদ্যুত্। তিনি বলেন, ‘সাধারণ দর্শকদের কাছে মিডিয়া জগতের মানুষেরা স্বপ্নের মতো। তাঁরা যখন টিভি বা সিনেমায় তাঁদের সেই প্রিয় মানুষটিকে দেখেন, তখন প্রিয় মানুষটির সম্পর্কে নানান তথ্য জানার ইচ্ছা পোষণ করেন। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা সাধারণ মানুষদের তাঁদের সেই সব পছন্দের তারকার নানান অজানা তথ্য জানানোর চেষ্টা করি।’ তানিয়া আহমদের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের এই পর্বে প্রভার মা রাবেয়া রহমান জানাবেন ছোটবেলা থেকে প্রভার বড় হয়ে ওঠার গল্প। সেই সঙ্গে অনুষ্ঠানে থাকবে তাঁর ছোটবেলার ছবি ও ভিডিও। ‘আমি আর মা’ অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে ৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে। beta I ব্যবহারবিধি Facebook Twitter Google+ Bangla Font Help LoginRegister Prothom Alo বিনোদন প্রচ্ছদ আজকের পত্রিকা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি মতামত খেলা বিনোদন চলচ্চিত্র ঢালিউড বলিউড হলিউড আলাপন সংগীত বাংলা গান বিদেশের গান মঞ্চ টেলিভিশন ফিচার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জীবনযাপন আরও... প্রচ্ছদ বিনোদন সংবাদ ক্ষমা চাইলেন প্রভা অনলাইন প্রতিবেদক | আপডেট: ১৪:৩৯, জানুয়ারি ০২, ২০১৪ ৫৭ সাদিয়া জাহান প্রভা।নিজের ভুলের জন্য মায়ের কাছে ক্ষমা চাইলেন আলোচিত অভিনয়শিল্পী সাদিয়া জাহান প্রভা। আরটিভির ‘আমি আর মা’ অনুষ্ঠানে মায়ের কাছে ক্ষমা চান তিনি। সম্প্রতি অনুষ্ঠানটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয়েছে। প্রভা বলেন, ‘সন্তান যে ভুলই করুক, মা সব সময় আগলে রাখেন। আমার মা-ও এর ব্যতিক্রম নন। আমার সব বিপদে মা পাশে থেকে উদ্ধার করেছেন। জুগিয়েছেন সাহস।’ তিনি বলেন, ‘মানুষ মাত্রই ভুল করে। আমিও জীবনে কিছু ভুল করেছি। যদি এ ভুলগুলো বাবা-মা ক্ষমা করে দেন, তাহলে ভাবব সবাই আমাকে ক্ষমা করেছেন। আর এ জন্য মায়ের কাছে ক্ষমা চাই।’ আরটিভির ‘আমি আর মা’ অনুষ্ঠানের এবারের পর্বে অতিথি হয়েছেন অভিনেত্রী প্রভা ও তাঁর মা রাবেয়া রহমান। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন সোহেল রানা বিদ্যুত্। তিনি বলেন, ‘সাধারণ দর্শকদের কাছে মিডিয়া জগতের মানুষেরা স্বপ্নের মতো। তাঁরা যখন টিভি বা সিনেমায় তাঁদের সেই প্রিয় মানুষটিকে দেখেন, তখন প্রিয় মানুষটির সম্পর্কে নানান তথ্য জানার ইচ্ছা পোষণ করেন। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা সাধারণ মানুষদের তাঁদের সেই সব পছন্দের তারকার নানান অজানা তথ্য জানানোর চেষ্টা করি।’ তানিয়া আহমদের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের এই পর্বে প্রভার মা রাবেয়া রহমান জানাবেন ছোটবেলা থেকে প্রভার বড় হয়ে ওঠার গল্প। সেই সঙ্গে অনুষ্ঠানে থাকবে তাঁর ছোটবেলার ছবি ও ভিডিও। ‘আমি আর মা’ অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে ৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে। Facebook Twitter Google+ টি ভি র প র্দা য় বাংলাদেশ টেলিভিশনসন্ধ্যা৬-১০ চেনাজানা।৬-৩৫ পুষ্টিকথা।৭-০০ শেষ... আ জ কে র ছ বি এটিএন বাংলাবেলা ৩-০৫ বলনা কবুল (শাকিব খান, অপু বিশ্বাস, মিশা... সর্বশেষ পঠিত রাজধানীতে বাসে পেট্রলবোমা হামলায় দগ্ধ ৩ উড়ে এসেই বনে গেলেন সাংসদ ঘরে ঘরে যাচ্ছেন মতিয়া শেষ মুহূর্তে কিছুটা জমল কুড়িগ্রামের নির্বাচনী প্রচার ‘শেখ হাসিনার সালাম নিন লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিন’ সকল সর্বশেষ পাঠকের মন্তব্য ( ৫৭ ) User Picture মানিক আফ্রাদ২০১৪-০১-০২ ১৪:৩১ via phone ২০ ১৫ ভুল যখন হয়েছে, ক্ষমা চাইতে হবেই | আর প্রভার বক্তরা আপনাদের মনে যদি কষ্ট থাকে তাহলে স্ব-উদ্যোগে মাফ করে দিবেন User Picture Md.Iqbal Hossain২০১৪-০১-০২ ১৯:৪৩ via computer ১৯ ৬ সানি লিওনের মত পেশাদাররা যখন বলিউডে অভিনয় করতে পারে সে ক্ষেত্রে প্রভা তো তেমন কিছুই করেনি। User Picture Shamsujjoha Sujan২০১৪-০১-০২ ২০:১০ via computer ৬ ০ অতীত জীবনের ভুলের জন্য সকলের উচিত আত্মউপলব্ধি করে সর্বপ্রথমে উপরওয়ালার কাছে ক্ষমা চাওয়া । প্রভা যদি সত্যি অনুতপ্ত হয়ে থাকেন তবে দেখিয়ে কারো কাছে ক্ষমা চাওয়ার দরকার নেই । User Picture MuKuL Rahman২০১৪-০১-০২ ২১:২৩ via computer ১ ১ Md.Iqbal Hossain really said the truth................ User Picture MD. Waheed Anogh২০১৪-০১-০২ ২২:০২ via phone ২ ০ তা কি ভুল যেন করেছিল? ? User Picture sumon২০১৪-০১-০২ ১৪:৩৯ via computer ২১ ১৫ Natok?? User Picture GM Saqline২০১৪-০১-০২ ১৪:৩৬ via computer ৪৯ ১৬ চরিত্র সকল মানুষের সম্পদ, ক্ষমা চাইলে তো আর সবকিছু স্মৃতি থেকে মুছে যাবে না। User Picture Meer abul Hasan Al Murad২০১৪-০১-০২ ১৭:০২ via computer ৫ ৯ Right. User Picture Md. shohrab Hossain২০১৪-০১-০২ ১৪:৪৭ via computer ১১ ৩ কি আর বলব ? User Picture MD. Omur Faruk২০১৪-০১-০২ ১৪:৫৩ via computer ৫৬ ৩ আদম সন্তান সবাই ভুল করে। ভুলকারীদের মধ্যে উত্তম তারাই যারা তওবা করে। (তিরমিযী) User Picture সাইফ২০১৪-০১-০২ ১৫:৪৫ via computer ২২ ৩৬ এই ভুল ক্ষমার অযোগ্য User Picture Zakir Khan২০১৪-০১-০২ ১৫:০০ via computer ৮৩ ৪ মায়ের কাছে ক্ষমা ও দেখছি বিনোদনের অংশ হয়ে যাচ্ছে... User Picture Suman, Saudi Arabia২০১৪-০১-০২ ১৬:৫১ via computer ১২ ৫ সুপার লাইক টাইক বলাটা ঠিক হবে না এখানে, তাই বলতে হচেছ " এখানকার সেরা মন্তব্য " আপনি করেছেন । User Picture Arman Farid Ahmed২০১৪-০১-০২ ২২:৪১ via computer ১ ১ super like.. User Picture Md Rashedul Islam২০১৪-০১-০৩ ০৮:৪৬ via computer ০ ০ boss you r really boss. 100000000000000000000000000000000000000000000000000 like User Picture Arifur২০১৪-০১-০২ ১৫:০১ via tablet ১৯ ৮ ক্ষমা চাওয়ার কি আছে? ১ ভাগ ছেলেরাও তো মাফ চায় না। User Picture Mizan (Ca It)২০১৪-০১-০২ ১৫:০৩ via computer ৭ ৩৬ প্রভা তোমার নামের অর্থ হল "জাঁকজমক, উজ্জ্বল দীপ্তি, দ্যুতি, জলুস, অত্যুত্কর্ষ" তাই বিগত দিনে তোমার অভিনয়ে দর্শক তার প্রমান পেয়েছিল। User Picture খালেদা খানম২০১৪-০১-০২ ১৫:৪১ via computer ৩৭ ৮ মিজান সাহেব @ আপনি তো আবুল হুসেন হেয়ে গেলেন , আবুল হুসেন সংসদে সাংসদদের নামের অর্থ বলে বক্তব্য শুরু করতেন । User Picture Ether২০১৪-০১-০২ ১৫:০৮ via computer ১৩ ৪৪ আই লাইক হার User Picture Suman, Saudi Arabia২০১৪-০১-০২ ২০:১৮ via computer ৫ ১ সবুর করেন মেওয়া ফলবে কোন একদিন । User Picture Abdullah Al Mamun২০১৪-০১-০২ ১৫:০৮ via computer ১৫ ১৬ best of luck User Picture swapnil khan২০১৪-০১-০২ ১৫:১৩ via computer ১৬ ২ কিছু বলার নেই..................। User Picture সায়েম সজল২০১৪-০১-০২ ১৫:২৪ via phone ১০ ০ হুমম User Picture biplob২০১৪-০১-০২ ১৫:২৩ via computer ১৭ ১২ উনার মনে রাখা দরকার উনার মত সেলিব্রেটিদের মানুষ ফলো করে User Picture মোহাম্মদ ইশফাক জাহান২০১৪-০১-০২ ১৫:৫০ via computer ৪১ ৪ আপনারও মনে রাখা উচিত, এগুলো এদের সবারই আছে। ঘৃণা করলে সবাইকে করেন, নইলে কাউকে না। এরটা প্রকাশ পেয়েছে বলেই এ খারাপ, আর বাকি সবাই ফেরেশতা, এমনটা ভাবা ঠিক হবে না। আর রাজীব নিজেও তো ওটাতে জড়িত, তাহলে শুধু প্রভা একাই গালি খাবে কেন? User Picture rassell sk২০১৪-০১-০২ ১৬:২৮ via computer ১৪ ৭ আর রাজীব নিজেও তো ওটাতে জড়িত, তাহলে শুধু প্রভা একাই গালি খাবে কেন? শুধু পুরুষ শোশন করবে .। শাশিত হবেনা কখনও .... User Picture Md. Abdul Kayum২০১৪-০১-০২ ১৫:৩৩ via computer ৭ ৩ Thanks for realization User Picture Md. Ajmal Hossain২০১৪-০১-০২ ১৬:০৮ via computer ১৭ ১ খবরটার সাথে মা শব্দটা আছে, তাই আর কোন মন্তব্য করলামনা... User Picture Akbar২০১৪-০১-০২ ১৬:১২ via phone ১২ ২ ক্ষমা চাইলেন কি জন্য ? সেটাই তো বুঝলাম না!!!! User Picture মোঃ লুৎফর রহমান২০১৪-০১-০২ ১৭:৩২ via computer ৭ ১ আমিও তো তা ই কই। User Picture azad a matubber২০১৪-০১-০২ ১৮:০৭ via computer ৬ ২ না বুঝাই ভাল । User Picture MD Rashid২০১৪-০১-০২ ১৬:২২ via computer ১২ ৮ প্রভা,জিবনে কম বেশি ভুল সবাই করে। তোমার ব্যাপারটা নিয়ে ভেংগে পরার কিছু নেই। তুমি তাদের চেয়ে অন্তত ভাল, যারা কিছু টাকার বিনিময়ে মানুষকে আগুনে পুড়তে দ্বিধা করেনা। তোমার যা হয়েছে তা ভুলে যাও; নিজেকে খারাপ বা অন্যায়কারি ভাবার কিছু নেই। জীবনটা ভালভাবে কাটিয়ে দাও! User Picture মজিদ ( বিসর্জন ছারা দেশ সেবা হয় না হয় না হয় না )২০১৪-০১-০২ ১৬:৩৬ via computer ১৬ ০ অন্য কারো বেলায় কি হত জানি না, তবে প্রভা যে এখনও বহাল তবিয়তে টিকে আছে সেটাই অনেক। বলতেই হয় প্রভার সাহস আছে। User Picture Md. Omar Faruk২০১৪-০১-০২ ১৬:৫০ via computer ৩ ৪ ব্যাপারটা ঠিক বুজবার পারলাম না ...................... User Picture Rahman২০১৪-০১-০২ ১৭:০৩ via computer ৫ ০ Relization is main things. Sometimes we are going to wrong path. User Picture mdsalim২০১৪-০১-০২ ১৭:২১ via computer ৩ ১১ ভাবতে অভাক লাগে যে , আপনারা যারা মিডিয়াতে আছেন তাদেরকে আমরা অনেক সচেতন এবং বুদ্ধিমান মনে করি। কিন্তু আপনার যা কিছু হয়ে গেছে সেটা আপনার ছরম একটা বকামির পরিছয় মাত্র ।আপনি আমার একজন প্রিয় অভিনেত্রি ছিলেন । আপনার বলা ডায়লগ রেকর্ড করে বার বার শুনতাম। আপনার কথা বলার মিষ্টি লেগে থাকে। যা আমাকে প্রতিমুহূর্ত মোহিত করতো । কিন্তু এখন আর সে ভাবে করেনা। কিন্তু কিছু হলেও করতো, যদি আপনি প্রেসব্রিপিং করে ভক্তদের কাছে ক্ষমা ছাইতেন। এইটা তো মনে রাখা উচিত যে , ভক্ত ছাড়া চেলিব্রেটি হওয়া যায়না। জাদের দিয়ে আপনার পরিচিতি তাদের কাছে ক্ষমা ছাওয়া ছোট হওয়ার কিছু নাই । তা হলে আমার মত আপনার লক্ষ লক্ষ ভক্ত আপনাকে ঠিক আগের জাইগায় নীয়ে যেত । দেরি করে হলেও পত্রিকার মাধ্যমে ক্ষমা ছেয়ে নিয়েছেন তার জন্য আপনার শুভ কামনা করছি। User Picture md. imam hasan২০১৪-০১-০২ ২১:৫১ via computer ০ ১ মিডিয়া ব্যক্তিদের অনুসরণ করার মাঝে কোন আদর্শ নাই। খোঁজ নিয়া দেখেন ৯০% এর বেশি সেলেব্রেটি এসব ঘটনা কে স্বাভাবিক মনে করে। User Picture Zahirul Islam২০১৪-০১-০২ ১৮:৩২ via computer ২ ০ good User Picture mostaq ahmed২০১৪-০১-০২ ১৯:০০ via phone ৮ ১ সময় থাকতে মানুষের হুশ হয় না এটাই আফসোস। কিছু ভুল ..... ভুলতে আসলে অনেক সময় লাগে। User Picture Muhammad shariful Islam২০১৪-০১-০২ ২০:৪২ via computer ০ ০ ভুল থেকে মানুষ শিক্ষা গ্রহণ করে User Picture Asif mahmud২০১৪-০১-০২ ২০:৪৮ via computer ০ ০ হাউসফুলে যখন কাজ করেছিলেন তখন থেকেই ভালো লাগতো , ভাবিনি কখনো আপনাকে ঐ ভাবে দেখবো , আপনার সেই কৃতকর্ম টি যখন দেখি তখন খুব খারাপ লেগেছিলো । সেলিব্রেটিদের উচিত অনেক সতর্কের সাথে চলা । কারন আপনারা উল্টা পালটা কিছু করলে , ফ্যান রা বুঝতে পারলে খুব খারাপ লাগে : ( :( User Picture Muhammad shariful Islam২০১৪-০১-০২ ২০:৪৯ via computer ০ ০ মানুষ সব্দের অর্থ হল,, জাহার আছে মান ,আর জাহার আছে হুশ, তার নাম মানুষ। User Picture md shaed badsha২০১৪-০১-০২ ২১:০৩ via computer ০ ০ Wrong Turn at life kept User Picture joy২০১৪-০১-০২ ২১:১৪ via computer ১ ০ সবাই ভুল করে, কারো টা দেখি, কারো টা না। তবে ভুলকারীদের মধ্যে উত্তম তারাই যারা তওবা করে। User Picture জাকির হোসেন - অন্যদৃষ্টি২০১৪-০১-০২ ২১:২৯ via computer ০ ০ ধিক ! User Picture Najim Ahmed- KSA.২০১৪-০১-০২ ২১:৪২ via computer ১ ১ প্রভার ক্ষমা চাওয়া ঠিক হয়নি। ঐ জগতে এটাই সাভাবিক। এরকম আরও কত প্রভা আছে .............. Indeed we love you ....................... User Picture md. imam hasan২০১৪-০১-০২ ২১:৪৭ via computer ০ ০ প্রভা যদি সত্যি ই অনুতপ্ত হতো সে নিজেকে মিডিয়া জগত থেকে সরিয়ে নিত। কন্তু সে সেটা করে নি উল্টো সে তার স্বামির সাথে অন্তরঙ্গ ছবি আপলোড করেছে। (সে করেছে কিনা জানি না তবে পেয়েছি)। User Picture Md. Arshad Ali২০১৪-০১-০২ ২২:১৪ via tablet ০ ২ Din din manuser lozza harie jasse User Picture M. H. Rahmatullah Babu২০১৪-০১-০২ ২৩:০১ via computer ০ ০ প্রভা যা করেছে তা আমরা ইউটিউবে দেখেছি। এই কাজের জন্য শুধু মায়ের কাছে নয়, আল্লাহর কাছে এবং দেশবাসীর কাছেও ক্ষমা চাইতে হয়। User Picture M. H. Rahmatullah Babu২০১৪-০১-০২ ২৩:০৯ via computer ০ ২ আল মাহমুদ কিংবা আকবর আলি খান ছেলেবেলায় কিভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্রামে বড় হয়ে উঠেছেন, সা'দাত হুসেন কিংবা বদিউর রহমান কিভাবে নোয়াখালীর গ্রামে বড় হয়েছেন সেটা দেখানো হোক। প্রভা কিভাবে বড় হয়েছেন তা তরুণতরুণীদের না দেখাই ভালো। User Picture Iliyas২০১৪-০১-০৩ ০০:২৪ via computer ১ ০ তোমার এই ভূল ছিল আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া! User Picture saznus nazib২০১৪-০১-০৩ ০০:২৬ via computer ১ ৩ তুমি যে আসলেই আনেক সুন্দর তা আমরা দেখেছি। User Picture M. H. Rahmatullah Babu২০১৪-০১-০৩ ০২:১৪ via computer ০ ০ আল মাহমুদ বা আকবর আলি খান ছেলেবেলায় কিভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্রামে বড় হয়ে উঠেছেন কিংবা সা'দাত হুসেন বা বদিউর রহমান কিভাবে নোয়াখালীর গ্রামে বড় হয়েছেন সেটা দেখানো হোক। প্রভা কিভাবে বড় হয়েছেন তা তরুণতরুণীদের না দেখাই ভালো। User Picture Md Jahid Hasan২০১৪-০১-০৩ ০২:৩৭ via computer ০ ০ ঘটনাক্রমে প্রভার বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়েছিল কিন্ত আরও কতজনের ঘটনা তো অপ্রকাশিতই রয়ে গেলো !! User Picture Md.Rafiqul Islam২০১৪-০১-০৩ ০৩:৫৭ via computer ১ ০ "যদি এ ভুলগুলো বাবা-মা ক্ষমা করে দেন, তাহলে ভাবব সবাই আমাকে ক্ষমা করেছেন।" মা-বাবার নয়, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। মা-বাবাদের সন্তানদের প্রতি ভালবাসার দুর্বলতা আছে তাই তাঁরা ক্ষমা করে দিতে-ই পারেন। আল্লালহর কাছে কান্নাকাটি করে ক্ষমা চাওয়া-ই বুদ্ধিমানের কাজ। User Picture Kader Babu২০১৪-০১-০৩ ০৯:০৬ via computer ০ ০ অপরাধী হওয়ার সে যোগ্য যে অপরাধী হওয়ার জন্য নিজেকে সুযোগ দেয়।ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না। User Picture জাকির হোসেন - অন্যদৃষ্টি২০১৪-০১-০৩ ০৯:১২ via computer ০ ০ প্রভা এমন কি অপরাধ করেছে যে, ক্ষমা চাইতে হবে? প্রফেশানালিজম থাকতে হয়। এটা তারই একটা অংশ আর যদি সত্যিই উপলব্ধি হয় যে, ভুল হয়েছে তবে গঙ্গা স্নান করো, হ্জজ ব্রত পালন করো। পুনরায় একই কাজ করো না।

Thu, 02 Jan, 2014 03:17:26 PM ক্ষমা চাইলেন প্রভা নিজস্ব প্রতিবেদক নতুন বা্র্তা ডটকম ঢাকা: “মানুষ মাত্রই ভুল করে। আমিও জীবনে কিছু ভুল করেছি। যদি এ ভুলগুলো বাবা-মা ক্ষমা করে দেন, তাহলে ভাববো সবাই আমাকে ক্ষমা করেছেন। আর এ জন্য মায়ের কাছে ক্ষমা চাই।”- এই কথাগুলো বললেন একসময়ের জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। সম্প্রতি আরটিভির ‘আমি আর মা’ অনুষ্ঠানের অতিথি হন অভিনেত্রী প্রভা ও তার মা রাবেয়া রহমান। সেখানে মাকে উদ্দেশ্য করে এ কথাগুলো বলেন প্রভা। সম্প্রতি অনুষ্ঠানটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয়েছে। শুক্রবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে প্রচারিত হবে পর্বটি। গত কয়েক বছরে একের পর এক ব্যক্তিগত ভুলের কারণে প্রভা মানসিকভাবে বিপর্যন্ত হয়েছেন। পাশাপাশি তার সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ারও হুমকির মুখে পড়ে। ভক্তরা তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। নির্মাতারাও তার সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। তবে ধীরে ধীরে নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছেন প্রভা। পুরোদমে কাজও শুরু করেছেন। আরটিভির ওই অনুষ্ঠানে প্রভা আরো বলেন, “সন্তান যে ভুলই করুক, মা সব সময় আগলে রাখেন। আমার মাও তার ব্যতিক্রম নন। আমার সব বিপদে মা পাশে থেকে উদ্ধার করেছেন। সাহস জুগিয়েছেন।” অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন সোহেল রানা বিদ্যুত। তানিয়া আহমদের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের এই পর্বে প্রভার মা রাবেয়া রহমান জানাবেন ছোটবেলা থেকে প্রভার বড় হয়ে ওঠার গল্প। সেই সঙ্গে অনুষ্ঠানে থাকবে তার ছোটবেলার ছবি ও ভিডিও। নতুন বার্তা/এফএ/জবা

বুধবার, ১ জানুয়ারি, ২০১৪


Wed, 01 Jan, 2014 11:59:16 AM এক কোটি রুপির জন্য নগ্ন পুনম পান্ডে! নতুন বার্তা ডেস্ক মুম্বাই: নতুন বছর উদযাপন উপলক্ষে ভারতের ব্যঙ্গালুরুতে আয়োজন করা হয়েছে লাইভ কনসার্টের। আর তাতে নগ্ন হয়ে নাচবেন পুনম পান্ডে। আর নিজের নগ্নতার বিনিময়ে এক কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলিউডের বিতর্কিত এ মডেল-অভিনেত্রী। এটাই পুনমের প্রথম লাইভ কনসার্ট। সম্প্রতি কানাড়া ভাষার ‘লাভ ইজ পয়জন’ ছবির টাইটেল গানে নাচেন পুনম। এই গানটির তালে তালে ব্যাঙ্গালুরুর ওই লাইভ কনসার্টে নগ্ন হয়ে নাচতে দেখা যাবে পুনমকে। কনসার্টটিতে পারফর্ম প্রসঙ্গে পুনম বলেন, “আমি দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য মুখিয়ে আছি। আশা করছি কনসার্টটির মাধ্যমে আমি দর্শকদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অনেক বেশি হবে সাড়া পাবো।” বর্তমানে গানটির অনুশীলন নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পুনম। ১০ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে ‘লাভ ইজ পয়জন’ ছবিটি। সম্প্রতি ছবির মূল নায়ক রাজেশের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এজন্য আলোচনার শীর্ষে আছে ছবিটি। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া। নতুন বার্তা/এফএ/এমএমএ/জবা